হোম
নির্বাচিত কলাম

দেশে কমে যাচ্ছে নদীর পানি, কী হবে? জেলার নদীর নাম সমূহ

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

নিউজ ডেক্সঃ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০১৩ সালে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা ছিল ৩১০টি। বর্তমানে বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা প্রায় ৭০০ টি এ নদ-নদীগুলোর উপনদী ও শাখানদী রয়েছে। উপনদী শাখানদীসহ) বাংলাদেশের নদীর মোট দৈর্ঘ্য হলো প্রায় ২২,১৫৫ কিলোমিটার। বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা কত এইটা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। গত তিন দশকে বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর পানিপ্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। আর এ সময়ে বেশিরভাগ নদীতে বর্ষা ও বর্ষার আগে-পরে পানিপ্রবাহ কমেছে। এছাড়াও নদীর ওপর বাঁধসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণের ফলে একদিকে মাছের প্রজাতি সংকটের মুখে পড়েছে, অন্যদিকে ম্যানগ্রোভ ফরেস্টে বেড়েছে পানির লবণাক্ততা। সম্প্রতি বাংলাদেশের নদী নিয়ে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। বাংলাদেশের ১০টি প্রধান নদীকে নিয়ে করা গবেষণাটিতে দেখা গেছে, গঙ্গা (শুকনো মৌসুমে), গড়াই, হালদা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের পানি নিরাপদ সীমা পেরিয়ে গেছে। আর অন্য ছয়টি নদী সতর্কতা অব¯’ানে রয়েছে। গবেষকরা বলছেন, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি থাকা সত্ত্বেও পদ্মার মতো গুরুত্বপূর্ণ নদীর ক্ষেত্রে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর থেকে শুকনো মৌসুমে ন্যূনতম পানিপ্রবাহ ঝুকিপূর্ণ অব¯’ায় রয়েছে। একইসঙ্গে ন্যূনতম পানি প্রবাহ না থাকা বা ঝুঁকিপূর্ণ অব¯’ায় থাকার ক্ষতিকারক প্রভাব দেশের বিভিন্ন নদী অববাহিকায় লক্ষ্য করা গেছে।
সেফ অপারেটিং স্পেস বা নিরাপদ পানি সীমা কী?
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক জার্নাল আইওপি সায়েন্স এ আ সেইফ অপারেটিং স্পেস ফর দ্য মেজর রিভার্স ইন দ্য বাংলাদেশ ডেল্টা শিরোনামে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, দেশের ১০টি প্রধান নদীর চারটিই সেফ অপারেটিং স্পেস বা নিরাপদ সীমা অতিক্রম করেছে। আর এসব নদীর ৬০ থেকে ৮০ শতাংশেরই পানি প্রবাহের পরিবর্তন হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব সোশ্যাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটির সহযোগী অধ্যাপক মো.সারওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলমগীর কবির ও মো. মাহমুদুল হাসান, পরিবেশবাদী সংগঠন রিভাইন পিপলের শেখ রোকোনুজ্জামান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন। প্রশ্ন  হচ্ছে , সেফ অপারেটিং স্পেস

(এসওএস) বা নিরাপদ পানি সীমা কী? 
