হোম
নাগরিক ভাবনা

নাগরিক ভাবনাঃ *দেশের জনগণ কবে রোগীবান্ধব প্রকৃত ডাক্তার পাবেন* লায়ন অ্যাাড.এম এ মজিদ

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট, ২০২০ ১১:০২ পূর্বাহ্ণ

লায়ন অ্যাাড.এম এ মজিদ-এম কে নিউজ বিডি

ফাইল ছবি

নাগরিক ভাবনাঃদেশের জনগণ কবে রোগীবান্ধব প্রকৃত ডাক্তার পাবেন, লায়ন অ্যাাড.এম এ মজিদঃ বাংলাদেশের জনগণ কি ডাক্তারদের কাছে জিম্মি নন? কবে বাংলাদেশের ডাক্তারদের বিবেক প্রসন্ন হবে, আর দেশের রোগীরা ডাক্তারদের কাছ থেকে সত্যিকারের সেবা, শুশ্রূষা ও চিকিৎসা পাবেন – সেই দিনের প্রতীক্ষায় রয়েছেন দেশের জনগণ। বাংলাদেশের বেশির ভাগ ডাক্তাররাই নির্মম কসাই, অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ী, বিবেক বর্জিত অমানুষ, নাকি এটাই স্বভাবিক নিয়ম ও রীতি?

যে কোন ক্লিনিক বা হাসপাতালে গেলে দেখা যায় হাসপাতালের বাহিরে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির এজেন্ট বা রিপ্রেজেন্টেটিভরা মোবাইল ফোনের ক্যামেরা অন করে জটলা করে দাড়িয়ে আছে ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলতে। এখন যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, কেন ওরা ডাক্তারের লেখা প্রসক্রিপশনের ছবি তুলেন? নিশ্চয় অনেকেই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন না। পারার কথাও নয়। কেননা, এটা স্বাভাবিক বিষয় নয়। বিষয়টি অনেক গভীরের। কেননা, ঔষধ কোম্পানিগুলো ডাক্তারদের লক্ষ লক্ষ টাকা, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে গাড়ি ও বাড়ি পর্যন্ত ঘুষ প্রদান করেন তাদের কোম্পানির ঔষধ প্রেসক্রাইব করার জন্য।

ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি বা এজেন্টরা ছবি তুলে দেখেন, যেই ডাক্তারকে লক্ষ লক্ষ টাকা, বাড়ি বা গাড়ি ঘুষ দেওয়া হয়েছে তাদের কোম্পানির ঔষধ প্রেসক্রাইব করার জন্য, সেই ডাক্তার কোন কোম্পানির ঔষধ প্রেসক্রাইব করেছেন – সেটি তারা তাদের কোম্পানির মালিকদের দেখানোর জন্যই ছবি তুলেন এবং এটাই তাদের চাকুরি।

এক্ষেত্রে ভাববার বিষয় হচ্ছে, ডাক্তাররা সেই কোম্পানির ঔষধগুলোই প্রেসক্রাইব করেন, যেই কোম্পানির কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ, গাড়ি বা বাড়ি ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ঔষধের গুনগত মান যাচাই বা বাছাই করে রোগীদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে প্রেসক্রাইব করার জন্য নয়, ঘুষের অর্থের পরিমানের উপর নির্ভর করেই ঔষধ প্রেসক্রাইব করে থাকেন ডাক্তাররা।

এবারে দেখা যাক সরকারি হাসপাতালে সেসব ডাক্তার চাকুরি করেন রোগীদের প্রতি তাদের সেবার নমুনা ও ধরণ। এক কথায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের প্রতি ডাক্তারদের সেবার মান শূন্য বল্লেও ভুল হবে না। রোগীদের সাথে শুধু দূর্ব্যবহারই নয়, চরম অব্যবস্হাপনা, অবহেলা, অনিয়ম, দুর্নীতি – এগুলোই এখন স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে। ডাক্তারদের চাকুরির সময়সূচি নেই বল্লেই চলে। কয়টার ট্রেন কয়টায় আসবে এর মতো অবস্থা এখন হয়েছে সরকারি ডাক্তারদের চাকুরির সময়সুচি। কোন্ ডাক্তার কয়টায় আসবে – এটা সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।

