হোম
নাগরিক ভাবনা

করোনা বিষয়ক প্রসঙ্গঃ ১০ টাকার চাল চুরি।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২০ ৫:২১ অপরাহ্ণ

Thak-Abu-Mohiuddin-mknewsbd

ফাইল ছবি

নাগরিক ভাবনাঃ অ্যাডভোকেট আবু মহী উদ্দীনঃ  করোনা দুর্যোগে জনস্বার্থে মানুষকে বাঁচানোর জন্য লকডাউন করা হয়েছে। সকল কর্মজীবি মানুষ হঠাৎ করেই অনেকটা বাধ্যতামুলক গৃহবন্দিত্ব বরণ করেছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিপদে আছে যারা দিন আনা দিন খাওয়া পরিবার। কাজের বুয়ারা কাজে যেতে পারছেনা। ভয়ে কেউ তাদের কাজে লাগাচ্ছেনা। কিছু পরিবার আছে যাদের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মাত্র ১জন। তবে নিয়মিত খাবার চালিয়ে নেওয়ার মতো আয় করে। তাদের কাজ বন্ধ । ইতোমধ্যে দেশের বিত্তশালী , আধাবিত্তশালী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন , উদারমনা ব্যক্তি, রাজনীতিবীদ , মতলববাজ , অনেক হৃদয়বান ব্যক্তি , এমনকি ছাত্ররা টিফিনের টাকায় বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। অনেক আওয়ামী লীগ নেতা জমি বিক্রি করে , ছাত্রলীগ নেতা মায়ের গহনা বিক্রি করে খাবার নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

তাদের তো অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। সবাই সাধ্যমতো এগিয়ে এসেছে। এর মধ্যে কেউ ছবি তুলে নিজেদের জাহির করেছে। কেই ১০ প্যাকেট দিয়ে ২০০ প্যাকেটের নিউজ করেছে। অনেকে আবার এমন পরিবারকে সহায়তা করেছে , কে করেছে কেউ জানেনা। প্রাপক দাতাকে দেখেনি , এর মধ্যে কেউ কেউ আবার শপিং ব্যাগে নিজ কোম্পানী , দল বা ব্যক্তির, প্রতিষ্ঠানের প্রচারমুলক ব্যাখ্যা দিয়েছে। এটা প্রচার করার আগ্রহেই হয়েছে। অনেকে লজ্জায় ম্রিয়মান হয়েছে। অনেকে ছবি তুলতে রাজী না হলে তাকে ত্রান দেওয়া হয়নি। কেউ আবার ত্রান হাতে দিয়ে ছবি তুলে ত্রান ফেরত নিয়েছে। বিচিত্র সহায়তার ধরণ। সামাজিকতা বা ধর্ম কোন মাধ্যমেই এই বিষয়গুলি গ্রহণযোগ্য নয়। এর মধ্যে ১টা শ্রেনি থাকে যারা লাজ শরমের বালাই রাখেনা । একটা শ্রেনি অভ্যস্থ ত্রান সংগ্রহ করতে। তারা ত্রান সংগ্রহ করে বেড়ায়। ঠান্ডার সময় ১০/১২ টা করে শীত বস্ত্র যোগাড় করার তথ্যও আছে। এর কারন যারা ত্রান দেয় তাদের বিবেচনায় তারাই সবচেয়ে গরীব। তারাই বেশি উপকৃত হয়। আবার এক শ্রেনি আছে তারা লাইনে দাঁড়াতে পারেনা , হাত পাততে পারেনা , কাউকে বলতে পারেনা। তাদের কোন উপায় থাকেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এদের বিষয় বিবেচনায় জোর দিয়েছেন।

খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সরকারের অনেকগুলো কর্মসুচি আছে। ভিজিডি , টিআর, জিআর , বয়স্ক ভাতা , প্রতিবন্ধি ভাতা , সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে বিভিন্ন সহায়তা কর্মসুচি রয়েছে। আবার বিভিন্ন ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষে প্রশাসন , জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা করা হয়। আবার বন্যা ,খরায় জরুরী সহায়তা তো আছেই। আমাদের দুর্ভাগ্য দেশের সাধারণ মানুষের অনেক খবর মন্ত্রী মহোদয়রা জানেনা অথচ প্রধানমন্ত্রী জানেন। কদিন থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্স করছেন। লক্ষনীয় বিষয় হলো তিনি বিভিন্ন জেলায় খুটে খুটে এমন ভাবে জানার চেষ্টা করছেন, তিনি ঘটনার নাড়ী নক্ষত্রের খোজ খবর রাখেন। অন্যেরা কোন বিষয় ভাবার আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেই হয়তো সম্ভব হয়। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের আকাঙ্খা , চাওয়া পাওয়া ,স্বপ্ন সাধনা ছিল বাঙলার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। আমাদের দুর্ভাগ্য , তিনি বাঙ্গালী বড্ড বিশ্বাস করতেন। এই শ্বিাসই তার কাল হলো। আমরা তাঁকে বাঁচাতে পারিনি। দেশের কোন সাধারণ মানুষ তাকে হত্যা করেনি। প্রতিশোধ নিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীরা। জালা মিটিয়েছে পরাজয়ের। সে অভাবটি পুরণ করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যিনি মেধা এবং শ্রমের মাধ্যমে বাঙ্গালী জাতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। হয়েছেন বিশ্ব বরেণ্য নেতা। ব্যাঙ্গোক্তির তলাবিহীন ঝুড়ির দেশকে তুলে দিয়েছেন উন্নয়নের মহাসড়কে। বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতে দেশের দায়িত্ব দিয়ে আমরা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন তার মন্ত্রী পরিষদ বা আমলারা সে গতিতে এগুতে পারছেনা। এর মধ্যে সাবোটাজও যে নাই সে কথাও বলা যাবেনা। কয়েকজন মন্ত্রীর দক্ষতা পারদর্শীতা আজ গভীর প্রশ্নের মুখোমুখি। তাদের জন্য সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে।