গবেষকরা বলছেন, একটি নদী ন্যূনতম পানি পা”েছ কি না, সেটিই ওই নদীর সেফ অপারেটিং স্পেস (এসওএস) বা নিরাপদ পানি সীমা। গবেষণাটিতে বাংলাদেশের পদ্মা, গড়াই, হালদা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা, আত্রাই, সুরমা, কুশিয়ারা, ইছামতী এই ১০টি নদীর পানি সীমা মাপা হয়েছে। আলাদা আলদাভাবে প্রতিটি নদীর প্রায় ৩০ থেকে ৮০ বছরের ঐতিহাসিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে ন্যূনতম পানির ভিত্তিতে নদীগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো, সেফ বা নিরাপদ, কশাস বা সতর্কতা এবং ডেঞ্জারাস বা বিপজ্জনক। এর মধ্যে, যেসব নদী ন্যূনতম পানি পা”েছ না তাকে বিপজ্জনক ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেমন, শুকনো মৌসুমের গঙ্গা, গড়াই, হালদা এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র। আর যেসব নদী ন্যূনতম পানি পা”েছ কিš‘ তার পানির প্রবাহে ২০ শতাংশের বেশি পরিবর্তন হয়েছে, সেটাকে বলা হয়েছে সতর্কতা অব¯’া। যমুনা, তিস্তা, আত্রাই, সুরমা, কুশিয়ারা, ইছামতী এই ছয়টি নদী সতর্কতা অব¯’ায় আছে। আর সবশেষে আছে নিরাপদ ক্যাটাগরি। যেসব নদী ন্যূনতম পানি পা”েছ, সেগুলো এই ক্যাটাগরিতে পড়বে। তবে বাংলাদেশের প্রধান ১০টি নদীর কোনটিই এর অন্তর্ভুক্ত না।
নদীর প্রবাহ কমছে: গবেষক আলমগীর কবির জানান, নদীগুলো নিয়ে প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে পদ্মা নদীর ৮০ বছরের আবার কোনো নদীর ৩০ বছরের উপাত্ত নিয়ে গবেষণা কাজটি এগিয়ে নেয়া হয়েছে। গবেষণা কাজে, প্রাপ্ত উপাত্তগুলোকে বর্ষা পূর্ববর্তী (মার্চ-মে), বর্ষা (জুন-অগাস্ট), বর্ষা পরবর্তী (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) এবং শীত (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি) এই চারটি মৌসুমে ভাগ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, গত ৩০ বছরে শীতকাল বাদে বাকি তিন মৌসুমেই নদীর প্রবাহ কমছে। এছাড়াও নদীর প্রবাহ পরিবর্তনের আগের হিস্টোরিক্যাল ফ্লো বা ঐতিহাসিক প্রবাহ এবং প্রবাহ পরিবর্তনের পর রিসেন্ট ফ্লো বা সাম্প্রতিক প্রবাহ তুলনা করে পরিবর্তনটা খুবই বেশি হয়েছে বলে জানান গবেষক আলমগীর কবির। একইসঙ্গে জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে পরিবর্তনের যে মাপকাঠি আছে, অর্থাৎ কতটুকু পরিবর্তন হলে তা সামাজিক বা বাস্তন্ত্রের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে তা পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গেছে, কোনো নদীই নিরাপদ অব¯’ায় নেই। সবগুলোই অনিরাপদ অবস্থায় আছে, বলেন তিনি।

নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে কেন?
বাংলাদেশের বেশিরভাগ নদী আন্তঃসীমান্ত হওয়ায় ৮০ শতাংশ নদীর পানি অন্য পাড় থেকে আসে। ফলে ভারত বা চীনে অর্থাৎ উজানে সেতু, বাঁধ অন্য কোনো কাঠামো নির্মাণ করা হলে পানি প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটে। এছাড়াও বাংলাদেশের ভেতরে খাল, পুকুর ভরাট করার ফলে নদীর সঙ্গে সংযোগ নষ্ট হ”েছ। আবার নদীর পাশেও নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের ফলে পানির প্রবাহ কমে যাচ্ছে ফলে স্থানীয় এবং আন্তঃসীমান্ত নানা ফ্যাক্টর নদীর পানি কমে যাওয়ার জন্য দায়ী। অধ্যাপক সারওয়ার হোসেন বলেন, পানি নিরাপত্তার সাথে এসডিজি, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সমস্যা সাথে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সকল সমস্যা আলাদা ভাবে সমাধান না করে সমন্বিতভাবে সোশ্যাল ইকোলজিক্যাল সিস্টেম এপ্রোচ প্রয়োগ করা জরুরি। সমন্বিত সমাধানের উপায় না বের করলে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামলে নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা নেই। আরেক গবেষক আলমগীর কবির বলেন, প্রতিটা নদী অনিরাপদ আছে। বিশেষ করে পদ্মার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে বলা আছে, বাৎসরিক এবং মৌসুম অনুযায়ী কতটুকু পানি পাবো। ফলে আন্তঃসীমান্ত চুক্তি থাকার পরও আমরা উজান থেকে পানি পাচ্ছিনা।

নদীর ন্যূনতম পানি কমে গেলে কী হয়?
নদীতে ন্যূনতম পানি না থাকার কারণে মাছের প্রজনন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। আবার নদীকেন্দ্রিক কৃষি নির্ভরতায় আগে চাষাবাদের জন্য পানির মূল উৎস ছিল নদী। কিš‘ দিন দিন পানি কমে আসায় নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে ধান, চালের ব্যাপক ফলন হলেও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা স্বনির্ভর হতে পারছে না। আর এই উৎপাদন খরচ বাড়ছে নদীর পানির প্রবাহ আর আর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। একইসঙ্গে বাড়ছে ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের পানির লবণাক্ততা। মো. সারওয়ার হোসেন বলেন, উজান থেকে আসা মিঠা পানি আর সাগরের লবণাক্ত পানির সংমিশ্রণে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট একটি ইউনিক ইকোসিস্টেম। কিন্তু  উজান থেকে মিঠা পানি না আসলে, সাগরের পানির কারণে ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের লবণাক্ততা বেড়ে যাবে। ফলে ভারসাম্য থাকবে না। ফলে পানির স্বল্পতা একটা নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাছাড়া হিমালয় থেকে আসা পানির সঙ্গে প্রচুর পলিও এসে জমা হয়। আর এই পলি দিয়েই বাংলাদেশ ডেল্টা বা ব-দ্বীপ তৈরি।
উজান থেকে আসা পানির প্রবাহের সঙ্গে এই পলিও ভাটির অংশের বিভিন্ন নদীতে ছড়িয়ে পড়ে নির্দিষ্ট মাত্রায় বঙ্গোপসাগরে চলে যাওয়ার কথা, অর্থাৎ পলির সমবণ্টন হবার কথা। কিন্তু নদীর পানি কমে যাওয়ায় পলি জমতে জমতে নদীর ধারণক্ষমতা কমিয়ে দেয়। আর এর ফলে, বর্ষা বা বর্ষা পরবর্তী সময়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত বা বাঁধ খুলে দেয়ার কারণে অল্প পানিতে বন্যা দেখা দিতে পারে। মি. হোসেন বলেন, পদ্মার মাইটি রিভারের (প্রমত্ত নদী) বৈশিষ্ট্য এখন আর নাই। পানি নিরাপদ সীমায় না থাকার এটা বাস্তব প্রভাব। এছাড়াও গঙ্গার নিচের অংশ আর পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছের প্রজাতির বৈচিত্র্য কমে গেছে। একইসঙ্গে গঙ্গার উজানে বিলুপ্ত হয়ে গেছে ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ। এদিকে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে পরিবেশগত দিক থেকে হালদা নদীর অবস্থা সংকটাপন্ন। প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশের একমাত্র কার্প জাতীয় মাছের প্রজননক্ষেত্র হালদা হলেও নদীটিতে মাছের আবাস (বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে) ও প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোশিও-ইকোলজিক্যাল সিস্টেম নষ্ট হলে পরিবেশগত, আর্থিক সামাজিক সব ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব দেখা যাবে। শুধু আমরাই না, ধীরে ধীরে উজানের মানুষও ক্ষতির শিকার হবে, বলেন মি. কবির।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী সমূহঃ