এটাও দেখার সুযোগ হয়েছে যে, হাসপাতাল থেকে রোগীর ঔষধ পাওয়ায় কথা থাকলেও রোগীকে সব ঔষধই বাহিরের দোকান থেকেই ক্রয় করতে হয়। দুই হাজার টাকার ঔষধের প্রয়োজন হলে রোগীর আর্থিক সঙ্গতি অনুসারে দশ থেকে বিশ হাজার টাকার ঔষধের তালিকা ধরিয়ে দেওয়া হয় রোগীকে। পরে সেগুলো বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করে নেন তারা। শুধু তাই নয়, ডাক্তাররা হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিজেদের ক্লিনিকে নেওয়ার জন্য অনেক দালাল ও কূটকৌশল প্রয়োগ করে থাকেন।

একজন সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার নিজের চেম্বারসহ ৩/৪ টি ক্লিনিক, বেসরকারি হাসপাহাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে কনসালটেন্ট, অধ্যাপক হিসেবে বৃহৎ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেদারছে রমারমা চিকিৎসা ব্যবসা ও চাকুরি করছেন। প্রেসক্রিপশনে তা ফলাও করে লিখছেনও, কিন্তু এতে তাদের কিছুই যায় আসে না। কেউ দেখার, বলার ও লেখার নাই, আর দেখলে ও লিখলেও তাতে তাদের কোন কিছুই যায় বা আসে না।

এবারে আসা যাক, ডাক্তারদের টেস্টিং বানিজ্য। প্রয়োজন থাক আর না থাক, ডাক্তারের কাছে গেলেই তারা একগাদা নাম লিখে ধরিয়ে দিবেন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টেস্ট করিয়ে আনার জন্য। যেখান থেকেই টেস্ট করিয়ে আনা হোক না কেন, কমপক্ষে ৪০% থেকে ৫০% কমিশনের টাকা ডাক্তারের কাছে সঠিক সময়ের মধ্যেই পৌছে যায় – এতে কোন ভুল করেন না ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে শুক্রবার ও শনিবারে কোন বড় ডাক্তার বা কনসালটেন্ট পাওয়া যাবে না। রাজধানীর সরকারি হাসপাতালের বড় বড় ডাক্তার, প্রফেসর ও কনসালটেন্টরা বিভিন্ন জেলা সদরে ঢাকঢোল বাজিয়ে দুই দিন রোগী দেখেন এবং জেলা সদরের ডাক্তাররা উপজেলায় গিয়ে রোগী দেখেন। রমজান মাসে শয়তানকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। কিন্তু শুক্রবার ও শনিবারে অসুখ ও রোগবালাইকে কে বেঁধে রাখে? সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই দুই দিন রোগীদের করুন দুর্গতি, কষ্ট ও আর্তনাদ, এমনকি চিকিৎসার অভাবে রোগীর মৃত্যু – এত সব কিন্তু দেখার বা শোনার কেউ নেই।

বাংলাদেশের বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার সার্ভিসের একজন সরকারি নিম্ন পর্যায় অর্থাৎ এসি ল্যান্ড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় অর্থাৎ সিনিয়র সচিব পর্যন্ত কোন চাকুরিজীবীর কি ক্ষমতা আছে ঢাকঢোল বাজিয়ে একত্রে ৩/৪টি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করার? সরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররা কিন্তু বিসিএস (স্বাস্হ) ক্যাডারের ১০০% সরকারি চাকুরিজীবী। ডাক্তাররা সত্যিকার অর্থে তাদের বেতন ও নির্ধারিত সময়ের কতভাগ দায়িত্ব রোগীদের জন্য ব্যয় বা সেবা দান করে থাকেন? তাহলে সরকারি ডাক্তাররা কেন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে চাকুরি করবেন? সরকারি ডাক্তাররা চাকুরি শেষে কোটি টাকা বা তারও অধিক এককালীন বিভিন্ন অর্থ একত্রে পান। তারপর অবসরকালীন তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন তো পেনসনের টাকা পাবেনই, তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত তিনিও পেনসনের অর্থ পেতেই থাকবেন।

এতসব সুযোগসুবিধা কেন তিনি ও তার স্ত্রী পাবেন? যেহেতু তিনি তার চাকুরীকালীন সময়ে রোগীদের জন্য অনেক কিছুই করে গেছেন এবং অবদান রেখেছেন সেজন্যই। নিরপেক্ষ কোন অনুসন্ধানী বা তদন্ত দলকে যদি দায়িত্ব দেওয়া হয়, সরকারি ডাক্তাররা তাদের বেতনের বিপরীতে রোগীদের জন্য কত পারসেন্ট সময় ব্যয় করেছেন বা অবদান রেখেছেন। এর বিচারের ভার যদি ডাক্তারদের বিবেকের উপরেই ছেড়ে দেওয়া হয় – তাহলে এর ফলাফল কি দাড়াবে? ডাক্তারদের এই বেতনের অর্থ কিন্তু মন্ত্রী বা রাজনৈতিক দলগুলো দেয় না, দেওয়া হয় জনগণের অর্থ হতেই। অথচ সেই জনগণ যখন রোগী হয়ে ঐ ডাক্তারদের কাছে যান – তখন কোন চিকিৎসাসেবা তারা ডাক্তারদের কাছ থেকে পান না বল্লেও খুব একটা অত্যুক্তি হবে না।

রাষ্ট্রের কাছে দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার পাঁচটি। এই পাঁচটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে চিকিৎসাসেবা হচ্ছে অন্যতম মৌলিক অধিকার। কিন্তু জনগণের এই মৌলিক অধিকার এবং সেবার মান শুধু ডাক্তারদের কারণেই এখন তলানিতে এসে পৌঁছেছে। এর পরও যদি দায়িত্ববানদের চোখে এসব ধরা না পড়ে এবং কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণ করা না হয় – তাহলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মানুষের ও রোগীদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাড়াবে সেটি সহজেই অনুমেয়।

বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলোতে গেলে দেখা যায় – প্রতিদিন কয়েক হাজার বাংলাদেশী নাগরিক চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছেন। এই চিকিৎসার জন্যই ভারতে প্রতিদিন কয়েকশো কোটি টাকার বৈদেশিক টাকা চলে যাচ্ছে ভারতে। বেশির ভাগ রোগীরা ভারতে যাচ্ছেন শুধুমাত্র ভারতের ডাক্তারদের ভাল চিকিৎসা ও ভালো ব্যবহার জন্য।

আমাদের দেশের এতগুলো সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে থেকে যেসব ডাক্তার পাশ ও ইন্টার্নি করে বের হন – তারা কি সঠিক ডাক্তার হয়ে ও ব্যবহার শিখে সেখান থেকে বের হন না? তাহলে সামান্য জ্বর, কাশি, সর্দি ও চোখ দেখাতে ও অপারেশন করাতে কেন প্রতিদিন হাজার হাজার বাংলাদেশী রোগীদের ভারতে যেতে হবে? তাহলে কি আমাদের মেডিকেল কলেজগুলোর শিক্ষার মান খারাপ, না ডাক্তারদের নৈতিক মান ও ব্যবহার খারাপ? এসব কি কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবে না? নাকি এখনও তাদের এসব ভেবে দেখার সময় হয় নাই?

ডাক্তাররা আরো একটি কঠিন শপথ ভঙ্গ করে চলেছেন। করোনাকালে বেশির ভাগ ডাক্তাররাই রোগী দেখেন নাই এজন্য যে, তারাও করোনায় সংক্রমিত হতে পারেন, এই ভয়ে। এটা কি কোন কারন, অজুহাত বা যুক্তি হতে পারে? কখনোই না। কেননা, তারা ডাক্তারী লেখাপড়া করেছেন এবং চাকুরিতে যোগদান করেছনই কেবলমাত্র রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য। তাতে যদি মরতে হয় মরবেন, কিন্তু সেবা কার্যক্রম হতে পিছিয়ে বা দূরে সরে যেতে পারবেন না।

যেমনটি কোন সৈনিককে রণক্ষেত্রে যুদ্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হলে তিনি যদি বলেন, এই যুদ্ধে আমার মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে সেজন্য আমি যুদ্ধে যাবো না। সেক্ষেত্রে সেই সৈনিকের শাস্তি কি হওয়া উচিৎ বা আইন কি বলে? তাহলে করোনার মৃত্যুর ভয়ে যেই সব ডাক্তার রোগী দেখেন নাই বা কর্তব্য পালন করেন নাই, তাদের শাস্তি কি হওয়া উচিৎ? রায় দিবেন জনগণ।

আমাদের দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মহোদয় অনেকগুলো ভাষনে ডাক্তারদের উদ্যেশ্যে উপরের লিখা অনিয়ম ও অভিযোগগুলো আরো সুন্দর করে তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন এসব থেকে ফিরে এসে রোগীদেরকে সত্যিকারের সেবা দিয়ে তাদের মন জয় করতে। কিন্তু কে শোনে কার কথা!

আমি আমাদের দেশের ডাক্তারদের মাত্র কয়েকটি অবিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উল্লেখ করলাম মাত্র। ডাক্তারদের অমানবিতা, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি আরো অনেক গভীরে। ডাক্তাররা তাদের মূল লক্ষ্য, সেবা, মন ও মানসিকতা থেকে অনেক দূরে সরে গেছেন। তারা এখন ডাক্তার নন, তারা এখন অর্থ উপার্জনের বড় ব্যবসায়ী হিসেবে গড়ে উঠেছেন।

সব ডাক্তাররাই যে উপরোক্ত দোষে দোষী, তা কিন্তু আমি বলবো না। এমনও অনেক ডাক্তার আছেন যারা জীবনকে বাজী রেখে তাদের এই মহান পেষা অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। এমন ভালো ও ত্যাগী কিছু ডাক্তার আছে বলেই তো এখনও ডাক্তারদের জন্য মানুষের কিছুটা শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালবাসা রয়েছে। কিন্তু এ ধরণের ডাক্তারের সংখ্যা খুবই নগণ্য।

একটি উদাহরণ ও প্রশ্ন রেখেই আজকে আমার এই লেখার সমাপ্তি টানতে চাই। কয়েক লক্ষ আম গাছের একটি বিশাল বাগানে যদি কয়েকটি লিচু গাছ থাকে তাহলে কি সেই বাগানটিকে আমরা আম বাগান বলবো, নাকি লিচু বাগান বলবো? উত্তরটি পাঠকের উপরেই ছেড়ে দিলাম।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য গুলি বিদ্ধ ।
রংপুর 8 hours আগে

সুনামগঞ্জে বালু ধসে স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে
আইন-বিচার 9 hours আগে

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাওরে বজ্রপাতে ১জনের মৃত্যু।
দুর্ঘটনা 9 hours আগে

সাভারে ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাৎতের চেষ্টা ও প্রাণ নাশের হুমকি।
আইন-বিচার 1 day আগে

হাবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক বলে আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর দেশ
রংপুর 1 day আগে

পীরগঞ্জে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির  লক্ষে কে.টি আর হস্তশিল্প কারখানার
অর্থনীতি 2 days আগে

পঞ্চগড়ে কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের  অভিযোগে যুবকের এক বছরের কারাদন্ড
আইন-বিচার 2 days আগে

দিনাজপুরের বিরলে বিজিবির নবনির্মিত মৌচোষা বিওপির উদ্বোধন।
অর্থনীতি 2 days আগে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ডিসির বক্তব্য ভিডিও করতে বাধা দেওয়ায় সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান
রংপুর 2 days আগে

বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে নেপালে ১৬৬ মে.টন জুট রোল রপ্তানি।
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক