admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৫ ২:৪০ অপরাহ্ণ
হরিপুর ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলায় বলে বিভিন্ন উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছের নিরাপদ আশ্রয় গুলোতে চায়নাদুয়ারী জাল বা ট্রেন জাল শয়তানজাল, ঘাতক জাল দিয়ে বর্তমান বর্ষার প্রাক্কালে মাছের ব্রিডিং সিজনে এসময় ফাঁদ পদ্ধতিতে মাওয়ালা মাছ ও পোনা ধরে বাজারে বিক্রি করে।
এভাবেই চলতে থাকলে কিছুদিন পর দেশি মাছ বাজারে ওঠবেই না। এই নিষিদ্ধ জাল কিছু অসাধু জাল ব্যবসায়ী ঠাকুরগাঁও জেলার বড় হাট মঙ্গলবার যাদুরানী ও শনিবার কাতিহার ও রবিবার নেকমরদ হাটে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারি (শয়তান/ঘাতক জাল) ও কারেন্ট জাল দেদারসে বিক্রি করছে।
এসব জাল বিক্রি রোধ করতে না পারলে জেলার বিভিন্ন ডোবা, নদী, নালা-খাল ও বিলের দেশি বা পোনা মাছ প্রজনন ধংস হয়ে যাবে। এসব জাল জব্দ কিংবা নিধন করা জরুরী। জেলা ও উপজেলার প্রশাসন কঠোরভাবে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন হাটবাজারে এসব জাল বিক্রেতাদের ধরা,জাল জব্দ ও নিধন অভিযান অতিব জরুরি । অপরদিকে হরিপুর উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের এ ব্যপারে মোটেও কোন প্রদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
তাহলে কি উপজেলা প্রশাসনের উদাসিনতা কিংবা সময়ের অজুহাতে দেশি বিভিন্ন জাতের ছোট মাছ জেলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী দেশি মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে ? এখনো খাল, বিল, নদী, নোনা, সবজায়গায় এই শয়তান জাল / চায়নাদুয়ারী জাল পানিতে দেখতে পাওয়া যায়। তবে মৎস অধিদপ্তরের লোকবলের চোখে পড়েনা। এখনি হাটে বিক্রি বা পানিতে ফাঁদ পদ্ধতিতে মাছ বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা না করলে হয়তো দেশীয় মাছের প্রজনন ধংস হয়ে যাবে।এমনিটিই মন্তব্য করেছেন সুধীমহল ।