আঠারবাঁকি নদী, আড়িয়াল খাঁ নদ, আতাই নদী, আন্ধারমানিক নদী, আফ্রা নদী, অর্পণগাছিয়া নদী, ইছামতি-কালিন্দি, কচা নদী, কপোতাক্ষ নদ, কুমার নদ (চুয়াডাঙ্গা) কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ) কুমার আপার নদী, কুমার লোয়ার নদী, কয়রা নদী, করুলিয়া নদী, কাকশিয়ালী নদী, কাজীবাছা নদী , কাটাখালী নদী, কাটাখাল নদী, কালীগঙ্গা নদী (পিরোজপুর), কীর্তন খোলা নদী, খায়রাবাদ নদী, খোলপেটুয়া নদী, গড়াই নদী, গুনাখালি নদী, গলঘেসিয়া নদী, গুলিশাখালী নদী, ঘাঘর নদী, ঘাসিয়াখালী নদী, চত্রা নদী, চুনকুড়ি নদী, চন্দনা-বারাশিয়া নদী, চাটখালী নদী, চিত্রা নদী, ঝপঝপিয়া নদী, টর্কি নদী, টিয়াখালি নদী, ঢাকি নদী, তেঁতুলিয়া নদী, তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল নদী, দড়াটানা-পয়লাহারা নদী, দাড়ির গাঙ নদী, দেলুতি নদী, নুন্দা-উত্রা নদী, নবগঙ্গা নদী, নড়িয়া নদী, নেহালগঞ্জ-রঙমাটিয়া নদী, পটুয়াখালী নদী, পুটিমারি নদী, পুরাতন পশুর নদী, পশুর নদী, পাণ্ডব নদী, পানগুছি নদী, পালং নদী, ফটকি নদী, বগী নদী, বুড়িশ্বর-পায়রা নদী, বলেশ্বর নদী, বাদুড়গাছা নদী, বিশখালী নদী, বিশারকন্দা-বাগদা নদী, বিষ্ণু-কুমারখালি নদী, বেগবতী নদী, বেতনা নদী, বেলুয়া নদী, ভদ্রা নদী, ভুবনেশ্বর নদী, ভৈরব নদ, ভৈরব নদী (বাগেরহাট), ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ, ভোলা নদী, মংলা নদী, মুক্তেশ্বরী টেকা নদী, মধুমতি নদী, মরি”চাপ-লবঙ্গবতী নদী, মাথাভাঙ্গা নদী, মাদারগাঙ নদী, মাদারীপুর বিলরুট নদী, মালঞ্চ নদী, মিনহাজ নদী, রূপসা নদী, রাবনাবাদ নদী, রায়মঙ্গল নদী, লোহালিয়া নদী, শাকবাড়িয়া নদী, শাতলা-হারতা-নাথারকান্দা নদী, শালদহ নদী, শিবসা নদী, শোলমারি নদী, সুগন্ধা নদী, সন্ধ্যা নদী, সয়া-হাড়িভাঙ্গা নদী, সাপমারা-হাবড়া নদী, সালতা নদী, সিরাজপুর হাওর নদী, হরি নদী, হরিহর নদী, হামকুড়া নদী, হাড়িয়া নদী, হাপরখালী নদী, হাবরখালী নদী, হিশনা-ঝাঞ্চা নদী, মালঞ্চ নদী ফরিদপুর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী, আখিরা-মাচা নদী, আত্রাই নদী, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী, আঠারবাঁকি নদী, আড়িয়াল খাঁ নদ, আতাই নদী, আন্ধারমানিক নদী, আফ্রা নদী, অর্পণগাছিয়া নদী, ইছামতি-কালিন্দি, কচা নদী, কপোতাক্ষ নদ, কুমার নদ (চুয়াডাঙ্গা), কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ), কুমার আপার নদী, কুমার লোয়ার নদী, কয়রা নদী, করুলিয়া নদী, কাকশিয়ালী নদী, কাজীবাছা নদী, কাটাখালী নদী, কাটাখাল নদী, কালীগঙ্গা নদী (পিরোজপুর), কীর্তনখোলা নদী, খায়রাবাদ নদী, খোলপেটুয়া নদী, গড়াই নদী, গুনাখালি নদী, গলঘেসিয়া নদী, গুলিশাখালী নদী, ঘাঘর নদী, ঘাসিয়াখালী নদী, চত্রা নদী, চুনকুড়ি নদী, চন্দনা-বারাশিয়া নদী, চাটখালী নদী, চিত্রা নদী, ঝপঝপিয়া নদী, টর্কি নদী, টিয়াখালি নদী, ঢাকি নদী, তেঁতুলিয়া নদী, তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল নদী, দড়াটানা-পয়লাহারা নদী, দাড়ির গাঙ নদী, দেলুতি নদী, নুন্দা-উত্রা নদী, নবগঙ্গা নদী, নড়িয়া নদী, নেহালগঞ্জ-রঙমাটিয়া নদী, পটুয়াখালী নদী, পুটিমারি নদী, পুরাতন পশুর নদী, পশুর নদী, পাণ্ডব