admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২০ ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
মামুনুর রশিদ, ঠাকুরগাঁও অফিসঃ করোনা ভাইরাসের কারণে ঠাকুরগাঁওয়ে ইফতারির দোকান না বসানোর নির্দেশ জেলা প্রশাসকের ও রমজানের তারাবির নামাজ ১২ জনের অধিক মসজিদে আদায় না করার অনুরোধ ও ইফতারির দোকান না বসানোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম এ অনুরোধ ও নির্দেশ করেন ঠাকুরগাঁওবাসীকে।
সাক্ষাৎকারে জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, আপনারা সকলে জানেন এবারে পবিত্র মাহে রমজান ভিন্ন পরিস্থিতিতে পালিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রতি মসজিদে ওয়াক্তের নামাজে ৫ জন ও জুম্মার নামাজে ১০ জন মানুষের অধিক একসাথে নামাজ আদায় না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মাহে রমজানে তারাবির নামাজ পড়ার জন্য ইলামিক ফাউন্ডেশন থেকে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকে মসজিদে একসাথে ১২ জন মানুষ তারাবির নামাজ আদায় করতে পারবেন। ইমাম, মুয়াজিনসহ ১২ জনের বেশি মানুষ একসাথে নামাজ আদায় না করার অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষসহ বিশেষ করে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণকে সুরক্ষিত রাখার জন্য এই নির্দেশনা অবশ্যই পালন করার। বাকি যারা মুসল্লি আছেন তারা নিজ নিজ বাড়িতে নামাজ আদায় করবেন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন যেন আল্লাহ আমাদের শীঘ্রই এই করোনা ভাইরাসের বিপদ থেকে মুক্তি দেন।
এছাড়াও মাহে রমজানে প্রতি বছরেই অস্থায়ীভাবে অনেক দোকান ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসে। এবারে আমরা সমাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য সেটাও নিষিদ্ধ করেছি যাতে করোনার বিস্তার না হতে পারে। যারা ইফতার সামগ্রী বিক্রিয় করবেন তারা নিজ নিজ দোকানে ইফতার সামগ্রী তৈরি করে পার্সেল করে গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন। যাতে জনসমাগম না ঘটে। আপনারা এটা অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে অর্ডার নিয়ে গ্রাহকের বাড়ি বাড়ি পৌঁচ্ছায় দিতে পারেন।
এছাড়াও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, দ্রব্যমূল্য যেন অস্থিতিশীল না হয় বা মানুষ যেন ভোগান্তির শিকার না হয় সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ আছে। এ জন্য আমাদের ১৪টি মোবাইল টিম বিভিন্ন হাট-বাজার মনিটরিং করবে এবং কেউ যদি অনায্যভাবে কোন কিছু করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা আশা করি ঠাকুরগাঁওবাসী সরকারি নির্দেশনা মেনে চলবে এবং তাদের নিজের, পরিবারের ও জেলার স্বার্থে জনসমাগম পরিহার করে এই রমজান মাস অতিবাহিত করবে। এটাই আশা করি ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে এবং প্রশাসন তাদের সহযোগিতায় ও তাদের পাশে থাকবে। আপনারা সকলে ভালো থাকুন, পবিত্র রমজান ভাবগাম্ভীর্যে পালন করুন এবং আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করুন যাতে আমরা এই করোনা থেকে মুক্ত হতে পারি, মুক্ত থাকতে পারি ও দ্রুত বিপদ মুক্ত করেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে মাহে রমজানের তারাবির নামাজ ১২ জনের অধিক মসজিদে আদায় না করার অনুরোধ ও ইফতারির দোকান না বসানোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম এ অনুরোধ ও নির্দেশ করেন ঠাকুরগাঁওবাসীকে।
সাক্ষাৎকারে জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, আপনারা সকলে জানেন এবারে পবিত্র মাহে রমজান ভিন্ন পরিস্থিতিতে পালিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রতি মসজিদে ওয়াক্তের নামাজে ৫ জন ও জুম্মার নামাজে ১০ জন মানুষের অধিক একসাথে নামাজ আদায় না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মাহে রমজানে তারাবির নামাজ পড়ার জন্য ইলামিক ফাউন্ডেশন থেকে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকে মসজিদে একসাথে ১২ জন মানুষ তারাবির নামাজ আদায় করতে পারবেন। ইমাম, মুয়াজিনসহ ১২ জনের বেশি মানুষ একসাথে নামাজ আদায় না করার অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষসহ বিশেষ করে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণকে সুরক্ষিত রাখার জন্য এই নির্দেশনা অবশ্যই পালন করার। বাকি যারা মুসল্লি আছেন তারা নিজ নিজ বাড়িতে নামাজ আদায় করবেন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন যেন আল্লাহ আমাদের শীঘ্রই এই করোনা ভাইরাসের বিপদ থেকে মুক্তি দেন।
এছাড়াও মাহে রমজানে প্রতি বছরেই অস্থায়ীভাবে অনেক দোকান ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসে। এবারে আমরা সমাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য সেটাও নিষিদ্ধ করেছি যাতে করোনার বিস্তার না হতে পারে। যারা ইফতার সামগ্রী বিক্রিয় করবেন তারা নিজ নিজ দোকানে ইফতার সামগ্রী তৈরি করে পার্সেল করে গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন। যাতে জনসমাগম না ঘটে। আপনারা এটা অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে অর্ডার নিয়ে গ্রাহকের বাড়ি বাড়ি পৌঁচ্ছায় দিতে পারেন।
এছাড়াও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, দ্রব্যমূল্য যেন অস্থিতিশীল না হয় বা মানুষ যেন ভোগান্তির শিকার না হয় সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ আছে। এ জন্য আমাদের ১৪টি মোবাইল টিম বিভিন্ন হাট-বাজার মনিটরিং করবে এবং কেউ যদি অনায্যভাবে কোন কিছু করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা আশা করি ঠাকুরগাঁওবাসী সরকারি নির্দেশনা মেনে চলবে এবং তাদের নিজের, পরিবারের ও জেলার স্বার্থে জনসমাগম পরিহার করে এই রমজান মাস অতিবাহিত করবে। এটাই আশা করি ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে এবং প্রশাসন তাদের সহযোগিতায় ও তাদের পাশে থাকবে। আপনারা সকলে ভালো থাকুন, পবিত্র রমজান ভাবগাম্ভীর্যে পালন করুন এবং আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করুন যাতে আমরা এই করোনা থেকে মুক্ত হতে পারি, মুক্ত থাকতে পারি।