admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর, ২০২২ ৯:৩২ অপরাহ্ণ
মুক্ত কলম অনুসন্ধানী প্রতিবেদনঃ গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র বিমচনের লক্ষ্যে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ ক, খ, ও গ তিন ধাপে অন্তভূক্ত জনগোষ্ঠীকে আত্ম-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার কথা থাকলেও দুর্ণীতির কারণে তা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে এ প্রকল্প হাতে নিয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী সমাজ সেবা ইউনিয়নের মাঠকর্মী আয়শা সিদ্দিকার যোগসাজশে ক্ষুদ্র ঋণ প্রকৃত ব্যক্তিদের দেয়ার কথা বলে নামে বে-নামে টাকা আত্মসাৎ করছে।
সরজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও দেবীপুর ইউনিয়ন মুজাবর্ণী, সরকার পাড়ায় ১২ সদস্য বিশিষ্ঠ দল গঠন করে সমাজ সেবা অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলামের শ্বশুড় বাড়ির আত্মীয় ও তাঁর শ্যালককে নিয়ে মনগড়া পারিবারিক দল গঠন করে গত ২১ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রীঃ মোট ৩ লাখ টাকা সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করা হয়। কিন্তু সরকার পাড়ায় এই ১২ সদস্যের নাম ও ঠিকানার কয়েক জন বাদে বাকিদের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উক্ত দলের একজন সদস্য সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহিতা মোছাঃ কোহিনুর বেগম, পিতাঃ শামসুল হক, গ্রামঃ সরকারপাড়া মুক্ত কলমকে অভিযোগ করে যা বলেছেন তা হুবুহু তুলে ধরা হলো এবং পরর্বতীতে প্রমাণ স্বরূপ সে সহ যাদের নামে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে তাঁদের সকলের কল রের্কড মুক্ত কলম ডাটা আর্কাইভে সংরক্ষন করে রাখা হলো- আমাদের মুঠো ফোনে কল দিয়ে জানান যে তিনি উক্ত ঋণের টাকা সমাজ সেবা অফিসারের স্ত্রী পরাগ আয়শা সিদ্দিকার ভাই মাহামুদুর রহমান মুকুট ঋণের টাকাটা তুলে নিয়েছে, শুধু আমি না আরও অনেকের যেমন কামু তাঁরপর সাজু মাস্টার এমন আরও ৯ জন আছে। তিনি আরও বলেন আমাদের কাছে ভোটার আইডি কার্ড ছবি নিয়ে ফর্মে সহি করে ঋণের টাকা তুলেছে এবং আমাকে সরিফুল ১০ হাজার টাকা হাতে দিয়েছে।
অথচ জন প্রতি ৩০ হাজার টাকা ঋণ দেখানো হয়েছে। অনুসন্ধানের খ্যাতিরে আমরা একটু ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে তাঁকে প্রশ্ন করে বলা হয় আপনারা ঋণ নিয়েছেন ৩০ হাজার তাহলে ১০ হাজার টাকার কথা বলছেন কেন? তখন তিনি জানান আমিতো ঢাকায় আছি তা-না হলে এখুনি সরিফুল ও পরাগকে ধরতাম সবার টাকা নিয়েছে মুকুট শরিফুলের শালা, ওর বুন জামাই অফিসের দরজায় খাড়াইছে আর ১০ হাজার টাকা আমার আর অন্যদের আরও কম টাকা হাতে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন এখুনি আমি মুকুট ও ওর বোনকে কল দিবো বলবো তোমরা যে ঋণের টাকা গুলা নিচ্ছো কিভাবে শোধ করবা সেটা তোমাদের বেপার আমাদের নামে ঋণের টাকার নেওয়ার ঝামেলা হলো তোমরা বুঝবা সব সদস্য মিলে তোমাদের বুঝাবো।