নদী, পানগুছি নদী, পালং নদী, ফটকি নদী, বগী নদী, বুড়িশ্বর-পায়রা নদী, বলেশ্বর নদী, বাদুড়গাছা নদী, বিশখালী নদী, বিশারকন্দা-বাগদা নদী, বিষ্ণু-কুমারখালি নদী, বেগবতী নদী, বেতনা নদী, বেলুয়া নদী, ভদ্রা নদী, ভুবনেশ্বর নদী, ভৈরব নদ, ভৈরব নদী (বাগেরহাট), ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ, ভোলা নদী, মংলা নদী, মুক্তেশ্বরী টেকা নদী, মধুমতি নদী, মরি”চাপ-লবঙ্গবতী নদী, মাথাভাঙ্গা নদী, মাদারগাঙ নদী, মাদারীপুর বিলরুট নদী, মালঞ্চ নদী, মিনহাজ নদী, রূপসা নদী, রাবনাবাদ নদী, রায়মঙ্গল নদী, লোহালিয়া নদী, শাকবাড়িয়া নদী, শাতলা-হারতা-নাথারকান্দা নদী, শালদহ নদী, শিবসা নদী, শোলমারি নদী, সুগন্ধা নদী, সন্ধ্যা নদী, সয়া-হাড়িভাঙ্গা নদী, সাপমারা-হাবড়া নদী, সালতা নদী, সিরাজপুর হাওর নদী, হরি নদী, হরিহর নদী, হামকুড়া নদী, হাড়িয়া নদী, হাপরখালী নদী, হাবরখালী নদী, হিশনা-ঝাঞ্চা নদী, মালঞ্চ নদী ফরিদপুর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী, আখিরা-মা”চা নদী, আত্রাই নদী, আত্রাই বা কাঁকড়া নদী (দিনাজপুর), আত্রাই বা গুড় নদী (নওগাঁ-নাটোর), আত্রাই নদী (পাবনা) আলাই নদী, আলাইকুমারী নদী, ইছামতি নদী (দিনাজপুর), ইছামতি নদী (পাবনা), ইছামতি নদী (বগুড়া) ইছামতি নদী, (বগুড়া-সিরাজগঞ্জ), ইরামতি নদী, করতোয়া নদী, করতোয়া নদী (নীলফামারী), কাগেশ্বরী নদী, কাটাখালী নদী,(গাইবান্ধা)। কালা নদী, কালাপানি নদী, কালুদাহা নদী, কুমলাল-নাউতারা নদী, কুরুম নদী, কুলিক নদী, খড়খড়িয়া-তিলাই নদী, খালসিডিঙ্গি নদী, গদাই নদী, গভেশ্বরী নদী, পদ্মা নদী, গাংনাই নদী, গিদারী নদী, গিরাই নদী, গুকসী নদী, গোবরা নদী, গোহালা নদী, ঘড়িয়া খাল নদী, ঘাঘট নদী, ঘিরনাই নদী, ঘোড়ামারা নদী, চাওয়াই নদী, চিকনাই নদী, চিকলী নদী, চিরি নদী, চিড়ি নদী, চুঙ্গাভাঙ্গা নদী, ছাতনাই নদী, ছোট ঢেপা নদী, ছোট যমুনা নদী, ছোট সেনুয়া নদী, টাঙ্গন নদী, ডাহুক নদী, ঢেপা নদী, তালমা নদী, তিস্তা নদী, তিস্তা নদী (পঞ্চগড়), তীরনই নদী, তীরনই নদী (পঞ্চগড়), তুলসীগঙ্গা নদী, দুধকুমার নদী, দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী, ধরলা নদী, ধাইজান নদী, ধুম নদী, নর্ত নদী, নলশীসা নদী, নলেয়া নদী, নাগর আপার নদী, নাগর লোয়ার নদী, নারোদ নদী, পলিমারি নদী, পাগলা নদী, পাথরঘাটা নদী, পাথরাজ নদী, পুনর্ভবা নদী, পেটকী নদী, ফকিরনী নদী, ফুলকুমার নদী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, বড়াল আপার নদী, বড়াল লোয়ার নদী, বাঙালি নদী, বাদাই নদী, বার্নাই নদী, বান্নী নদী, বুরাইল নদী, বুল্লাই নদী, বুড়িখোড়া নদী, বুড়ি তিস্তা নদী, বেরং নদী, বেলান নদী, বেসানী নদী, বোরকা নদী, ভাদাই নদী, ভুল্লী নদী, ভেরসা নদী, মহানন্দা আপার নদী, মহানন্দা লোয়ার নদী, মাইলা নদী, মালদাহা নদী, মুসাখান নদী, মানস নদী, যমুনা নদী (পঞ্চগড়), রতনাই নদী, রামচণ্ডি নদী, রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া নদী, লেংগা নদী, লোনা নদী, শিব নদী, সতী-স্বর্ণামতি-ভাটেশ্বরী নদী, সিমলাজান