admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৪ মে, ২০২৩ ১১:১৮ অপরাহ্ণ
জুলহাস উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টার: ইকো-সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও),তেঁতুলিয়া উপজেলায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও টিউলিপ চাষীদের সাথে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড.কাজী খলীকুজ্জামান আহমদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ইএসডিওর মহানন্দা কটেজে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড.মুহম্মদ শহীদ উজ জামানের সভাপতিত্বে,প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ,চেয়ারম্যান,স্বাধীনতা ও একুশে পদক প্রাপ্ত ড.কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পিকেএসএফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড.মো.জসিম উদ্দিন এবং বিভিন্ন সংগীত শিল্পী সহ গণমাধ্যম ও সাংবাদিক বৃন্দ। মতবিনিময় সভায় তেঁতুলিয়ার স্থানীয় টিউলিপ ফুল চাষি, টুপি কারিগর, গাভী পালনকারী, মোজরালা চিজ তৈরি,ঘি উৎপাদনকারী ও চা চাষিরা তাদের উৎপাদন ও বিপননের সমস্যা-সম্ভাবনা বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন এবং বেশ কিছু প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড.শহীদ উজ জামান বলেন, আমরা ইএসডিও’র উদ্যোগে পিকেএসএফের সহযোগিতায় অত্র তেঁতুলিয়া সীমান্ত অঞ্চলে সীমান্তকন্যা নারী চাষিদের নিয়ে টিউলিপ চাষ করে সফল হয়েছি। এ টিউলিপ চাষ এ অঞ্চলে যেমন অর্থনীতির নতুনমাত্রা তৈরি করেছে, এর পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের এ এলাকা টিউলিপের একখন্ড নেদারল্যান্ড হয়ে উঠেছে। আমরা এ অঞ্চলে আরও কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পিকেএসএফের অতিরিক্ত পরিচালক ড.মো.জসিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ ত্রিশ বছরের বেশি সময় ধরে দেশে দারিদ্র বিমোচনে কাজ করছে পল্লী কর্ম- সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) কাজ করছে। আমরা চেষ্টা করছি প্রযুক্তির মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা। তেঁতুলিয়া দেশের একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা। সে হিসেবে ইতিমধ্যে পিকেএসএফ বিদেশি ফুল টিউলিপ চাষ করে পর্যটন শিল্পে নতুনমাত্রা তৈরি করেছে। আজকের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের কথা আমরা শুনেছি। সে বিষয়টি নিয়েই আমরা কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ স্বাধীনতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড.কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ বলেন, আমরা পঞ্চগড়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ইএসডিও’র মাধ্যমে এ অঞ্চলে আমরা টিউলিপ চাষ করেছি। এ টিউলিপের পাশাপাশি বছরের বাকি সময়টাতে একই জমিতে ভিন্ন কোন উচ্চমূল্যের ফুল কিংবা ফল চাষের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী আজকের অনুষ্ঠানে আমরা এখানকার স্থানীয় বিভিন্ন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিয়ে মতবিনিময় করে তাদের বিভিন্ন সফলতা ও উৎপাদনশীলতা বিপনন ও সমস্যা নিয়ে কথা জানলাম। আশা করছি, এরই আলোকে চা চাষীদের চা পাতা কর্তনে মেশিন, দুগ্ধজাত পণ্য তৈরি, এ এলাকার প্রশিদ্ধ টুপি কারখানাকে আরও উন্নত করতে সহযোগিতা প্রদানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছি।