হোম
নাগরিক ভাবনা

দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়টিকে সেরা বিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করাটাই ছিল আমার পতনের একটি অন্যতম কারণ

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৭ জুন, ২০২০ ৭:০৯ অপরাহ্ণ

Dinajpur-Lion-AD.Mozid-mknewsbd

ফাইল ছবি

নাগরিক ভাবনাঃ লায়ন অ্যাাডভোকেট আব্দুল মজিদ, সেরা বিদ্যালয় হিসেবে গণ্য করাটাই ছিল আমার পতনের একটি অন্যতম কারণ ।  ছবিটি আজ থেকে ২০ বছর পূর্বে দিনাজপুর হাই স্কুলের ২০০০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানের। আমি ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর শহরের জিরো পয়েন্টে অবস্হিত দিনাজপুর হাই স্কুল (দিনাজপুর হাই মাদ্রাসা নামেই অধিক পরিচিত ছিল) এর ভাইস চেয়ারম্যান বা ভিসি ছিলাম। আমি ঐ স্কুলের ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পরে দুই লিফট এর অনুমোদন করিয়েছিলাম, অর্থাৎ আগে এক শিফটের শিক্ষক দিয়েই দুই শিফটের শিক্ষার্থীদের পড়ানো হতো। কয়েকটি বিশাল ভবনও নির্মান করিয়েছিলাম। সেমিস্টার পদ্ধতিতে প্রতি মাসে পরীক্ষার প্রবর্তন করেছিলাম। কোনো শিক্ষার্থী কোনো বিষয়ে দূর্বল হলে স্কুল ছুটির পর সে বিষয়ের শিক্ষককে দিয়েই তাকে স্কুলেই বিনা মূল্যে কোচিং করাতাম।

বার মাসে তের পর্বনের মতো স্কুলে সারা বছর জুরেই জাকজঁমকপূর্ণ অনুষ্ঠান লেগেই থাকতো। খেলাধুলায় শুধু দিনাজপুর জেলাতেই সেরা ছিল না – বাংলাদেশের মধ্যে সেরা স্কুলের মর্যাদা ছিনিয়ে এনেছিলাম। স্কুলের প্রত্যেকের অর্থাৎ ১০০% শিক্ষার্থীর বাসায় স্বশরীরে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও জেনেছি কে কোন্ পরিবেশে আছে এবং মানুষ হচ্ছে। কাকে ইউনিফর্ম দিতে হবে, কাকে হাফ ফ্রী, কাকে ফুল ফ্রী দিতে হবে। কে দেরীতে আসে, কে স্কুলে কম আসে, কে ফাঁকি দেয়, কে স্কুলে আসে নাই অথচ বাসা থেকে বেরিয়েছে স্কুলে যাওয়ার জন্য। সব খবর আমার কাছে থাকতো। একটা ছোট ঘটনা বলি। এক ছাত্র প্রতিদিন দেরিতে স্কুলে আসে। সেজন্য ক্লাস টিচার তাকে বকাঝকা করছেন ও মারছেন। আমি সেসময় যখনতখন আকস্মিক পরিদর্শনে স্কুলে যেতাম ও দেখতাম – শিক্ষকগণ ঠিকমতো পড়াচ্ছেন কিনা, শিক্ষকের পূর্ব প্রস্তুতি আছে কিনা, শিক্ষার্থীরা পাঠে মনোযোগী কিনা, শিক্ষক পড়ানোর পর ফিটব্যাক নিচ্ছেন কিনা, শ্রেণিতে উপস্থিতির সংখ্যা কত, কম হলে কি ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীরা ড্রেস পরেছে কিনা, না পরলে কেন পরে নাই তার কারন জানা, শ্রেণিকক্ষ, বিদ্যালয়, বিদ্যালয়ের চারিপাশ, এমনকি বিদ্যালয়ের টয়লেট পরিস্কার কিনা, টয়লেটে আজেবাজে কিছু লেখা আছে কিনা, লেখা থাকলে সেগুলো মুছে হোয়াইট ওয়াস করা হয়নি কেন, আরো অনেক কিছু। যাকগে এসব কথা।

