admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২১ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
হুমায়ুন কবির রেজা, স্টাফ রিপোর্টারঃ ঠাকুরগাঁওয়ের প্রাক্তন মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমীন ( চোখা মিয়া )’র ২৫তম মৃত্যু বার্ষিকী। আজ ১০ই রমজান ১৪৪২ মরহুম মির্জা রুহুল আমীন এর ২৫তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সীমিত পরিসরে বাদ জুম্মা সেনুয়া জামে মসজিদ গোরস্থানে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও কবর জিয়ারত সুষ্ঠভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে ।মির্জা রুহুল আমিন যিনি চোখা মিয়া নামেও পরিচিত ছিলেন। (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯২১ – ১৯ জানুয়ারি ১৯৯৭) পঞ্চগড় জেলায় জন্মগ্রহণ করেন একজন রাজনীতিবিদ, ক্রীড়ানুরাগী, প্রাক্তন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য। তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রীসভার একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। নিজ এলাকায় চোখা মিয়া নামেই পরিচিত ছিলেন।১৯২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মির্জা পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।[২] ১৯৩৮ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়) থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৪২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেন।
দেশ বিভাগের পর তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। মির্জা রুহুল আমিনের পিতার নাম মির্জা আজিমউদ্দিন সরকার। মির্জা আমিনরা তিন ভাই, তার অপর দুই ভাই হচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য ৪র্থ সংসদের স্পিকার মির্জা গোলাম হাফিজ ও এস আর মির্জা। মির্জা আমিনের দুই সন্তান, বড় ছেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মেঝ ছেলে মির্জা ইকবাল আমিন ও ছোট ছেলে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা সাবেক মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ঠাকুরগাঁও হাই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন তিনি। ১৯৬২-৬৬ সালে পরপর দুই বার পূর্ব পকিস্তানের প্রাদেশিক আইন সভার সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় দীর্ঘ ১৭ বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে তিনি দিনাজপুর-৪ ও ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার কৃষিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দিনাজপুর-৪ ও ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য। মির্জা রুহুল আমিন ১৯৯৭ সালের ১৯ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।