করোনা দুর্যোগে দেশের মানুষকে লকডাউনে খাদ্য সহায়তা করার জন্য ১০ টাকা কেজি দামে চাল বিক্রির ব্যবস্থা করলেন । সারা দেশে কি দুর্ঘটনা ঘটতে শুরু করলো। ফেস বুকের কল্যানে চালচুরির ঘটনা ফুলে ফেপে উদ্বেগ জনক পর্যায়ে পৌঁছানোর খবরে এটা বন্ধ করে দিতে হলো। অবশ্য একারণেই বন্ধ করা হয়েছে তা নয় । এই চাল বিতরণে সোসাল ডিসট্যান্সিং কোন ভাবেই রক্ষা করা যাচ্ছেনা সেটাই বড় কারণ । না হলে ১০ টাকার চাল বিতরণ পদ্ধতি ঢেলে সাজালে বা সেনা বাহিনীর মাধ্যমে বিতরণ করলে সে সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। কিন্তু জনপ্রতিনিধিধের কাজতো সেনাবাহিনী দিয়ে হবেনা। ইমার্জেন্সি মিট আপ করা যেতে পারে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ঘটনাটা বোধ হয় অন্য জায়গায়। ২/১ জায়গায় ত্রানের চাল লুঠ হলো, ঠাকুরগাাঁওয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে গ্রামবাসীকে দিয়ে রাস্তা অবরোধ করানো হলো। যে ভাবেই বলা হোক না কেন খাদ্য সমস্যা আছে তবে ত্রান লুঠ বা রাস্তা ঘেরাও পর্যায়ের সময় এখনো আসেনি। প্রতিপক্ষ যাতে সাবোটাজ করতে না পারে সে দিকে কড়া নজরদারী রাখতে হবে। খাদ্য সহায়তার অতীত সকল রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে।

জেলা প্রশাসক , ইউ এন ও , পুলিশ কর্মীরা মোবাইল দিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে। খাবার বাড়ী পৌঁছে দিয়েছে। সাহায্য প্রার্থীর মোবাইল নম্বরে প্রাপককে না পেয়ে আবার ফেসবুকে জানতে চেয়েছে এই ৩ টি নম্বরে লোক পাওয়া যায়নি। তাদের খাদ্যের প্রয়োজন হলে যেন যোগাযোগ করে। ১৯৭৪ সালে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক চক্রান্তে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। সরকারের তরফ থেকে লঙ্গর খানা খোলা হয়েছিল। অনেক বিত্তবান সে সময় এগিয়ে এসেছিলেন। ছাত্র সংগঠনগুলো রুটি তৈরি করে বিতরণ করেছে। আমি নিজেও লঙ্গরখানা পরিচালনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছি। তখনতো ফেসবুক ছিলনা।

