admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
বেক্সিমকো বেসরকারি ভাবে টিকা বিক্রি করবে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনার ভ্যাকসিন (টিকা) উৎপাদন ও বাজারজাত করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। সরকারের সঙ্গে মধ্যস্থতা করে সেখান থেকে বাংলাদেশে টিকা আনছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।যা সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের মানুষকে প্রয়োগ করা হবে। তবে এর বাইরে বেসরকারিভাবেও একই প্রতিষ্ঠান থেকে টিকা এনে বিক্রি করবে কোম্পানিটি।
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রায় ৩০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন কিনছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। যা সরকারি কর্মসূচির বাইরে বেসরকারিভাবে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করা হবে। এ জন্য প্রতি ডোজ বাবদ সেরামকে ৮ ডলার করে দিতে হবে দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটিকে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমটিকে মোবাইল ফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে উল্লিখিত তথ্য নিশ্চিত করেন বেক্সিমকোর চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজার। তিনি জানান, আগামী মাস থেকেই বেসরকারিভাবে টিকা বিক্রির এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এ ক্ষেত্রে টিকার প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১৩ দশমিক ২৭ ডলার বা ১ হাজার ১২৫ টাকার মতো।
বেক্সিমকোর এ কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে ১০ লাখ ডোজ টিকার জন্য চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। আরো ২০ লাখ ডোজ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হচ্ছে তাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে। রাব্বুর রেজার আরো বলেন, বেক্সিমকো বছরের প্রথমার্ধে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরকারি টিকাদান কর্মসূচির জন্য সরবরাহ করবে। চলতি মাসের শেষের দিকেই সেরাম ইনস্টিটিউট সরকারের কাছে ও বাজারে বিক্রির জন্য টিকা সরবরাহ শুরু করবে। যারা টিকা গ্রহণে ইচ্ছুক, বিরতি দিয়ে তাদের মাঝে ভ্যাকসিনটির দুটি ডোজ বিতরণ করা হবে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনার ভ্যাকসিন পেতে চুক্তি করেছে সরকার। বেক্সিমকো ফার্মার মাধ্যমে এই ভ্যাকসিনের তিন কোটি ডোজ বাংলাদেশে আসবে। প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের জন্য বাংলাদেশকে ৪ ডলার করে দিতে হচ্ছে। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ভ্যাকসিনটির যে দাম, বাংলাদেশে তার চেয়ে ৪৭ শতাংশ বেশি দাম পড়ছে।