admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৩ ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
রফিকুল ইসলাম জিলু , ব্যুরো প্রধানঃ রানা প্লাজা ধসের ১০ বছর পরও কান্না থামেনি নিহত শ্রমিকের স্বজনদের। রোববার সন্ধ্যায় সাভারে ধসে পড়া ভবনের সামনে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে রানা প্লাজা ট্রাজেডিতে নিহত শ্রমিকদের স্বজন ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্মরণ করেন। শ্রদ্ধা জানাতে এসে নিহতের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। রবিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সাভারের রানা প্লাজার সামনে অবস্থিত অস্থায়ী বেদিতে এই মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। শ্রমিকদের পরিবার ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনার করে যথাযথ ক্ষতিপূরণ, দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ২৪ এপ্রিল শোক দিবস ঘোষণার দাবি জানিয়ে সাভারের রানা প্লাজা ভবন ধসে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করা হয়েছে। এ সময় আহত শ্রমিকরা চার দফা দাবি জানান। তাদের দাবি হলো– রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের এক জীবনের আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা, রানা প্লাজা ঘটনার জন্য দায়ী সবার বিচারের ব্যবস্থা করা, দেশের শ্রম আইন সংস্কার করে শ্রমিকবান্ধব আইন গড়ে তোলা; দেশের সব শিল্প খাতে আহত শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করা।
রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিক রাব্বির মা রাহেলা খাতুন বলেন, ছেলে হারানোর ১০ বছর পূর্ণ হলো কিন্তু আমারা বিচার পেলাম না। সরকার এখনো দোষীদের বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি। দোষীদের ফাঁসির দাবি জানাই বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন রাহেলা খাতুন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রানা প্লাজা (১০ তলা ভবন) ধসে নিহত হন ১ হাজার ১৩৬ জন।যা বিশ্বের ইতিহাসে তৃতীয় বৃহত্তম শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় এত দিনে কেবল মামলার বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ কাটিয়ে একবছর আগে শুরু হয় এ মামলার বিচার।