সে সময় স্বাধীনতা বিরোধীরা অনেক অপপ্রচার করছে। সে সময় আওয়ামী লীগ , কমিউনিষ্ট পার্টি , ন্যাপের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লঙ্গরখানার আটা চুরির তেমন ঘটনা ঘটতে পারেনি। মনে রাখতে হবে স্বাধীনতা বিরোধীরা বা অথর্ব বিরোধী দল মাঠে কোন আন্দোলন করার ক্ষমতা না রাখলেও তারা যে চুপ করে থাকবে আর তলে তলে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করবেনা এ কথা যিনি বিশ্বাস করবেন তিনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন বলে ধরে নেওয়া যায়। তারা এ সুযোগ হাত ছাড়া করবেনা। তবে চাল চুরির ঘটনা বা রটনা একেবারে অমুলক নয় এটা ঠিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কাউকে ছাড়া হবেনা। দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এই কথায় আস্থা রেখেছে। তারা এখন রেজাল্ট দেখতে চায়। এই সব ছোটখাট কাজতো স্থানীয় আওয়ামী লীগের। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ বা নির্দেশনা দিতে হয় এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। তাহলে কমিটি গঠনের সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মানা হয়নি। কিছু আবর্জনা ঢুকে পরেছে।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দ ১৫ টিভিকে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছেন। তিনি সাক্ষাতকারে কতগুলো মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। যতদুর জানি আব্দুল মান্নান বগুড়ার ত্যাগী আওয়ামী লীগারদের একজন। তাঁর বক্তব্য বিশ্লেষন করে বিষয়গুলি অনুধাবন ও পর্যালোচনা করে আমলে নেওয়া দরকার। আওয়ামী লীগ প্রধান ব্যবস্থা নিলে বোধহয় দলটা বাঁচে। যেমন ছিলেন জয়পুরহাটের আব্বাছ আলী মন্ডল। আওয়ামী লীগের সকল দূর্দিনে তিনি দল চালিয়েছেন। তিনি অকাতরে নিজের অর্থ ব্যয় করেছেন। কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়। তার সাথে কাজ করেছি। এখন তার বয়স হয়েছে। তবে আমার ধারনা নুতন আওয়ামী লীগার যারা তারা হয়তো আব্বাছ আলী মন্ডলকে তেমন চেনেনা। তার কাছে তেমন কেউ গিয়ে পরামর্শ নেয় একথা তেমন জানা যায়না।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বলেছেন চাউল চোরদের রক্ষা নাই। কথাটার বাস্তবায়ন দেখতে দেশের মানুষ অপেক্ষমান। আমাদের প্রস্তাব , তদন্ত , চার্জশীট ,মামলা , ফাইনাল রিপোর্ট , এসব মামলায় স্বাক্ষী পাওয়া যায়না। ততদিনে স্বাক্ষী ম্যানেজ হয়ে যাবে। তদন্তকারী বদল হবে বা ম্যানেজ হতে পারে। শেষে নির্দোষ প্রমান হয়ে ফুলের মালা গলায় দিয়ে মিছিল করে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার খবর দেশবাসী জানবে। এসব সময় সাপেক্ষ ব্যপার। দেশের মানুষ আপনার কাছে চায় সামারী ট্রায়াল। মোবাইল কোর্ট। যে পরিমান চাল চুরি করেছে তার ১০০ গুন জরিমানা , ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড , তাকে যে সহযোগিতা করেছ তাদেরও জেল ও জরিমানা , আর যারা তাকে আওয়ামী লীগের মতো সংগঠনে জায়গা করে দিয়েছে তাকে সহ এদের সবাইকে আজীবনের জন্য বহিস্কার এবং অন্য দলও যাতে তাকে না নেয় তার জন্য বিবৃতি দেওয়া। তার বাড়ীতে এটা সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া যে এই বাড়ীতে চাল চোর আছে।

দেশের মানুষের আকাংখা এই রকম। দেশে খাদ্য আছে। বিত্তবানরা এগিয়ে এসেছে ,আরো আসবে। খাদ্য বিতরণের একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করে তার আওতায় বিতরণ করলে এই ব্যবস্থা থেকে উত্তরণ সহজ হবে বলে আমি মনে করি। আগের একটি লেখায় আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম। সর্বজনগ্রাহ্য চাহিদা ভিত্তিক একটি উৎকৃষ্ট তালিকা করা হবে। এই তালিকায় কার কি ধরণের সহায়তা লাগবে তার ডাটাবেজ থাকবে। কার্ড থাকবে। খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট সময়মতো পৌঁছে যাবে। আর অন্যেরা সহযোগিতা করতে চাইলে জেলা প্রশাসনের কাছে টাকা জমা দিবে।

জেলা প্রশাসন তাদের পক্ষে খাদ্য সহায়তা দিবে। কেউ যদি নাম প্রচার করার ইচ্ছা করে তাহলে তাদের প্রতিষ্ঠানের নামটি প্যাকেটের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। যাতে প্রাপকই জানতে পারে এই সহায়তা কার কাছ থেকে এসেছে। জেলা প্রশাসন প্যাকেট করলে কেউ পেতেই থাকবে আর কেউ পাবেনা সেটি ঘটবেনা। প্রতিটি এলাকার জন্য একজন করে ট্যাগ অফিসার থাকবে। সেখানে ১টি সর্বদলীয় কমিটি থাকবে । জনপ্রতিনিধি , আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য , প্রশাসনিক কর্মকর্তা , স্বেচ্ছাসেবকরা ভালো ভুমিকা রাখতে পারবে। জনগণের আস্থা ফিরে আসবে। খাবার নিশ্চয়তা পেলে লোকজনকে বাড়ীতে রাখা সহজ হবে। এরই মধ্যে পরীক্ষা জোরদার করে যারা আক্রান্ত নয় তাদের জন্য সীমিত আকারে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জড়াতে হবে। অর্থনীতির চাকাওতো সচল করতে হবে।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭জন।
অপরাধ 2 hours আগে

অদৃশ্য ক্ষমতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
রংপুর 9 hours আগে

পঞ্চগড়ের বোদায় ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় স্টোল পরিদর্শন করেন পানি
রংপুর 9 hours আগে

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 1 day আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 1 day আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 1 day আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 1 day আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 2 days আগে

চিরিরবন্দরে বাসের ধাঁক্কায় আরএফএল কোম্পানির এস আর রাকিব নিহত।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

অন্ধকার নামতেই পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় কবর স্থানে শুরু হয়, লুটপাট, জুয়া
অপরাধ 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক