admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২১ ৮:২৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে ভিন্ন পথে চলছে দূরপাল্লার বাস। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকার আশপাশের ৭ জেলায় জারি করা হয়েছে কঠোর লকডাউন। এর প্রেক্ষিতে ঢাকাগামী সকল দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয় গত ২২ জুন। যা আগামী ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ৯ দিন বহাল থাকার কথা। সরকারি বিধিনিষেধ প্রতিপালনে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। তবে এর মধ্যেও টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পৌরসভায় লকডাউন থাকলেও ভিন্ন সড়কে চলছে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাস।

সংশ্লিষ্টরা জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলো বিকল্প সড়ক দিয়ে ঢাকার অদূরে গাজীপুরে পৌঁছাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু সেতু-ভূঞাপুর দিয়ে ঘাটাইল-মির্জাপুর হয়ে গোড়াই দিয়ে চন্দ্রা যাচ্ছে গাড়িগুলো। একইভাবে চন্দ্রা থেকে এসব বাস ফের উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কেও দূরপাল্লার অনেক বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। এর আগে দীর্ঘদিন বাস বন্ধ থাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চলানোর কথা জানান চালকেরা।
যাত্রীরা বলছেন, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ঢাকাগামী দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ করে দেয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বাধ্য হয়েই কয়েক দফা যানবাহন পাল্টিয়ে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। এতে ভাড়া বাবদ কয়েকগুণ টাকা গোনার পাশপাশি ভোগান্তি তো রয়েছেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দূরপাল্লার বাস চলাচলের বিষয়টি অস্বীকার করেন এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত। তবে পুরো টাঙ্গাইল জেলায় লকডাউন না থাকায় কিছু বাস চলছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, গত ২২ জুন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানান, ঢাকার ৭ জেলায় লকডাউন চলায় সারা দেশের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সারা দেশ থেকে ঢাকায় কোনো ট্রেন আসবে না, ঢাকা থেকেও কোনো ট্রেন ছাড়বে না। তবে লকডাউনের আওতামুক্ত জেলাগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।