admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার টাঙ্গন ব্রীজটির নির্মাণ কাজ ধীর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। স্বল্প লোকবল নিয়ে কাজ চলছে লোকবল না বাড়ালে আসন্ন রমজানের আগে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এ ব্রিজটির নির্মাণ কাজ অসমাপ্তই রয়ে যাবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। জানা যায়, শহরের এই ব্রীজটির উপর দিয়ে পৌর শহর থেকে কলেজপাড়া সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় মানুষ-জন যাতায়াত করে। ব্রীজের উপর দিয়েই শহরের মানুষ-জন, সরকারি কলেজ, ডায়াবেটিকস হাসপাতাল, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা সার্ভার স্টেশন, বিএডিসি, হর্টিকালচার সেন্টার, ক্যাথলিক চার্চ, আকচাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে যাতায়াত করে। বিকল্প টাঙ্গন ব্রীজের উপর দিয়ে যাতায়াতে ২-৩ কিলোমিটার পথ ঘুরতে হয়। এ কারনে পূর্বের লোহার ব্রীজটি ভেঙ্গে ফেলায় ২ পারের মানুষের বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ যেন চরমে উঠেছে।
শহরের কলেজপাড়া এলাকার নিলয় জানান, টাঙ্গন নদীর উপরে যে লোহার ব্রিজটি ছিলো তা ব্রিটিশদের আমলে নির্মিত হয়। তবে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রীজটির একাংশে সমস্যা হলে মেরামত করা হয়। পরবতর্তিতে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্রীজটির উপর দিয়ে দুই পারের মানুষজন চলাফেরা করে আসছিল। এ অবস্থায় দীর্ঘ ২-৩ যুগ ঝুকিপুর্ন থাকা অবস্থায় গত বছর ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন ব্রীজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে কর্তৃপক্ষ। পরবর্তিতে ব্রীজটি সম্পুর্ন ভেঙ্গে ফেলা হয়। নতুন ব্রীজ নির্মানের কাজও শুরু করে কর্তৃপক্ষ। তবে এলাকাবাসী জানায় নির্মাণ কাজ অল্প কয়েকজন শ্রমিক দিয়ে করানোয় ধীর গতিতে কাজ চলছে। এ অবস্থায় কাজ চলতে থাকলে দীর্ঘদিন লাগবে সেতুর কাজ শেষ করতে।
ঠাকুরগাঁও সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী বৃষ্টি রাণী জানান, সরকারি কলেজে অধ্যায়নরত প্রায় দুই তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীই শহরের বিভিন্ন ম্যাস ও বাসা-বাড়িতে থাকে। লোহার পুলটি ভাঙ্গার পর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে কলেজে যাতায়ত করছে তারা। এ জন্য বেশিরভাগ সময়েই রিক্সা বা অটো রিক্সা কলেজের দিকে যেতে চাইছে না, তাই কলেজ যাতায়াতে দুর্ভোগে পরতে হচ্ছে আমাদের।অন্য দিকে ইকবাল আব্দুল্লাহ নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন অদক্ষ ঠিকাদারি প্রতিস্ঠানের অবহেলাপূর্ণ মনোভাবের প্রতিফলন এটা। আর ভুক্তভোগী আমরা প্রায় ১০,০০০ থেকে ১৫, হাজার মানুষ।শাহারীয়া মজুমদার লিখেছেনঃ এতদিনে কচ্ছপ ও তার গন্তব্যে পৌছে যেতো। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নির্মান কাজের ঠিকাদার পার্থ সারথি সেন জানান, কাজ স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। তবে নদী কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে পর পর ২ বার ডিজাইন পরিবর্তনের কারনে কাজ শরু করতে সময় একটু বেশিই লেগেছে। ২/১ মাসের মধ্যেই কাজটি সমাপ্ত করে হস্তান্তরের জন্য চেষ্টা করছি আমরা।