প্রতিদিন বিলম্বে স্কুলে আসার অভিযোগে যেই ছাত্রকে শাশানো ও শাস্তি দেওয়া হচ্ছিল তার সম্পর্কে আমি জানতাম। সে খুব গরীবের সন্তান ও পিতৃহীন। সে একটা বেকারীর কারখানার বিশাল বয়লারে অর্থাৎ চুল্লিতে আগুন দেওয়ার কাজ করে। লেখাপড়ার প্রতি অদম্য বাসনাসহ তার কাজে ও আচরণে মালিক সন্তুষ্ট হয়ে তাকে পড়াশোনার জন্য ভোর ৫ টা থেকে দুপুর ২টার স্হলে ২ ঘন্টা পূর্বে অর্থাৎ ১২ টার সময় ছুটি দিতেন। সে জন্য প্রতিদিন স্কুলে আসতে তার দেরি হতো। শিক্ষককে বিষয়টি বুঝিয়ে বল্লাম। ছেলেটির কোচিংয়ের বিশেষ ব্যবস্হা করলাম। আর সকল শিক্ষকদের জন্য একটা আদেশ জারি করলাম এই মর্মে যে, এখন থেকে প্রতিটি শিক্ষককে প্রতিটি শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে তার সার্বিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে ও বুঝে তা ডায়েরিতে লিখে সেই ডায়েরী প্রতি সপ্তাহে আমার কাছে জমা দিতে হবে। আরো নির্দেশ জারি করেছিলাম, কোনো শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত বা শাস্তি দেওয়া যাবে না, তুই তুকারী করে কারো সাথে কথা বলা যাবে না, পরম মমতা দিয়ে ও আদর করে কথা বলতে হবে। এর সুফল যে কি অসাধারণ পেয়েছিলাম যা লিখে শেষ করা যানে না। ঐ আদেশ জারির পর নিজ বাসার চাইতে স্কুলকেই শিক্ষার্থীরা বেশি ভালবাসতে শুরু করেছিল।

বাসায় খাবার রান্না করতে একটু বিলম্ব হলে তারা স্কুলের টানে না খেয়েই স্কুলে চলে আসতো। অনুপস্হির হার প্রায় শূণ্যে এসে গিয়েছিল। সে সময়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্ততরের মহাপরিচালক এই স্কুলে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে দেখে অত্যন্ত সন্তষ্ট হয়ে লিখেছিলেন, “দিনাজপুর হাই স্কুলটি পরিদর্শনে এসে আমি যা দেখলাম তাতে বাংলাদেশের সকল বেসরকারি স্কুলের মধ্যে এটিই সেরা ও মডেল স্কুল। আমি সব স্কুলকে এই স্কুলের নীতিমালা ও আদর্শ অনুসরণ করতে পরিপত্র জারি করবো। এর কিছু দিন পরেই সরকারিভাবে দেশের বিভিন্ন স্কুলের ১০৫ জন প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে দিনব্যাপী পরিদর্শন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই স্কুলে। এবারে আশা যাক – বেকারীর ঐ ছেলেটির কথায়। বেকারীর কারখানার বয়লারে কাজ করা ঐ ছেলেটি কিন্তু এখন গরীব ও অসহায়দের দরদী বন্ধু হিসেবে অতি সুপরিচিত দিনাজপুর আইনজীবী সমিতির একজন স্বনামধন্য অ্যাডভোকেট।

