admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ১:১৫ অপরাহ্ণ
জসিফিনা এম রোসালিন, স্টাফ রিপোর্টার ফিলিপাইনঃ ফিলিপাইনে পানি ও খাবারের তীব্র সঙ্কটে বিধ্বস্ত। টাইফুন-বিধ্বস্ত ফিলিপাইনে পানি ও খাবারের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ১৮ হাজারের বেশি সৈন্য এবং জরুরি কর্মী উদ্ধার প্রচেষ্টায় যোগ দিয়েছেন। টাইফুন ‘রাই’ এ বছর দেশটিতে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন। দেশটির মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। ভ্রমণ পয়েন্ট, বিমানবন্দর ও বন্দরগুলো মূলত ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার টাইফুনের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের লোকেরা সাহায্যের জন্য অনুরোধ করেছে। ঝড়টি স্থানীয়ভাবে ‘ওডেট’ নামে পরিচিত। এটি ছিল একটি সুপার টাইফুন।
গত বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড়টি পূর্বাঞ্চলীয় দ্বীপ সিয়ারগাওতে আঘাত হানে, যার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার। ঝড়টি আঘাত হানার পর দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল বিধ্বস্ত হয়ে যায়। অনেক এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং কংক্রিটের বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। তিন লাখের বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র মার্ক টিম্বল বলেছেন, সিয়ারগাও দ্বীপের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও দ্বীপের সুরিগাও শহরে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি বলেছেন, সিয়ারগাও এবং সুরিগাও উভয় এলাকায় যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে। ফিলিপাইন কোস্টগার্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করেছে। ছবিতে সুরিগাও শহরের চারপাশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা যাচ্ছে। ভবনের ছাদ উড়ে গেছে, কাঠের কাঠামো ভেঙ্গে গেছে এবং পাম গাছগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
জসিফিনা এম রোসালিন ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে রিপোর্ট করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের জন্য পানি, ওষুধ, আশ্রয়, কম্বল এবং বিছানার প্রয়োজন রয়েছে। এসব এলাকার অনেক হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু রোগীর খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য সরবরাহেরও সংকট দেখা দিয়েছে। ভ্রমণ পয়েন্ট, বিমানবন্দর ও বন্দরগুলো মূলত ধ্বংস হয়ে গেছে।