admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৪ ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
মুক্ত কলম নিউজ ডেক্স: বগুড়ারর শিবগঞ্জ এর ৪০০ বছরের পুরোনো মেলা। এই মেলাকে ঘিরে মানুষের মিলন মেলায় পরিনত হয়। নানান বয়সের মানুষসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান পাঠ বসে উক্ত মেলায়। সকল বয়সের মানুষের আনা-গোনা হয় উক্ত মেলায়।
উক্ত মেলার সম্পত্তির নিয়ে বিতর্কিত ইতিহাস আছে আসলে উক্ত জমির মুল মালিক ভারতের পশ্চিম বাংলা বর্ধমান জেলার সোমসা গ্রামের জমিদার ইব্রাহীম চৌধুরীর সম্পত্তি। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের সি এস ও আর এস খতিয়ানে উনার নামেই রের্কড আছে। এবং ইব্রাহীম চৌধুরী বংশধর বাংলাদেশে বসবাস করেন। কিন্ত তারা উক্ত গাংগ এর মেলার সম্পত্তির খোজ না রাখায়। কিছু জমি মানুষের দখলে আর কিছু পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। উক্ত মেলাকে ঘিরে জানা যায় সকাল হলে পূর্ব আকাশে সূর্য ওঠার সাথে সাথে শিবমন্দিরের দিকে চলে মানুষের স্রোত।কারণ সেখানে বসে গাংনগরের মেলা। ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মেলায় পাওয়া যায় পুকুর ও নদীর মিঠা পানিতে বেড়ে ওঠা ছোট-বড় নানা রকমের তরতাজা মাছ। সুস্বাদু মাছই এই মেলার মূল আকর্ষণ। লোকজন এসে, দরদাম করে মাছ কিনেন। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গাংনগর শিবমন্দির এলাকায় বসা মেলায় এই দৃশ্য দেখা গেছে।
বাংলা নতুন বছর আসে। বৈশাখ মাস। এই মাসের প্রথম সোমবার কিংবা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয় এই মেলা। চলে টানা সাত দিন। এই মেলা উপলক্ষে আশপাশের অর্ধশত গ্রামে ঘরে ঘরে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। এই এলাকার যে মেয়েগুলো এখন দূরের কোনো গায়ের গৃহবধূ, তাঁরা বাবার বাড়ি নায়র আসেন। সঙ্গে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আসেন। নিমন্ত্রণ করা হয় আত্মীয়স্বজনকে। মাছ ভাজা হয়। নানা পদের তরকারি রান্না করে খাওয়ানো হয় ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মজা করে খান।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দূর-দূরান্ত থেকে দলে দলে লোকজন মেলায় আসে। আর যা কিছুই কেনে না কেন, নিজ নিজ সাধ্যমতো প্রত্যেকে মাছ কিনবেই। সবার মধ্যে একটি সাযুজ্য মাছ কিনতে। সবাই সাধ্যমতো মাছ কিনে বাড়ি ফিরে। মেলা থেকে যারা বের হয়ে যান তাদের সবার হাতেই একটি করে মাছের ব্যাগ। যাদের হাতে ব্যাগ নেই, তাদের হাতে ঝুলছে দেখার মতো বড়সড় মাছ।
তবে ইব্রাহীম চৌধুরী বংশধরদের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা উক্ত সম্পত্তির দখল নিতে আইনি প্রক্রিয়ায় যাবেন।এবং স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান উক্ত মেলার সম্পত্তির মুল মালিক ইব্রাহীম চৌধুরীর।তবে ইব্রাহীম চৌধুরীর নিজের দুই মেয়ে আমেনা আর হাজেরা ও দুই ছেলে আব্দুস সালাম আর আব্দুল মান্নান তাদের বিমাতা বোন জেবুন নেসা চৌধুরী উক্ত সম্পত্তির মালিক।