নদী, সিরামাখালী খাল নদী, সিংগিমারী নদী, সুই নদী, সেনুয়া নদী, শুক নদী, হারাবতী নদী, হুড়াসাগর নদী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী, আত্রাখালি নদী, আবুয়া নদী বা নান্দিয়া গাং, আমরি খাল নদী, ইসদার খাল-বারভাঙ্গা নদী, উপদাখালী নদী, উমিয়াম নদী, কর্ণঝরা নদী, কর্ণ-বালজা নদী, করিস নদী, কাঁচামাটিয়া নদী, কাপনা নদী, কামারখাল নদী, কামারখালী নদী, কালদাহার-কানিয়াকুল নদী, কালনী নদী, কালাপানিঝরা নদী, কুশিয়ারা নদী, কোরাঙ্গী নদী, খাজাচিং নদী, খাসিমারা নদী, খেপা নদী, খোয়াই নদী, গুমাই নদী, ঘাগটিয়া নদী, ঘানুরা-বগালা নদী, ঘোড়াউত্রা নদী, চামতি নদী, চিতলখালী নদী, চেলা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী, জালিয়া ছড়া নদী, জালুখালি নদী, জুরী নদী, ডাউকা নদী, ধলা নদী, দুধদা নদী, দোলতা নদী, ধনু নদী, ধলাই-বিসনাই নদী, ধলাই নদী, নকলা-সুন্দ্রাকাশি নদী, নরসুন্দা নদী, নলজুর নদী, নয়াগাং নদী, নয়া গাং নদী, নিতাই নদী, পাটনাই-পাইকারতলা নদী, পাবিজুড়ি-শি গাঙ-কুশিয়া নদী, পিয়াইন নদী, পিয়াইন নদী (সুনামগঞ্জ-নেত্রকোণা), পুরনো সুরমা নদী, পোড়া খাল-খাইয়া নদী, বটরখাল নদী, বড় গাং নদী, বাউলাই নদী, বাথাইল নদী, বালই নদী, বিজনা-গুঙ্গাইজুরি নদী, বিবিয়ানা নদী, বেকরা নদী, বেতৈর নদী, বেদুরি নদী, ভাবনা-বাঁশিয়া-বহিয়া নদী, ভোগাই-কংস নদী, মগড়া নদী, মনু নদী, মরা সুরমা নদী, মহারশি নদী, মহাসিং নদী, মালিজি নদী, মিরগী নদী, জাদুকাটা-রক্তি নদী, লংলা নদী, লাইন নদী, লাউরানজানি নদী, লুভা নদী, সাইদুলি-বারনি নদী, সাতারখালী নদী, সারি গোয়াইন নদী, সিনাই নদী, সিঙ্গুয়া নদী, সুতাং নদী, সুরমা নদী, সোনাই-বরদাল নদী, সোমেশ্বরী নদী, সোমেশ্বরী নদী (ধর্মপাশা), সোমেশ্বরী নদী (শ্রীবর্দী-ঝিনাইগাতি), রাকতী নদী, কিনসী নদী ( সুনাম গন্জ ) সারী গোয়াইন নদী ( গোয়াইন নদী ),
উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদীঃ আইমন-আখিলা নদী, আইমন-মোবারি নদী, আড়িয়াল খাঁ নদী, ইছামতি নদী, (মানিকগঞ্জ), ইছামতি নদী (সিরাজদিখান), ইলিশমারী নদী, এলংজানী নদী, কাটাখালি নদী, কালিগঙ্গা নদী (মানিকগঞ্জ), খিরো নদী (ত্রিশাল), খিরো নদী (ভালুকা), গাংডুবি নদী, গাজীখালী নদী, গোল্লার নদী, চাতাল নদী, চাপাই নদী, চিলাই নদী, জয়পাড়া খাল নদী, ঝারকাটা নদী, জিঞ্জিরাম নদী, ঝিনাই নদী, টঙ্গী নদী, টংকি নদী, তালতলা নদী, তুরাগ নদী, তুলসীখালী নদী, ধলেশ্বরী নদী, নাগদা নদী, নাঙ্গলা নদী, নালজুরি নদী, নাংলী নদী, পদ্মা নদী, পাগারিয়া-শিলা নদী, পারুলি খাল নদী, পাহাড়িয়া নদী, পুরনো ধলেশ্বরী নদী, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী, পুংলী নদী, বংশী নদী, বংশী নদী (সাভার), ব্রহ্মপুত্র নদী (নরসিংদী-মুন্সীগঞ্জ), বাকসাতরা নদী, বাজ্জা-মেধুয়া নদী, বানার আপার নদী, বানার লোয়ার নদী, বালু নদী, বুড়িগঙ্গা নদী, বৈরান নদী, বোশখালীর নদী, মরা জিঞ্জিরাম নদী, মাহারি নদী, মিনিখালী নদী, লাবুন্ধা নদী, লোহাজং নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, সালদা