admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট, ২০২০ ৮:০০ পূর্বাহ্ণ
মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান এর হত্যাকারী প্রদীপ-লিয়াকতকে আদেশের এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও রিমান্ডে নেয়া হয়নি! ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলী শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাদের কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন। রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলেন- পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল কামাল হোসেন, সাফানুর করিম ও আবদুল্লাহ আল মামুন এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াস ও নিজাম উদ্দীন।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. মোকাম্মেল হোসেন বলেন, রিমান্ডের আদেশপ্রাপ্ত ওই সাত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সকাল ১০টার দিকে একটি গাড়িতে করে নিয়ে যায় র্যাব। জিজ্ঞাসাবাদের আগে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তিনি আরো জানান, এই সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মামলার অপর তিন আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক পরিদর্শক (ইনচার্জ) লিয়াকত আলি ও সাময়িক বরখাস্তকৃত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতকে রিমান্ডে নেয়া হবে। বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন।
মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান এর আগে গত ৬ আগস্ট ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। তখন আদালত প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দ দুলালকে সাত দিনের রিমান্ড এবং অন্য চার পুলিশ সদস্যকে জেল গেটে দুদিনের জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
সেই প্রেক্ষিতে গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারাগার ফটকে চার অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান তদন্ত কর্মকর্তারা। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। গত ১২ আগস্ট শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তামান্না ফারাহ।