admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ৪:০৩ অপরাহ্ণ
নিউজ ডেক্সঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ী বহরে বেগুন বাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বনি আমিনের নির্দেশে ঐ হামলার স্বীকার হোন মির্জা আলমগীর, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওমী এক নেতা বিষয়টি মুক্ত কলমকে অবগত করেন। মহাসচিবের গাড়িতে হামলাকারী তৎকালীন আওমি যুবলীগের (১) বাবু মাষ্টার, পিতাঃ জাকারিয়া মাষ্টার, (২) রাশেদ বাবু, পিতাঃ ডাঃ মিজানুর, (৩) সতিবর রহমান সতি, পিতাঃ ওমর আলী, বান্দিগড় বালাপাড়া, বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন, ঠাকুরগাঁও সে যুবলীগ এর ওয়ার্ড সেক্রেটারি ছিলো। (৪) মনোয়ার হোসেন মাষ্টার, পিতাঃ ইছাহাক আলি। যুবলীগের সন্ত্রাসী তারা স্ব-শরীরে মহাসচিব এর গাড়ি ভাঙচুরের সাথে যুক্ত ছিল। এদের মধ্যে সতিবর রহমান সতি গ্রেফতার হলেও বাকিরা অজ্ঞাত কারণে আইনের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়ে যায় ।
ঘটনার বিবরণঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে কীভাবে হামলা হয়েছিল । বিএনপির কর্মী ও গ্রেফতার হওয়া দুজন নেতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের দানারহাট এলাকায় গেলে হামলার ঘটনা ঘটে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করছে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে ছিলেন। দুই দিন তিনি বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করতে ঠাকুরগাঁও এসে ছিলেন। তিনি নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশে শহরে ঢাকা থেকে বিমানে ঠাকুরগাঁও ফিরছিলেন।
পথি মধ্যে দানারহাট ইউনিয়নের দানারহাট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ শুরু করলে প্রতিপক্ষের একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক লাঠিসোটা নিয়ে তার গাড়িবহরে হামলা চালায়। এতে সাতটি গাড়ির গ্লাস ভাংচুর হয়। এ সময় মির্জা ফখরুলের সফরসঙ্গী কমপক্ষে ১০ জন আহত হন জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান।
এ ব্যাপারে তৎকালীন ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান টেলিফোনে জানান, এটা বিএনপি মহাসচিবের আনশিডিউলড সফর ছিল, পুলিশকে আগে থেকে ইনর্ফম করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে গাড়িগুলোয় ইট-পাটকেল দিয়ে হামলা করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সদর থানা ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি আক্কাস আলী ও ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন গ্রেফতার হন।
মির্জা ফখরুল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নে গণসংযোগ করার আগে ওই দুই নেতার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তাদের বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে সদর উপজেলার দানারহাট এলাকায় পৌঁছলে অতর্কিত তার গাড়িবহরে একদল যুবক ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে।
মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ইউনুসের ভাষ্য, হামলাকারীরা বহরের গাড়ি ভাংচুর করেছে। তবে বিএনপির মহাসচিবের গাড়ি অক্ষত রয়েছে। তিনিও (মির্জা ফখরুল) অক্ষত আছেন। এ ঘটনায় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী সামান্য আহত হয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম। তার ভাষ্য, মির্জা ফখরুলের বহরে ১০টির মতো গাড়ি ছিল। দানারহাট এলাকা পেরিয়ে যাওয়ার সময় মহাসচিবের গাড়িবহরের পেছন দিক থেকে হামলা চালানো হয়। ঘটনায় বিএনপির নয় জন নেতাকর্মী আহত হয়ে ছিলেন।
শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়ে ছিল। সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বনি আমিন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এলাকায় সস্তা সেন্টিমেন্ট নিতে বিএনপির লোকজনই এ হামলা চালিয়ে আমাদের ওপর চাপাতে চাচ্ছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সে সময় মির্জা ফখরুল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলে এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলেন। পরে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এ ঘটনায় কারা জড়িত সেটা তদন্ত করে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হামলার পর মির্জা ফখরুল সেখান থেকে নির্বাচনী পথসভা ও প্রচারে অংশ নিতে গড়েয়াহাট এলাকায় যান। সেখানে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলে ছিলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। সরকার দলীয় লোকজন বুঝতে পেরেছে, তারা জনপ্রিয়তা হারিয়েছে। সে কারণে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন ঘটনা যেন ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে তিনি পরামর্শ দেন।
প্রকাশ থাকে যে এমন ঘটনার পর আওমী লীগের পতন হলেও আওমী সন্ত্রসীদের বিএনপির কিছু নেতা কর্মীরা এই সব সন্ত্রাসীদের মায়ের আচল দিয়ে ঢেকে রাখছেন।যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কিছু গোপন ছবি ভাইরাল হয়। তাহলে কী মির্জা ফখরুলের গাড়ীতে হামলার সাথে তার দলের লোকজন জড়িত ছিলো ? নাম উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা স্ব-শরীরে মহাসচিবের গাড়ি ভাঙচুরের সাথে যুক্ত ছিল? এদের মধ্যে সতিবর রহমান সতি গ্রেফতার হলেও বাকিরা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়ে যায় এক অভিযোগে জানাজায় উক্ত ব্যক্তিদের জামাত শিবির ও বি এনপির কিছু নেতা এই আওমী সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে তৎপর।