আমি ঐ স্কুলের দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ছিল না, এ্যাসেমব্লি ও জাতীয় সঙ্গীত হতো না, ১৬ই ডিসেম্বর ও ২৬শে মার্চে বড়মাঠে কুচকাওয়াজে অংশ নিত না, বার্ষিক পিকনিক বা স্পোর্স এক কথায় কোন অনুষ্ঠানই হতো না, টিফিনের পর স্কুলে ক্লাস হতো না, বখাটে ছেলেরা ক্লাসে গিয়ে মেয়েদের উত্যক্ত ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করতো, বাথরুমে ডজন ডজন ফেনসিডিলের বোতল প্রতিদিন পাওয়া যেতো। এ ধরণের ১৫১টি অনিয়ম চিহ্নিত করে সেগুলো ১০০% সমাধান করেছিলাম, শুধু তাই নয়, তার চাইতে আরো অনেক অনেক বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেছিলাম।

এতকিছু করার বিনিময়ে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক রোষানলের শিকারে পতিত হয়ে আমি হয়েছিলাম কয়েক ডজন মিথ্যা মামলার আসামী। আসামী হয়ে ৪ বছর দিনাজপুর ছাড়া ছিলাম। অনেক ঘটনা, অনেক স্মৃতি, অনেক বেদনা রয়েছে এই স্কুলকে ঘিরে। আমাকে ও আমার পরিবারের সকলকে সে সময় সত্যিকার অর্থেই অনাহারে ও অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়েছে। স্কুলটিকে জিরো থেকে হিরো বা সেরা স্কুল করতে গিয়ে আমি যা হারিয়েছি তা বর্ণনা করে যেমনটি শেষ করা যাবে না, ঠিক তেমনটিই দশের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে যা পেয়েছি তা বর্ণনা করেও শেষ করা যাবে না।

আগে ছিলাম দিনাজপুর জজ কোর্টের এডভোকেট – ঢাকায় পালিয়ে থেকে হলাম সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্ঠিত এডভোকেট। কয়েকটি সংগঠনে আগে ছিলাম জেলার নেতা – পরে হয়েছি জাতীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নেতা। সেসময় এইচএইচসি’তে পাঠ্যরতাবস্হায় নিদারুন কষ্ট, অনাহারে, অর্ধাহারে, চরম অনিশ্চিত ও সাকারি নির্দেশে প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানীতে কালাতিপাত করা আমার সহধর্মিণী এবং একমাত্র ছেলে আব্দুল কাদের সাগর সে সময় আল্লাহর সাহায্য চেয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিল এই মর্মে যে, সে অনেক বড় হয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেখিয়ে দিবে – মিথ্যা, অন্যায় ও নির্যাতন করে কাউকে দাবিয়ে রাখা যায় না। সবার দেয়ায় ও আল্লাহর রহমতে আমার ছেলে ড. আব্দুল কাদের সাগর যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করে আজ মেধায়, যোগ্যতায় ও চিকিৎসা গবেষণার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিসহ বেশ কয়েকটি ইউনিভার্সিটি রিসার্চ ফেলো হিসেবে চাকরির অফার দিয়েছে। শেষাবধি বিশ্বের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা গবেষণাগার যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের অধীনে ন্যাশলাল ইনিষ্টিটিউট অব হেলথ এর বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ ফেলো হিসেবে যোগদান করেছে। কথায় বলে, রাখে আল্লাহ মারে কে! সত্যের জয় সুনিশ্চিত, আল্লাহ কাউকে সম্মান দিতে চাইলে বান্দা তাকে টেনে নিচে নামাতে পারে না। আমাদের ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে।

দিনাজপুর হাই স্কুলে অর্থাভাবে যারা কোনদিন এসএসসি পর্যন্ত পড়ার কথা ভাবতেও পারতো না, তাদের কাছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাডভোকেট, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও বড় কিছু হওয়াটা ছিল নিছক কল্পনা বা দুঃস্বপ্নের মতো। কিন্তু আমি তাদেরকে স্কুলে ও বাসায় গিয়ে গিয়ে সেই স্বপ্ন দেখিয়ে বলেছি – তোমরাই পারবে স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে”। দশের দোয়া, সাহায্য ও সহযোগিতায় আমি তাদেরকে যেই স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম তাদেরকে দিয়েই তা বাস্তবায়ন করিয়েছিলাম। তারা অনেকেই আজ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, অ্যাডভোকেট ও ব্যবসায়ী। এদের অনেকেই ছিল এতিম, মা পরের বাসায় গৃহকর্মী বা দিন মজুরের কাজ করতো। তাদের দোয়ার বরকতেই হয়তো আজ আমার ছেলের সম্মান ও মর্যাদা আকাশ চুম্বী।

