হোম
আন্তর্জাতিক

নাইজেরিয়ায পুলিশের অভিযানে বেরিয়ে আসছে মাদ্রাসার ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব নির্যাতনের তথ্য

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ

Nijeriyan-madrasha-mknewsbd

ফাইল ছবি

নাইজেরিয়ায পুলিশের অভিযানে বেরিয়ে আসছে মাদ্রাসার ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব নির্যাতনের তথ্য এরকম স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশেই শিক্ষার্থীরা বসবাস করতো। নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় দাউরা শহরের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ওপর যেভাবে নির্যাতন চালানো হতো তার বিবরণ পড়লে যে কারোই গা শিউরে উঠবে। কেউ চাইবে না এরকম একটি প্রতিষ্ঠানে কোন শিশু এক বছর তো দূরের কথা, এক মিনিটের জন্যেও সেখানে লেখাপড়া করুক। এধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী। বেসরকারি এসব ধর্মীয় স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে শিশুদের যারা সেখানে ভয়াবহ রকমের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের অনেকেরই শরীরেই রয়ে গেছে সেসব নির্যাতনের চিহ্ন। যেসব শিশুদের নিয়ে পিতামাতারা বাড়িতে সমস্যায় পড়েছিল,কিম্বা যেসব তরুণ ছেলে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিল, অথবা জড়িয়ে পড়েছিল ছোটখাটো অপরাধের সাথে, তাদের পরিবার তাদেরকে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতো, কিন্তু তারা ধারণাও করতে পারতো না তাদের প্রিয় সন্তানেরা সেখানে কী ধরনের দুর্বিষহ জীবন কাটাতো।
তল্লাশি চালানোর পর কর্মকর্তারা এসব প্রতিষ্ঠানকে ‘মাদ্রাসা’ নয় বরং উল্লেখ করছেন ‘নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে। নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারির নিজের শহর দাউরায় এরকম যে বাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায় তাতে দুটো প্রধান ভবন। তার একটি ছিল রাস্তার একপাশে যেটি মোটামুটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, সেখানে শিশুদের কোরান পড়ানো হতো। আর রাস্তার আরেক পাশে শিক্ষার্থীদের থাকার জায়গা।

সেটি ভগ্নপ্রায় একতলা একটি বাড়ি। তাতে আছে পাঁচ থেকে ছ’টি অন্ধকারাচ্ছন্ন স্যাঁতস্যাঁতে ঘর, সেখানে বদ্ধ পরিবেশ, দরজা জানালায় লোহার গ্রিল লাগানো। এসব ঘরে যেসব শিক্ষার্থীরা থাকতেন বিবিসিকে তারা বলেছেন, ঘরগুলো আসলে জেলখানার ছোট ছোট কক্ষের মতো। একেকটা কক্ষে রাখা হতো ৪০ জনের মতো শিক্ষার্থী এবং তাদের পায়ে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। তারা বলেছেন, শেকল পরা অবস্থাতেই প্রস্রাব-পায়খানা করার জন্যে তাদেরকে টয়লেটে যেতে হতো। এই জায়গাতে তারা খাওয়াদাওয়া করতো ও ঘুমাতো। সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে বলেছেন, মারধর ও ধর্ষণ করার জন্যে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা প্রায়শই তাদেরকে ঘরের বাইরে নিয়ে যেতেন। ওই কেন্দ্রে আটক ছিলেন এরকম একজন রাবিউ উমর বলেছেন, ওটা ছিল এই দোজখের মতো। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই মাদ্রাসা থেকে মোট ৬৭ জন বন্দী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অল্পবয়সী কিশোর যেমন রয়েছে – তেমনি রয়েছে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষও। পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার নিবন্ধন খাতায় তারা মোট ৩০০ জন শিক্ষার্থীর নাম পেয়েছেন। তারা ধারণা করছেন, এর আগের সপ্তাহে মাদ্রাসার ভেতরে দাঙ্গা লেগে গেলে সেসময় অনেকেই ওখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, গত এক মাসে প্রায় ৬০০ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে যারা এরকম আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিবেশে বসবাস করতো। শিক্ষার্থীরা বলেছেন, তাদের হাতে পায়ে শুধু যে শেকল পরিয়ে রাখা হতো কিম্বা চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন তাই নয়, দিনের পর দিন তাদেরকে না খাইয়ে রাখা হতো। নির্যাতিত এক দল শিক্ষার্থীকে প্রথম উদ্ধার করা হয় সেপ্টেম্বর মাসে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাদুনা শহরের রিগাসা এলাকায়। একজন ছাত্রের এক আত্মীয় পুলিশকে খবর দিলে সেখানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ জনকে উদ্ধার কার হয়। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও ছিলো। পরে এরা সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের কাছে যে পরিবেশে বসবাসের বর্ণনা দিয়েছেন, তাতে অনেকেই স্তম্ভিত হয়েছেন।