নদী, সুতী নদী, সুতিয়া নদী, সোনাখালী নদী, হাই নদী, হাড়িদোয়া নদী, পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী, ইছামতি নদী, রাঙ্গামাটি), ঈদগাও নদী, কর্ণফুলি নদী, কাসালং নদী, চেঙ্গি নদী, ডলু-টংকাবতী নদী, নাফ নদী, বুড়া , মাতামুহুরী নদী, বাঁকখালি নদী, ভারুয়াখালি নদী, ভোলাখাল নদী, মাইনী নদী, মাতামুহুরী নদী, রাংখাইন নদী, সাঙ্গু নদী, হালদা নদী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী, আর্সি-নালিয়া নদী, কাকড়ি নদী, কাস্তি নদী, গোমতী নদী, ঘুংঘুর নদী, ছোট ফেনী নদী, ডাকাতিয়া নদী, ডাসাডিয়া নদী, তিতাস নদী, পুরনো তিতাস নদী, ধনাগোদা নদী, ফেনী নদী, বিজলি নদী, বুড়ি নদী, ভুলুয়া নদী, মুহুরী নদী, মেঘনা আপার নদী, মেঘনা লোয়ার নদী, লহর নদী, লংগন বলভদ্রা নদী, সালদা নদী, সেলোনিয়া নদী, সোনাই নদী, মুহুরী নদী, হাওড়া নদী, বাংলাদেশ ভারত আন্তঃসীমান্ত নদীর তালিকাঃ রায়মঙ্গল নদী, ইছামতী-কালিন্দী নদী, বেতনা-কোদালিয়া নদী, ভৈরব-কপোতাক্ষ, মাথাভাঙ্গা, গঙ্গা, পাগলা, আত্রাই, পুনর্ভবা, তেতুলিয়া, টাংগন নদী, কুলিক বা কোকিল নদী, নাগর নদী, মহানন্দা নদী, ডাহুক, করতোয়া, তালমা, ঘোড়ামারা, দিওনাই-যমুনেশ্বরী, বুড়িতিস্তা, তিস্তা নদী, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, জিঞ্জিরাম, চিল্লাখালি, ভোগাই, সোমেশ্বরী, দামালিয়া/যালুখালী, নয়াগাঙ, উমিয়াম নদী, যাদুকাটা নদী, ধলা নদী, পিয়াইন, শারি-গোয়াইন, সুরমা, কুশিয়ারা, সোনাই-বারদল, জুরি, মনু, ধলাই নদী, লংলা নদী, খোয়াই নদী, সুতাং, সোনাই, হাওড়া, বিজনী, সালদা, গোমতী নদী, কাকরাই-ডাকাতিয়া, সিলোনিয়া নদী, মুহুরী নদী, ফেনী, কর্ণফুলি নদী, নিতাই, সাংগু নদী, মাতামুহুরী, নাফ নদী। অন্যান্য নদী উপরে উল্লেখিত আন্তঃসীমান্ত নদী এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত ৪০৫টি নদী ছাড়াও আরও প্রায় চার শতাধিক নদী রয়েছে। সেসবের কিছু নদীর নাম নিচে দেয়া হলো।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭জন।
অপরাধ 39 minutes আগে

অদৃশ্য ক্ষমতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
রংপুর 7 hours আগে

পঞ্চগড়ের বোদায় ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় স্টোল পরিদর্শন করেন পানি
রংপুর 8 hours আগে

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 23 hours আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 1 day আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 1 day আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 1 day আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 2 days আগে

চিরিরবন্দরে বাসের ধাঁক্কায় আরএফএল কোম্পানির এস আর রাকিব নিহত।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

অন্ধকার নামতেই পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় কবর স্থানে শুরু হয়, লুটপাট, জুয়া
অপরাধ 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক