বিজন ছায়ায় সুখ অসুখের বিজন বনে হারাতে হারাতে—— নৌকা এসে ভীড়লো তোমার খেয়া ঘাটে—— সুগন্ধ সঙ্গ পাবো দ্বিপ্রহরে—————— বিজন ছায়ায়———————– ভালোবাসায় ভালোবাসায় ।।
যদি অ্যালকোহলে চুমুক দিতাম যদি পারদ একটু চড়তো মুহুর্তগুলো অসমাপ্ত তাড়নার হাতে স্কচ কিংবা হুইস্কি তারপরও শব্দের গভীরতা শূন্যের খোঁজে পলকহীন চোখ একটু একটু নেশা...
কীভাবে বলতে হয় কিছু অশালীন ঐহিক ও পারলৌকিক যার দুটোই গেছে তার তীব্র কোনো অশালীন বোধ যন্তরের ষড়যন্ত্র বুকনি হয়ে ঘোরে ফেরে জুবুথুবু হয়ে আসা...
**** বিদ্ধ করবে তোমার **** আমার এই অশরীরি চোখ বিদ্ধ করবে তোমার————- করোনা আক্রান্ত ফুসফুস——————————– ফুসফুসের সব ভাইরাস গুলো বৈদ্যবটিকা হয়ে শুষে নিব আমি—– আবার...
একটা জীবন আঁকতে আঁকতে কখন যেন সন্ধ্যা নামে… তোমাকে আরো স্পষ্ট দেখা যায়… বলেছিলে’ ভালোবাসি ‘.. আমিও বোকার মত এক সমুদ্র বিশ্বাস ঢেলেছিলাম তাতে.. তবুও...
কতদিন ভেবেছি, অমলকান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল কেন? কে এই অমলকান্তি? ভাবনার চোরাস্রোতে অমলকান্তিদের ভেসে যেতে দেখতাম, মাঠে -ঘাটে -চলার পথে…….. একদিন হঠাৎ করে আয়নার সামনে...
আগুন ভালোবাসত আমার আপনার মত বেশ সুখী সুখী খুশি খুশি ভাব নিয়ে কাটাতে পারত রোজ জামাইবাবুর সুপারিশে চাকরি একটা জোটাও কঠিন কিছু নয় সু-নাগরিকের পুরস্কার...
তুমি যখন চুপ করে থাকো অসহ্য লাগে মনে হয় সব ভেঙ্গে ফেলি—— তুমি যখন চুপ করে থাকো——- কিছুই লাগেনা ভালো——- ভর দুপুরের উতপ্ত সূর্য্যটা স্নান—...
নীতা গভীর… তাই অসীম… খাঁজগুলো বন্য… অথচ জীবন্ত… মায়াবী চোখ… নিস্তার নেই.. হৃদয় প্রকোষ্ঠ পরিষ্কার.. প্রেম স্বচ্ছ- নির্মল.. বিষপুরুষ আমি… নীতা বিষকন্যা… মৃত ভালোবাসা আমাদের...
চোখের দৃষ্টি ভাল নয়, ঝাপসা, তিক্ত অভিজ্ঞতার পর্দা লাগানো! তবুও পথচলা, সন্তর্পণে পা ফেলা…. কত কিছু ভেসে ওঠে চোখের সামনে, মা যেন আজও হাত ধরে...