admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২০ ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
ব্র্যান্টন ট্যারেন্ট এমন বর্বরোচিত গুলির ঘটনায় দুজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছিল। সবচেয়ে বড় কথা, অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। একটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে তামিম-মুশফিকরা তখন নিউজিল্যান্ডে। গুলির ঘটনার ঠিক আগ মুহূর্তে ওই মসজিদে ঢুকতে যাচ্ছিলেন ক্রিকেটারদের অনেকেই। গুলি শুরু হওয়ার পর তারা দৌড়ে নিরাপদ জায়গায় চলে আসেন।
নিউজিল্যান্ডের দণ্ড আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান নেই, তাই দেশটির আইন অনুযায়ী তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। উপরন্তু বিচারক প্যারোলবিহীন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কথা বলেছেন, অর্থাৎ কোনো কারণে ট্যারেন্ট প্যারোলেও কারগার থেকে বেরুতে পারবেন না।
লিনউড মসজিদ এ নৃশংস এই ঘটনায় সেদিন ৫১ জন মুসলমান নিহত হয়েছিলেন এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না মুসল্লিদের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত গুলি করে গেছেন ট্যারেন্ট। শুধু তাই নয়, হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করেছিলেন তিনি। বিচার প্রক্রিয়ার সময় আদালতে কয়েকবার ট্যারেন্ট এমন হত্যাকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।