নিউজ ডেক্স || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:১৮ অপরাহ্ণ
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের অ্যাডভোকেট লাউঞ্জের সামনে আওয়ামীপন্থি একদল আইনজীবী জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তাদের কোনো স্লোগান দিতে শোনা যায়নি। তবে, অনেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু উচ্চারণ করতে শোনা গেছে।
এর আগে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পাঁচজনের ৫০ শতাংশ সম্পদ বাজেয়াপ্তের মাধ্যমে সরকারি অনুকূলে নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় পড়ার শুরুতেই এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, প্রসিকিউশন, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান বিচারপতি নজরুল ইসলাম। একইসঙ্গে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ২৫ কেজি হয়েছিল বলে জানান। এছাড়া আসামিরা উপস্থিত থাকলে পুরো রায় পড়া যেতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরপর চার অভিযোগে কাকে কী দণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাকি ছয়জন হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।