admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল, ২০২৩ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
মুক্ত কলম নিউজ ডেক্সঃ ইউএনও সঞ্জয় কুমার মহন্তকে গত ৭ মার্চ ধুনট উপজেলা থেকে রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলায় বদলি করা হয়। ঘটনাস্থলে দেখা যায়, চাল, ডাল, লবণ, তেল, চিড়া, নুডলস, চিনি, হলুদ, মরিচ, ধনে, গুঁড়া মসলার সাড়ে ১৫ কেজি ওজনের বস্তার গায়ে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার, ত্রাণসামগ্রী হিসেবে বিনা মূল্যে বিতরণের জন্য লেখা রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ২০২১-২২ অর্থবছর।’ প্রায় দুই বছরের অধিক সময়ের এই ত্রাণসামগ্রীগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে খাবার অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন বলেন, ‘ইউএনও সঞ্জয় কুমার মহন্ত শেষ কর্মদিবসে ২২১ বস্তা ত্রাণসামগ্রী শ্রমিক দিয়ে তাঁর সরকারি বাসায় রেখেছেন এবং ২০২২ সালের ২৫ জুলাই তারিখের তৎকালীন জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত একটি বরাদ্দপত্র দিয়েছেন। রেখে দেওয়া ত্রাণসামগ্রীগুলো অনেকটাই খাবার অযোগ্য।
বগুড়ার ধুনট থেকে সদ্য বদলি হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলায় তাঁর শেষ কর্মদিবস ছিল। এদিন তাঁর সরকারি বাস ভবন থেকে করোনাকালীন ২০২১ সালের প্রধানমন্ত্রীর উপহারের’ ২২১ বস্তা ত্রাণসামগ্রী বেলা তিনটার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকনের হেফাজতে রাখেন, যা বর্তমানে খাবার অযোগ্য। এ বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনে সংবাদকর্মী ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ভিড় শুরু হয়।
এ বিষয়ে ইউএনও সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, ‘ত্রাণসামগ্রীগুলো গত তিন মাস আগে বরাদ্দ পেয়েছি। সেগুলো কিছু বিতরণ করা হয়েছে। আমার বদলির কারণে ত্রাণসামগ্রীগুলো উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান টি আই এম নুরুন্নবী তারিক বলেন, ‘ইউএনও সঞ্জয় কুমার মহন্ত সরকারি ত্রাণসামগ্রী অসৎ উদ্দেশ্যে বিতরণ না করে নষ্ট করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ইউএনওর বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানান তিনি।