admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৯ জুন, ২০২১ ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা অল্পের জন্য বাঁচলেন। অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। আজ শুক্রবার পূর্বঘোষিত এক পথসভা শেষে ফেরার পথে তার গাড়িবহর লক্ষ্য গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাই কাদের মির্জা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও গুলিবিদ্ধসহ তার কয়েকজন অনুসারী আহত হয়েছেন। বিগত কয়েক মাস ধরেই নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রাজনীতি উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েক দিন আগে আবদুল কাদের মির্জার লোকজন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদলের ওপর হামলা চালায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন উপলক্ষে এদিন পূর্বঘোষিত এক কর্মসূচিতে যোগ দেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র। পথসভা শেষ করে নিজ কার্যালয়ে ফেরার পথে আনন্দ বাজার ও বাংলাবাজারের মধ্যবর্তী স্থানে তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। এতে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তবে তার তিন অনুসারী গুলিবিদ্ধ এবং অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধরা হলেন- আবু সায়েম, আবুল কাশেম ও শাহাদাত শাহেদ। স্থানীয় আনন্দবাজার ও বাংলাবাজার এলাকায় অবস্থিত প্রাইভেট ক্লিনিকে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে মেয়রের একান্ত সহকারী ও বসুরহাট পৌরসভা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ বলেন, পথসভা শেষ করে আমরা বসুরহাটে ফিরছিলাম। এ সময় ৩০-৩৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত আমাদের গাড়িবহরে গুলি ও হামলা করে। এতে আমাদের গ্রুপের তিন জন গুলিবিদ্ধ ও ১২ জন আহত হয়। মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন এবং সাবেক ইউপি মেম্বার ইসমাইল হোসেন হেঞ্জুর নেতৃত্বে এই হামলা হয় বলেও অভিযোগ করেন বসুরহাট পৌর মেয়রের একান্ত সহকারী। তবে এ বিষয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, মেয়রের গাড়িবহরে ছিলাম আমরা। ওই সময় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। চারদিকে অন্ধকারের মতো অবস্থা বিরাজ করায় সেভাবে কিছু দেখা যায়নি। প্রতিপক্ষের লোকজন গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।