আমাদের গ্রামে আরও ৪ জন আছে আমার বাসার কাছে মসজিদের পাশে যে পাকা বাড়িটা আছে ওখানে যান তাহলে আরও অনেক কিছু জানতে পারবেন মিশু ও বাবু বাপের নাম তাহের মাস্টার ওখানে যাওয়ার পর তাঁদের দেখা পাওয়া যায়নি মিশু স্কুল শিক্ষক তিনি স্কুলে ছিলেন তাঁদের দুইজনের পারিবারিক অবস্থা স্বচ্ছল দেখতে পাই ক,খ এর আওতায় ঋণের টাকা পাওয়ার যোগ্যতা নাই তাঁরা স্বচ্ছল হাজী পরিবার। যেহেতু এইটি হতদরিদ্রদের জন্য সরকার নির্ধারণ করেছেন। তাঁদের পরিবারের পিতা মাতার সাথে কথা বললে তাঁরা জানান ঋণের টাকা ব্যাপারে আমরা কিছু জানিনা পরে জেনে জানাবেন। মোছাঃ কহিনুর বেগম বলেন বাকিটা আমি জানিনা ওরা বোন আর জামাই কি করেছে।
সেখান থেকে সমাজ সেবা কর্মকর্তার শরিফুলের শ্যালকের সাথে দেখা করে তথ্য নিতে গেলে বাসায় গিয়ে পাওয়া যাইনি তিনি সমাজ সেবা থেকে ২০২১ সালে ঋণ নিলেও আজও কিস্তির টাকা পরিশোধ করেন নাই। গত ২৫ অক্টোবর মুক্ত কলম অনুসন্ধানী টীম মাঠ পর্যায় গিয়েছিলো। মোঃ মাহামুদুর রহমান মুকুট এর তাঁর সাথে দেখা না হওয়ায় চলে আসার পথে তাঁর ফোন থেকে একটা কল আসে আমাদের ফোনে জানতে চান আমরা কে, উনার বাসায় কেন গিয়ে ছিলাম, পাল্টা উনাকে প্রশ্ন করা হয় আপনিকে প্রথমে পরিচয় দিতে না চাইলেও পরে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কথা বলতে সন্মতি জানান, মুকুটকে তাঁর ঋণ গ্রহণের বিষয় জানতে চাইলে কায়দা করে এড়িয়ে যেতে চান এবং তিনি জানতে চান তাঁর ঋণ গ্রহণের কথা সাংবাদিক কিভাবে জানেন তাঁকে বিস্তারিত প্রমাণসহ যুক্তি দেখালে তিনি ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন যারা ঋণ নিয়েছে তাঁরা সহি স্বাক্ষর করে নিয়েছে এবং যারা পরিশোধ করার তাঁরা পরিশোধ করতেছে। মুকুট আমাদের সাথে দেখা করতে চান, এক বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেছে অথচ ২১ ডিসেম্বর-২০২১ থেকে ২৫ অক্টোবর-২০২২খ্রীঃ পর্যন্ত কোন প্রকার ঋণের কিস্তি আদায় হয়নি। মাঠকর্মী অজ্ঞাত কারণে কিস্তির টাকা আদায় করেননি অথচ ঠাকুরগাঁও উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর অফিসার এ বিষয় কোন পদক্ষেপ নেন নাই, দলের সদস্যদের নামে বড় ধরণের ঘাবলা নজরে এসেছে মুক্ত কলম অনুসন্ধানী টীমের হাতে।
এর কিছুক্ষন পর আমাদের ফোনে আর একটা কল আসে তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ঠাকুরগাঁও উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর ইউনিয়ন মাঠ কর্মী মৃণাল চন্দ্র রায় বলছি আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাচ্ছিলাম,আমি আসলে দেবীপুরের দ্বায়ীত্বে আমি যে সকারপাড়ায় লোন দিয়ে ছিলাম ওইটা গাভী পালনের জন্য আমরা ৩০ হাজার টাকা ঋণ দিয়েছি প্রতিজনকে তখন তাঁকে ঋণ গ্রহীতা মোছাঃ কহিনুর বেগমের কথা বলা হয় যে তিনি আমাদের জানিয়েছেন যে আপনারা তাকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করেছেন বাকী টাকা মুকুটের হাতে তুলে দিয়েছেন। উত্তরে তিনি জানান আমি নিজে হাতে ১২ জন সদস্যকে ৩০ হাজার টাকা নিজ হাতে দিয়েছি, সমাজ সেবা অফিসার বলছেন আমি আর ইউএনও দিয়েছি। অথচ মুকুট, কোহিনূর, মাঠকর্মী ও সমাজসেবা কর্মকর্তার এই চার জনের কথার সাথে এই ঋণ প্রদানের তথ্যের মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এরপর ঠাকুরগাঁও উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কার্যালয় এসে কর্মকর্তা শরিফুল এর সাথে কথা বলতে গেলে তিনি জানান এ বিষয়ে আমি কোন কথা বলবো না। তাঁকে যখন বলা হয় আপনারা যে মাঠ পর্যায় ঋণ প্রদান করেছেন সেখানে ঋণ বিতরণের অনিয়মও দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে। তখন তিনি কায়দা করে এড়িয়ে যেতে চান তিনি বলেন আমার উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া আমি কিছু বলতে পারবো না। একপর্যায় তিনি আমাদের জানান আমরা যদি ভিডিও রেকর্ড না করি তাহলে তিনি বক্তব্য দিবেন। তাঁকে আশস্ত করা হয় আমরা কোন প্রশ্ন করবোনা বা ভিডিও সাক্ষাৎকার নিবো না এই মর্মে তিনি কথা বলতে রাজি হোন আমাদের গোপন ক্যামেরায় তাঁর সাক্ষাৎকার রেকর্ড করা হয় তিনি আমাদের বলেন আমি ক্যামেরার সামনে কথা বলবো না।
আমরা মুভি ক্যামেরা রেখে দিলে এই মর্মে তিনি জানান সরকার যে এই ক্ষুদ্র ঋণের বাজেটের টাকা দেয় তা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও আমার যৌথ স্বাক্ষরে একাউন্টে ঋণের টাকা জমা হয়। তারপরে উপজেলা কমিটি আছে এই কমটির মাধ্যমে ইউনিয়ন ও গ্রাম যাচাই বাছাই করে উক্ত কমিটির অনুমোদনের পর ইউএনও স্যারের যেহেতু সভাপতি তাই তাঁর মাধম্যে ঋণের প্রদান করা হয়। এর পর তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় এই ঋণের আওতায় কারা পরে উত্তরে তিনি জানান ক খ ও গ তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয় এবং ইউনিয়নের মাঠ কর্মী ১২ সদস্য বিশিষ্ট্য একটা দল গঠন করে তাঁদের নিয়ে একটা কমিটি গঠন করে ঋণ প্রদান করা হয়। যেন সঠিকভাবে ঋণের টাকা আদায় হয়। অনিয়মের সুবিধার্থে এ দলটি মাঠকর্মী তাঁদের মনগড়া ব্যাক্তিদের নিয়ে গঠন করেন বলে জানা গেছে।
নিয়ম অনুযায়ী ১০ মাসের মধ্যে ঋণের টাকা পরিশোধ হওয়ার নিয়ম থাকলেও তা এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও একটি টাকা আদায় হয়নি। সমাজ সেবা অফিসারকে বললে তিনি বলেন এই কথাগুলো আপনাকে কে বলেছে? আমাদের অফিসের লোক? তাঁকে যখন বলা হয় আপনার শ্বশুর বাড়ির দেবীপুর সরকার পাড়ার ঋণ গ্রহীতা আমাদের জানিয়েছে যে আপনি ও আপনার স্ত্রী মিলে এই টাকা আপনার শ্যালকের হাতে তুলে দিয়েছেন এবং ঋণের টাকা এক বছর অতিবাহিত হলেও তা আদায়ে আপনার কোন ভুমিকা ছিলো না। এই কথায় তিনি উল্টা-পাল্টা কথা বলেন যা মাঠকর্মী ও তাঁর কথার মধ্যে মিল পাওয়া যায়নি। অথচ মাঠ পর্যায়ে সদস্যদের অভিযোগ তাঁরা ভোটার আইডি কার্ড ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিয়ে ফর্মে সহি নিয়ে টাকা উত্তোলন করে তাঁর শ্যালকে দেওয়া হয় বলে জানান দলের এক সদস্য।
এই বিষয় সমাজ সেবা অফিসারের কাছে জানতে চাইলেন তিনি বলেন, এই টাকা তুলে কে কাকে দিলো তা আমাদের জানার দরকার নাই। অথচ ঋণের টাকা দেওয়া হয় ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য এবং যথা সময় আদায় করার কথা থাকলেও তা হয় নি এবং অফিসারের কোন প্রকার ভূমিকা ছিলোনা যে ঋণ প্রদানের টাকা উত্তলনের। তাঁর শ্যালক এই সুদমুক্ত ঋণের আওতায় পড়েন না। এবং সরকারী টাকা আদায় হবে কিনা সে বিষয় তাঁর ভূমিকাও লক্ষ্য করা যায় নি।
