admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৮:০৯ অপরাহ্ণ
প্রায় ১৮ মাস করোনাকালে প্রতিষ্ঠান বন্ধ, ১৫১ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা। করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রায় ১৮ মাস পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। দীর্ঘ সময় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মানসিক সমস্যা ভয়াবহভাবে বেড়েছে।
যার প্রমাণ গত ১৫ মাসে ১৫১ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা। সম্প্রতি চালানো আঁচল ফাউন্ডেশনের এক জরিপে এমন তথ্যই ওঠে এসেছে। বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসে আজ শুক্রবার এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। ‘শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও করণীয়’ কাউন্সেলিং অনুষ্ঠানে আত্মহত্যার কারণ ও প্রতিকারসহ নানা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
জরিপের ফলাফল বলছে, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত ১৫১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে ৪২ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের, ২৭ জন কলেজের, ৭৩ জন স্কুলের ও ৯ জন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এর আগে ২০১৮ সালে আত্মহত্যার সংখ্যা ছিল ১১ জন এবং ২০১৭ সালে ১৯ জন।
আত্মহত্যার পেছনে যেসব প্রধান কারণ দেখা গেছে, তার মধ্যে রয়েছে- পড়াশোনার চাপ, বেকার সমস্যা, বৈবাহিক সমস্যা, প্রেমে ব্যর্থতা, মানসিক নির্যাতন, পারিবারিক সমস্যা, অবসাদ ও বিষন্নতা। এ ছাড়াও ব্যক্তি বিশেষে নানা কারণ রয়েছে আত্মহননের।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- বিভিন্ন বিভাগ ও আবাসিক হলে সচেতনতা বৃদ্ধির আয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাদার সাইকোলজিস্টের সংখ্যা বাড়ানো, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে সাইকিয়াট্রিস্ট নিয়োগ এবং আবাসিক হলগুলোতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ।