admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিমানভাড়া দ্বিগুণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই রুটে সরকারি সহ বিদেশি উড়োজাহাজ কোম্পানিগুলো ৭৪-৭৫ হাজার টাকা নিচ্ছে, যা নভেম্বরেও ছিল ৪০-৪৫ হাজার টাকা। অস্বাভাবিকভাবে ভাড়া বাড়ায় করোনাকালে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ, আটাব।
এতে বিমানের টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বাড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি মনছুর আহামেদ কালাম। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে একমুখী ভাড়া নভেম্বরে ৪০-৪৫ হাজার টাকা ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, অযৌক্তিকভাবে চলতি মাসে এয়ারলাইন্সগুলো তাদের ভাড়া দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ করে বিমানসহ বিদেশি কোম্পানিগুলোর ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সিট মিলছে না। ফলে প্রবাসীরা সময়মতো কর্মক্ষেত্রে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন।

আটাবের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ের ভাড়া নভেম্বেরে ছিল ৪০ হাজার টাকা, যা এখন ৮৭ হাজার। ঢাকা থেকে ওমানের মাস্কাটের একমুখী ৭২ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে, যা ছিল ৩৫ হাজার টাকা। সৌদি আরবের ভাড়া নভেম্বরে ৪২ হাজার থাকলেও ডিসেম্বরে ৭৪-৭৫ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে।বিমান বাংলাদেশসহ বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো টিকিটের দাম অস্বাভাবিক বাড়ানো হলেও এজেন্সিগুলোর ওপর কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি। তবে প্রতিবেশী ভারত ও নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের ভাড়ায় বিশাল ব্যবধান তৈরি হয়েছে। ফলে বিষয়টি এখনই সমন্বয় করা না হলে দেশের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী শ্রমিক, হজ ও ওমরাহ পালন ও পর্যটক হিসেবে ৫ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে থাকেন। তবে টিকিটের মূল্যবৃদ্ধি ও আসন সংকটের কারণে এটি ৩ হাজারে নেমে এসেছে। এই সমস্যার সমাধানে ৪টি প্রস্তাব দিয়েছে আটাব। সেগুলো হলো- বিমান বাংলাদেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো, এয়ারলাইন্সগুলোর অতিরিক্ত স্লট অনুমোদনের প্রক্রিয়া তরান্বিত করা, প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ভাড়া ঘোষণা এবং অতিরিক্ত ভাড়াবৃদ্ধি বন্ধে রেগুলেটরি বোর্ড গঠন করা।