admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৯:২০ অপরাহ্ণ
আজ মঙ্গলবার বিমানবন্দর পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে রাজধানী ঢাকার শাহজালালে করোনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষাগার স্থাপনে এরইমধ্যে ৭টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রবাসীদের জন্য আজ-কালের মধ্যে এই পরীক্ষাগার চালুর কথা বলেছিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
কবে নাগাদ বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা শুরু করা সম্ভব হবে, সেটা জানাতে পারেননি তারা। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরে ভেতরের জায়গা তৈরি আছে, দুই-তিন দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। পার্কিংয়ের জায়গায় পরীক্ষাগার স্থাপনের জন্য ছাদ তৈরি করতে ১০ দিন লাগবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাত্রী পাঠাতে হলে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার থাকতে হবে উল্লেখ করে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এই পরীক্ষা করতে সময় বেশি লাগে, র্যাপিড পিসিআরে সময় কম লাগে। কিন্তু র্যাপিড পরীক্ষার যন্ত্রপাতি আমাদের দেশে নেই। আপাতত আরটি-পিসিআর দিয়ে কাজ চলছে, র্যাপিড পরীক্ষাও বিবেচনায় নেয়া হবে।
আরও আগে করোনার পরীক্ষাগার চালু করা উচিত ছিল মন্তব্য করে ইমরান আহমদ বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অর্ন্তভুক্তির সমস্যার কারণে বাস্তবে সেটা হয়নি। তিনদিনের মধ্যে পরীক্ষা করা যাবে বলে আশাকরি। বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এখানে পরীক্ষাগার বসাতে জায়গা লাগবে, সে জন্য পার্কিংয়ের জায়গা দেয়া হয়েছে। আপাতত ছোট আকারে পরীক্ষাগার বসাবে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম শুরু হবে। ছাদে স্টিলের মজবুত কাঠামো করা হবে। স্থাপনাটি শীততাপনিয়ন্ত্রিত থাকবে, পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থাও রাখা হবে। এসব করতে একটু তো সময় লাগবে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর শাজজালালে পিসিআর পরীক্ষাগার স্থাপনে ৭টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয় প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- স্টেমজ হেলথস কেয়ার (বিডি), সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার, এএমজেড হাসপাতাল, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, গুলশান ক্লিনিক ও ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব এন্ড ডায়াগনস্টিক।