এক শিক্ষার্থীর শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন।

এক শিক্ষার্থীর শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন।

তাদেরকে উদ্ধার করার সময় যেসব ভিডিও করা হয়েছে তাতে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা হতবিহবল, তাদের পায়ে শেকল পরানো এবং অনেকের শরীরে ফোস্কা পড়ে গেছে।মুক্তি পাওয়ার পর পরই তাদের কিছু ছবি বের হয়ে আসে । সেগুলোতে দেখা যায় তাদেরকে ছাদ থেকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, কারো হাত ও পা শেকল দিয়ে গাড়ির চাকার সাথে বাঁধা। এই উদ্ধার অভিযানের পর কাদুনা রাজ্যের মানবাধিকার ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক কমিশনার হাফসাত বাবা বিবিসিকে বলেছেন, এধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে খুঁজে বের করে কর্তৃপক্ষ সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তিনি আরো জানিয়েছেন, এসব কেন্দ্রের যারা মালিক তাদেরকেও লোকজনকে বন্দী রেখে তাদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগে” বিচার করা হবে। দশ দিন আগে কাদুনারই এরকম আরেকটি কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নারী শিক্ষার্থীকেও উদ্ধার করা হয়। মিস বাবা বলেছেন, এটা অস্বাভাবিক ঘটনা – কারণ এধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণত নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয় না। এধরনের মাদ্রাসা বা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাইজেরিয়াতে গোপন কিছু নয়, সবাই এগুলো সম্পর্কে জানে, তারপরেও একের পর এক এধরনের ঘটনা বের হওয়ার পর সাধারণ লোকজনের মধ্যে এবিষয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ডেইলি নাইজেরিয়ান নামের একটি অনলাইন মিডিয়ার জাফার জাফার বলেছেন, ওই এলাকায় যারা বসবাস করেন তাদের সবাই এসব বিষয়ে সবসময়েই জানতো। আমার বিশ্বাস হয় না নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর ও গ্রামে যারা বড় হয়েছে তারা বলবে যে এসব স্কুল সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই। আমরা সবাই জানি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের নির্যাতন করা হয়,বলেন তিনি। এই সাংবাদিক আরো জানিয়েছেন যে তিনি ১৯৮০ ও ১৯৯০ এর দশকে কানো শহরে বেড়ে উঠেছেন এবং সেসময়েও এধরনের অনেক স্কুল ছিল। লোকজন বিশ্বাস করে এধরনের স্কুলের আধ্যাত্মিক শক্তি আছে, সেখানে শিশুরা কতোটা অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে, কিম্বা তাদের সাথে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে সেটা নিয়ে কেউ কিছু মনে করে না। তাদের সন্তানরা সেখানে কোরানের শিক্ষা পাচ্ছে কীনা সেটাই তাদের মূল ভাবনা। তবে অনেক পিতামাতাই দাবি করেছেন তাদের সন্তান যে এরকম পরিবেশে ছিল সেবিষয়ে তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলো না।