এখানে না বল্লেই নয় যে, দিনাজপুর হাই স্কুলের সে সময়ের সহকারী শিক্ষক এবং পরবর্তীতে সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান আমাকে অনেক বুঝিয়ে ও উদ্বুদ্ধ করে দিনাজপুর হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে এনেছিলেন। সে সময়ের দিনাজপুর হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ও অন্যান্য শিক্ষকদের পরিশ্রম, অবদান ও সহযোগিতা তুলনাহীন। তাঁদের সবার কাছে আমি চিরঋণী ও চির কৃতজ্ঞ। আমার কারনেই শিক্ষকগণ টিউশনি বা কোচিং ব্যবসা করতে পারতেন না।

তদুপরি প্রভাতী শাখার নতুন নিয়োগকৃত শিক্ষকগণ আড়াই বছর সরকারি বেতন পান নাই, কিন্তু তাতেও তাঁদের এতটুকু দূঃখ, ক্ষোভ, অসন্তোষ বা অবহেলা ছিল না। তাঁরা গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন ভিসি স্যার যা বলেছেন তা স্কুলের ভালোর জন্যই বলেছেন। তাঁদের সাথে আমার সম্পর্কটা এতটাই মধুর ও গভীর ছিল যে, আমার যে কোন অনুরোধ তাঁরা সব সময়ই হাসি মুখে মেনে নিয়ে তা আন্তরিকভাবে বাস্তবায়ন করতেন। স্কুলের উন্নয়নে আমাকে নিঃস্বার্থ ও আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার জন্য অনেক শিক্ষক ও আমার পক্ষের নিবেদিত সাংবাদিকদের জীবনে নেমে এসেছিল আমানিশার খর্গ ও বহুমাত্রিক নির্যাতন – যা অবর্ণনীয় ও কল্পনাতীত। তাঁদের এ ঋণ আমি কখনও শোধ করতে পারবো না।

ছবিতে আমার ডানে ইংরেজীর জাহাজ নামে খ্যাত স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ স্যার আর বামে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আজিজুল ইসলাম। এখন তাঁরা দু’জনেই না ফেরার দেশে চলে গেছেন। সবার বামে সে সময়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অত্যন্ত কর্মঠ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তালেব মনু।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য গুলি বিদ্ধ ।
রংপুর 10 hours আগে

সুনামগঞ্জে বালু ধসে স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে
আইন-বিচার 11 hours আগে

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাওরে বজ্রপাতে ১জনের মৃত্যু।
দুর্ঘটনা 11 hours আগে

সাভারে ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাৎতের চেষ্টা ও প্রাণ নাশের হুমকি।
আইন-বিচার 1 day আগে

হাবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক বলে আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর দেশ
রংপুর 2 days আগে

পীরগঞ্জে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির  লক্ষে কে.টি আর হস্তশিল্প কারখানার
অর্থনীতি 2 days আগে

পঞ্চগড়ে কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের  অভিযোগে যুবকের এক বছরের কারাদন্ড
আইন-বিচার 2 days আগে

দিনাজপুরের বিরলে বিজিবির নবনির্মিত মৌচোষা বিওপির উদ্বোধন।
অর্থনীতি 2 days আগে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ডিসির বক্তব্য ভিডিও করতে বাধা দেওয়ায় সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান
রংপুর 2 days আগে

বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে নেপালে ১৬৬ মে.টন জুট রোল রপ্তানি।
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক