চল, ঘুমিয়ে পড়ি মানুষ ঘুমিয়ে আছে… দেশ ঘুমিয়ে আছে… চেতনা ঘুমিয়ে আছে… আর তুমি আমি একসঙ্গে ঘুমোলেই দোষ?
ঐ দিকে যেয়ো না, এসেছে শীতের দেশের রাণী, হিম বুড়ি , আসে হিমশীতল রাজ্যের সিমানা বড় করতে,শীত অস্ত্রধরি। আসে ছুটে ধুওয়া ঢাকা কুয়াশায়, শুভ্র আধাঁর...
অনুবাদ: বিলোক শর্মা, ডুয়ার্স, পশ্চিমবঙ্গ ভারত। ওরা/ চেহারাজুড়ে দম্ভ মাখিয়ে আসল ওদের দ্বারা আকাশ বওয়া ছিল না চিত্র হয়ে দেওয়ালে সেঁটে থাকতেও তারা পারেনি ফিরে...
ভুলে যাও, কে ডেকেছিলো তোমায়———– ভুলে যাও,কে পাশে রেখেছিলো তোমায়——– ভুলে যাও,কে সব ব্যাথা ভুলিয়েছিলো তোমায়——– ভুলে যাও,কে অসময়ে আশা জাগিয়ে ছিলো তোমায়——– ভুলে যাও,...
একটা মৃত্যুই তো… একটা মুহুর্ত… তার এত ভয়…. মাংস খেতে… পাঁঠার হত্যা আঁকতে… কিছু মনে পড়ে না? মৃত্যু পশুরও হয়… একটা যন্ত্রণা… কিম্বা মুরগীর… ছিন্ন...
বেণীমাধব বহুদিন ঘরছাড়া, ভুবনবাবু ঘর দখল নিয়েছেন – উনি যে পঞ্চায়েত প্রধান! কৃষ্ণকলি আজও ‘ঘর’ পায়নি, কবির কলমে কবিতা হয়েই আছে – তবে মাঝে মধ্যে...
বৃষ্টি নামেনি কোনো এক শহরে——— কোনো দিন ভেজেনি যে মাটি———– সেখানেও এক প্রজাতির বৃক্ষের জন্ম হয়—- উদভ্রান্ত পথিকের মতো—– মাঝেমধ্যে শীতল বাতাসের দোলায় —- দোলে...
শীতের রাতে বন্ধু হয়ে গেলাম – হিমেল হাওয়া নিয়ে, আমার কাছে এখন রোজ আসে! উষ্ণতা উঁকি দেয় নীরবতার গলা জড়িয়ে, কবিতাগুলো জানালার ধারে প্রহরীর বেশে...
কার সাথে আলো ছায়ায় চিত্রিত হব? কে দিয়েছিল প্রথম সর্বাঙ্গে ছিটিয়ে নীল রং? কে বলেছিল এসো হলুদ পাতার শোকে কাঁদি আবার। কে হাত বুলিয়েছিল অকাল...
ফিরে এসেছি তবে রেখে এসেছি ত্রিশ মিনিটের গল্প জানি রাজপুত্র কিংবা সাদা ঘোড়া কোনোটাই বাস্তব নয় তারপরও ইতিহাস বই বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি সময় চলে...