আরও জানায়ায় তাঁর স্ত্রী আয়শা সিদ্দীকা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন মাঠকর্মী তাঁর বেলায় একি চিত্র দেখা গেছে ২০২১/২২ সালের বিনিয়োগের মুলধন মাঠ পর্যায় ঋণ হিসেবে দিলেও গত এক বছরেও কিস্তির টাকা কোন প্রকার আদায় করেন নাই। সে বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। এতে প্রতিয়মান হয় তদন্ত করলে যে তাঁর ইউনিয়নেও ব্যাপক অনিয়ম দুর্ণীতি খুঁজে পাওয়া যাবে। দৃর্ঘ্য দিন এই দম্পতি নিজ জেলায় চাকুরী করার কারণে ব্যপক সুবিধা ভোগ করেন নিয়মিত মাঠ পর্যায় কাজ করেন না বলে জানা গেছে।
মাঠ পর্যায় যে সব সদস্যদের নামের তালিকা পাওয়া গেছে তা প্রদান করা হইলঃ-
১) মোঃ মাহামুদুর রহমান মুকুট, পিতাঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
২) মোঃ আলমগীর কবির, পিতাঃ কছির উদ্দিন, গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৩) জয় মোহন বর্মন, পিতাঃ নেভিয়া বর্মন, গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৪) মোছাঃ কোহিনূর বেগম, পি্তাঃ সামসুল হক,গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৫) মোঃ মাহাবুবুর রহমান, পিতাঃ নজরুল ইসলাম,গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৬) মোঃ সাজু ইসলাম, পিতাঃ মোঃ গোলাম মোস্তফা,গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৭) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, পিতাঃ লিয়াকত আলী,গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৮) মোছাঃ হাজেরা খাতুন, পিতাঃ মোঃ কালুয়া,গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
৯) মোঃ মনিরুজ্জামান, পিতাঃ মোঃ মোস্তফা কামাল,গ্রামঃ মুজাবর্ণী সরকারপাড়া, দেবীপুর, ভূল্লী ঠাকুরগাঁও।
আর বাকি ৩ জন সদস্যের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করা যায়নি।
মোছাঃ সাইয়েদা সুলতানা, সহকারি পরিচালক সমাজ সেবা অধিদপ্তর, ঠাকুরগাঁও অফিসে গিয়ে না পেয়ে তাঁর মুঠো ফোনে কল করে এই অনিয়মের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান আমি অসুস্থ্য ছুটিতে আছি তাই আমার জানা নাই, আমি আমার ডিডি স্যারকে অবগত করবো।
মোঃ আল মামুন উপ পরিচালক, সমাজ সেবা অধিদপ্তর ঠাকুরগাঁও , তাঁর কাছে উল্লেখিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি আমার জানা নাই, তবে যেহেতু আমি এখন জানলাম তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিবো। মুক্ত কলম অনুসন্ধানী তর্থ্য প্রমাণ তাঁকে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আবু তাহের মোঃ সামসুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও। যেহেতু তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি তাই তার কাছেই উল্লেখিত বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি সদর উপজেলার অনেক গুলো কমিটির সভাপতি তাই সবগুলো কমিটির তথ্য আমার জানা সম্ভব না তবে লিখিত অভিযোগ অথবা সংবাদ প্রকাশের কপি পেলে আমি তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।