admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২১ ২:১৫ অপরাহ্ণ
ভারতে নরেন্দ্র মোদিকে মমতার চিঠি সীমান্তে খবরদারির প্রতিবাদে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও পাঞ্জাবে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়িয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এসব রাজ্যের ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পুলিশের মতো তল্লাশি এবং গ্রেপ্তার করতে পারবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীটির সদস্যরা। সীমান্তে বিএসএফের এই খবরদারি বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল রোববার শিলিগুড়িতে বিজয়া সম্মিলনীর এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তার রাজ্যকে ভাগাভাগি করা চলবে না, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত তিনি মানবেন না।
ডিভাইড অ্যান্ড রুল বাস্তবায়নে এই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, যা মানবে না পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গ। দাঙ্গা উস্কে দিতে বিজেপি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে অভিযোগ করে মমতা বলেন, সবাই একসঙ্গে আছি, থাকব; এই সিদ্ধান্তের দরকার নেই। এখানে নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সুসম্পর্ক রয়েছে। রাজ্য সরকারের এই অবস্থান জানিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাস হচ্ছে, আফগানিস্তানে উত্থান ঘটেছে তালেবানের; বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় কারণে সংঘাত চলছে। এমন পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সাংবিধানিক পদে থাকা তার কাছে এমনটি প্রত্যাশিত নয়।
এর আগে সীমান্তে বিএসএফের নজর ও খবরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র আপত্তি জানিয়েছে পাঞ্জাব সরকার। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, বিএসএফকে সীমান্তের ভেতর ৫০ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত তল্লাশি চালানোর যে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তার তীব্র প্রতিবাদ করছি আমি।
সম্প্রতি দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সীমান্তের ওপার থেকে সম্প্রতি ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহের চেষ্টা হয়েছে। তাই সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিএসএফ সীমান্তের ভেতর ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় তল্লাশি চালাতে পারতো। এখন সেটা বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে।