admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২১ ১০:২৬ অপরাহ্ণ
দেশে ১৬ ঘণ্টা চলবে গণপরিবহন সরকারের সিদ্ধান্ত । চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেই গার্মেন্টসসহ সকল কল-কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল (১ আগস্ট) রোববার সকাল থেকে খুলবে সকল শিল্প প্রতিষ্ঠান। গতকাল শুক্রবার রাতেই এ ঘোষণা দেয় সরকার। কিন্তু গণপরিবহন বন্ধ থাকায় গ্রাম থেকে কর্মস্থলে ফিরতে পারছিলেন না লোকজন। গতকাল রাতে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানোর পর থেকেই মানুষজন যে যেভাবে পারছে গ্রাম থেকে কর্মস্থলে ফিরছে।
আজ শনিবার সকাল থেকে মহাসড়ক গুলোতে জনস্রোত লক্ষ করা যায়। কিন্তু গণপরিবহন না থাকায় ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়ে মানুষজন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অবস্থা হয় ভয়াবহ। গতকাল রাতে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানোর পর থেকেই মানুষজন যে যেভাবে পারছে গ্রাম থেকে কর্মস্থলে ফিরছে। আজ শনিবার সকাল থেকে মহাসড়কগুলোতে জনস্রোত লক্ষ করা যায়। কিন্তু গণপরিবহন না থাকায় ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়ে মানুষজন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অবস্থা হয় ভয়াবহ।এ নিয়ে দেশের গণমাধ্যম গুলোতে বেশ ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলতে থাকে ব্যাপক সমালোচনা।
এমনই প্রেক্ষাপটে আজ শনিবার সন্ধ্যায় সীমিত পরিসরে সকল প্রকার গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে মাত্র ১৬ ঘণ্টার জন্য অর্থাৎ শনিবার দিবাগত ৮টা থেকে আগামীকাল রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে গণপরিবহন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে সব ধরনের গণপরিবহন চালানোর বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, সরকার শ্রমিকদের স্বার্থে গণপরিবহন চলাচল শিথিল করার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সব জেলায় এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে আগামীকাল রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করবে। এর আগে গতকাল শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগামী ১ আগস্ট রোববার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গার্মেন্টসহ দেশের সকল রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা খোলা থাকবে।
দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন বা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। যা আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এবারের লকডাউনে অফিস-আদালত, গণপরিবহন, মার্কেট ও শপিংমলের পাশাপাশি গার্মেন্টস ও অন্য শিল্প কারখানাও বন্ধ রাখা হয়। তবে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের দফায় দফায় অনুরোধের পর গতকাল শিল্প কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।