admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ৭:০৩ অপরাহ্ণ
নাগরিক ভাবনাঃ মোঃ আলী আশরাফ খানঃ অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ বনাম ননী অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর আমেরিকান বিজ্ঞানীরা সদর্পে ঘোষণা করেছিলেন Antibiotics will wipeout illness by the end of 20th century’ অর্থাৎ বিংশ শতাব্দীর শেষে অ্যান্টিবায়োটিক পৃথিবী থেকে রোগ নির্মূল করে ফেলবে’।
কিন্তু তা এখনো সম্ভব হয়নি বরং এর মারাত্নক সাইড ইফেক্ট মানুষের অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুখিন করেছে। মানুষ ফিরে যেতে শুরু করেছে প্রকৃতির কাছে। ফার্মাকোলজিকাল দিক থেকে ননীর মধ্যে দেখা কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যঃ
(ক) অ্যাডাপটোজেন- অ্যাডাপটোজেন হচ্ছে এমন বস্তু শরীরের সমস্ত সিস্টেমের উপর যার একটি ব্যালেন্সিং এফেক্ট বর্তমান। এপর্যন্ত আবিস্কৃত ১২টি অ্যাডাপটোজেন এর মধ্যে ননী হচ্ছে প্রথম সারির অ্যাডাপটোজেন।
(খ) এ্যালকালাইন- আম্লিক পরিবেশে দেহের কোষকলার কার্যকারিতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ননী জুস দেহে আম্লিকভাব কাটিয়ে ক্ষারকীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে।
(গ) এন্টি অক্সিডেন্ট- ফ্রী র্যাডিকালস এবং অন্যান্য কিছু দ্রব্য কোষের ড্যামেজ ঘটিয়ে ক্যান্সার ডেকে আনে। এন্টি অক্সিডেন্টের কাজ হচ্ছে ফ্রি র্যাডিকালস প্রশমিত করা। ননী হচ্ছে খুব কার্যকরী এন্টি অক্সিডেন্ট।
(ঘ) লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স- ননী জুসে ৩ঃ১ অনুপাতে কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার থাকার কারণে তা ব্লাডপ্রেসার স্বাভাবিক রাখে।
(ঙ) হিউম্যাকট্যান্ট : আদর্শ হিউম্যাকট্যান্ট হিসেবে ননী জুস টিস্যুর ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করে।