গাড়ির চাকার সাথে এভাবে বেঁধে রাখা হতো শেকল দিয়ে।

গাড়ির চাকার সাথে এভাবে বেঁধে রাখা হতো শেকল দিয়ে।

কাদুনায় গত সেপ্টেম্বরের তল্লাশির পর একজন শিক্ষার্থীর পিতা ইব্রাহিম আদামু বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, “আমরা যদি জানতাম যে স্কুলে এরকম পরিবেশে তারা লেখাপড়া করছে, তাহলে তো আর ছেলেকে ওখানে পাঠাতাম না। আমরা তো তাদেরকে ওখানে পাঠিয়েছে মানুষ হওয়ার জন্যে, এরকম নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতিত হতে নয়। স্থানীয় একজন পুলিশ কমিশনার সানুসি বুবা বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যখন ওসব স্কুলে থাকতো, বাবা মায়েরা তখন তাদের সাথে কথাও বলতে পারতো না। এমনকি যখন তারা তাদের বাচ্চাদের সাথে দেখা করতে সেখানে যেতো তখন তাদেরকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হতো না, আর হলেও স্কুলের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তাদেরকে নিয়ে যেতো। তিনি বলেন, কোন পরিবারের একটি ছেলে যখন কিছুটা উচ্ছন্নে চলে যায়, তখন তাকে এরকম ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেওয়া নাইজেরিয়াতে খুবই স্বাভাবিক বিষয়। পরিবার মনে করে, এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দিলে তাদের ছেলে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এর উল্টোটাও হতে পারে তিনি বলছেন,এসব প্রতিষ্ঠানে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর অনেক সময় তাদের আচার-আচরণ আরো খারাপও হয়ে যেতে পারে। শিশুদেরকে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর পেছনে মাদকাসক্তি একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করে। জাতিসংঘের হিসেবে ২০১৭ সালে উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়াতে মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৩০ লাখের মতো। তাদের মধ্যে পাঁচ লাখ ছিলো কাতসিনা রাজ্যে, সেখানে ছিলো এরকম দুটো পুনর্বাসন কেন্দ্র- একটি পুরুষ আর অন্যটি নারী শিক্ষার্থীদের জন্যে। এধরনের সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব থাকার কারণে পরিবারগুলো তাদের মাদকাসক্ত সন্তানদের জন্যে এসব বেসরকারি মাদ্রাসাকেই বেছে নেয়। সরকারি যেসব পুনর্বাসন কেন্দ্র আছে সেগুলোর অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। গত বছর কানোতে এরকম কয়েকটি কেন্দ্রের ওপর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছিল তাতেও দেখা গেছে, সেখানে মানসিক রোগীদের শেকল দিয়ে মাটির সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। বলছেন, নাইজেরিয়ান পরিবারগুলোর হাতে কোন বিকল্প না থাকায় এসব নির্যাতনের খবরাখবর প্রকাশ হওয়া সত্ত্বেও তারা তাদের সন্তানদেরকে ‘মানুষ’ হওয়ার আশায় মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়েই চলেছে।

ফেসবুক মন্তব্য

মতামত জানান :

সর্বশেষ খবর

তেঁতুলিয়ায় এক প্রতিষ্ঠান থেকে ১ জনসহ পঞ্চগড়ে ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে
রংপুর 19 hours আগে

আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের গডফাদার ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফকতার।
রংপুর 19 hours আগে

পঞ্চগড়ে আইনজীবী জামাতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ শ্বশুর, প্রতিবাদে মানববন্ধন।
অপরাধ 24 hours আগে

বগুড়ার চেলোপাড়া রেল সেতুতে বড় পরিবর্তন, হচ্ছে নতুন ওয়াকওয়ে ও
জনদুর্ভোগ 1 day আগে

প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাপাহারে চারা বিতরণ।
রাজশাহী 1 day আগে

ঠাকুরগাঁওয়ে বিদ্যালয়ের দোকান ঘর দখলের অভিযোগ, প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন।
রংপুর 1 day আগে

মাতার বাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চট্টগ্রাম 1 day আগে

বগুড়ায় দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে ধাক্কায় নিহত-৩,আহত-২
দুর্ঘটনা 1 day আগে

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মিথ্যাচার ও অপ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
আইন-বিচার 1 day আগে

সীমান্তে বাংলাদেশি বৃদ্ধকে আটকের জবাবে ভারতীয় যুবককে ধরে আনল এলাকাবাসী।
রংপুর 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক