admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২১ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
মিম পুলিশের পরীক্ষায় প্রথম হয়েও স্বপ্নপূরণ হল না বাবা ভূমিহীন হওয়ায় ! এক হাজার ২০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন মিম আক্তার। কিন্তু বাবা ভূমিহীন হওয়ায় তার চাকরি হয়নি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে। তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তার ব্যাপারে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। খুলনার এ ঘটনাটি নিয়ে গত দুই দিন ধরে দেশের গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে খুলনা জেলার পুলিশ সুপার, এসপি, মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলছেন ভিন্ন কথা।

মিমের পরীক্ষার রেজাল্ট।
মিমের পরীক্ষার রেজাল্ট, তিনি জানান, স্থায়ী ঠিকানা গোপন করা এবং চোখে সমস্যা থাকায় মিমের চাকরি হয়নি। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলছেন, মিম যে চশমা পরেন, সেটা আমাদের কাছে গোপন করা হয়েছে। তার যে চোখের সমস্যা, সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ মতামত রয়েছে। মেডিকেলে তিনি বাদ পড়েছেন। অপরদিকে, তার বাড়ি বাগেরহাট জেলায়, কিন্তু তিনি খুলনার ঠিকানা দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে মিমের বাবা রবিউল ইসলাম বলছেন, তার মেয়ের চোখে কোনো সমস্যা নেই। মিমের যে চোখের সমস্যা আছে, সে কথা পুলিশের কর্মকর্তারা কেউ তাকে বলেননি। স্থায়ী ঠিকানার বিষয়ে রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক আগেই বাগেরহাট থেকে চলে এসেছেন তারা। বিগত ৩২ থেকে ৩৩ বছর ধরে তারা খুলনায় অবস্থান করছেন। তবে কোথাও তার কোনো জমি নেই। আর সে কারণেই চাকরির আবেদনে ভূমিহীন সনদ দিয়েছিলেন তার মেয়ে। এ বিষয়ে মিম আক্তার নিজে বলছেন, তিনি প্রায় ১ হাজার ২০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম হয়েছেন। পরীক্ষায় যারা পাস করেছে গত ৯ ডিসেম্বর তাদের ফোন করে জানানো হয়েছে।
কিন্তু পরীক্ষায় প্রথম হলেও তাকে ফোন করা হয়নি। এ বিষয়ে জানার জন্য তিনি এসপির কার্যালয়ে যান। কিন্তু এসপি না থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ওই সময় তাকে জানানো হয়, তার স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় পুলিশ ভেরিফিকেশনে সমস্যা রয়েছে। জানা যায়, মিমের বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তার ৪ মেয়ে। এর মধ্যে মিম তৃতীয়। এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মিম। খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে তাদের পরিবার।