admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
ইকুয়েডরের গুয়াকিলের একটি কারাগারে বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ২৪। ইকুয়েডরের গুয়াকিলের একটি কারাগারে বন্দিদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ২৪ জন বন্দি নিহত এবং ৪৮ জন আহত হয়েছেন। বন্দিদের দুপক্ষ আগ্নেয়াস্ত্র এবং গ্রেনেড সজ্জিত ছিল। মঙ্গলবার দেশটির জাতীয় কারাগার ব্যুরো (এসএনএআই) এক বিবৃতিতে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। আঞ্চলিক পুলিশ কমান্ডার জেনারেল ফাউস্তে বুয়েনানো বলেন, বন্দিদের গুলি করে ও হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ফ্রেন্সটুয়েন্টিফোর ডটকম।
দেশটির প্রেসিডেন্ট গিলার্মো লাসো এক টুইট বার্তায় বলেছেন, মঙ্গলবারের ঘটনার পর লিটোরাল পেনিটেন্সিয়ারিতে পরিস্থিতি মোবাবেলায় নতুন আদেশ দেওয়া হয়েছে। ইকুয়েডরের কারাগার ব্যবস্থা মেক্সিকান ড্রাগ গ্যাংগুলোর সাথে যুক্ত। এ কারণে বন্দিদের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। এর পেছনে সিনালোয়া ও জালিস্কো নামে দুটি মাদক চোরাচালান গ্রুপ জড়িত। গুয়াকিলে ইকুয়েডরের প্রধান বন্দর শহর, যেখান থেকে কোকেনের চালান যায় দক্ষিণ আমেরিকায়। উত্তর আমেরিকা থেকে চালানগুলো আসে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাঠানোর একটি প্রধান কেন্দ্র গুয়াকিল।
গত সপ্তাহে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে দুটি পিস্তল, একটি রিভলবার, প্রায় ৫০০ রাউন্ড গুলি, একটি হ্যান্ড গ্রেনেড, বেশ কয়েকটি ছুরি, ডিনামাইটের দুটি স্টিক এবং গুয়াকিল কারাগার থেকে বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। দুই সপ্তাহ আগে গুয়াকিলের ৪নং কারাগারে ড্রোন হামলা হয়েছিল যা একটি আন্তর্জাতিক চোরাচালান গোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইকুয়েডরের কারাগার ব্যবস্থায় ২৯ হাজার বন্দির জন্য প্রায় ৬০টি নানা সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড় ও রক্ষীদের অভাবে কারাগারের শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। দেশটির মানবাধিকার ন্যায়পাল বলেছেন, ২০২০ সালে কারাগারে ১০৩টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জুলাই মাসে দুটি কারাগারে দাঙ্গায় সাতাশজন বন্দি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সরকার দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।