admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২০ ৩:১৬ অপরাহ্ণ
মুক্ত কলম বক্স অফিস সিঙ্গাপুরঃ আপডেটঃ সিঙ্গাপুরে গত ২১ এপ্রিল এ ক্র্যাঞ্জি লজ ১-এ একজন বিদেশী কর্মী কোভিড -১৯ এর আক্রান্ত পর এই সংক্রামণ বিস্তার রোধে কর্মী আবাসন গুলি বিচ্ছিন্ন এলাকা হিসাবে সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গেজেট ঘোষণা করেন। সিঙ্গাপুরে বৃহস্পতিবার (৩০,এপ্রিল) দুপুর ৩টা ১০ মিনিট অবধি ৫২৮ জন নতুন করে কভিড-১৯ এ আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে যা সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষণা অনুযায়ী মোট আক্রান্ত ১৬ হাজার ১৬৯ জন এ পৌঁছেছে।
নতুন নতুন আক্রান্তের ব্যক্তিরা বেশিরভাগ অংশ হলেন বিদেশি কর্মীদের আবাসনে বসবাসরত ওয়ার্ক পারমিটধারীরা, প্রাথমিক ভাবে স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানের তার দৈনিক আপডেটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (এমওএইচ) এ কথা বলেছে। জানা যায় ৬ জন আক্রান্ত ব্যক্তি সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দাদের।
সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেন আমরা সারাক্ষন আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করছি, এবং আরও আপডেট গুলি এমওএইচ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে যা আজ রাতে প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে বুধবার আইন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে শানমুগাম বলেছেন, কিছু লোক ইচ্ছাকৃত ভাবে বিদেশী কর্মীদের আবাসনগুলিতে ফেক ভিডিও গুলি ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে অহেতুক “উদ্বেগজনক ঝামেলা’র সৃষ্টি জন্য এই জাল ভিডিও গুলো দায়ী।
তিনি বলেন, এই ভিডিও গুলি আইন-শৃঙ্খলা জনিত মারাত্মক বিশৃঙ্খলার মত ঘটনা ঘটাতে পারে, তিনি আরও বলেন, কর্তৃপক্ষ ব্যক্তিরা এমন ভিডিও গুলি দেখছেন কারা এই ধরনের ফেক ভিডিও গুলি ছড়িয়ে দিয়ে ছিল এবং কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে তাদের চার্জ আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান।
তিনি তার মন্তব্যে জানান যে কয়েক হাজার বিদেশী কর্মী কভিড -১৯ এর আক্রান্ত হয়ে তাদের সংক্রামিত আবাসন স্থানে সংক্রামিত ছাড়তে না পারে সে বিষয় সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য বিভাগ সর্তকতা জারি করেছেন। কারণ প্রতিদিন বিদেশীকর্মী আবাসন গুলোতে সংক্রামিত বেশি হচ্ছে । সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই সব ফরেন কর্মীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে লক ডাউন জারি রেখেছেন এবং পৃথক পৃথক ভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন যেন নতুন করে কেউ সংক্রামিত না হয়।
মুক্ত কলম এর পক্ষ থেকে কয়েক জন বাংলাদেশি আবাসনে অবস্থানরত কর্মীদের সাথে ফোনে কথা বললে তারা জানায় সিঙ্গাপুর সরকার তাদের যথেষ্ট সহায্য সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। প্রতি চারদিন ৪ বার স্বাস্থ্য সম্মত পুষ্টিকর খাওয়ার পরিবেশন করছেন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা দিনে দুই বার শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষন করছেন আবাসন গুলিতে অস্থায়ী মেডিক্যাল টীম বসিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, আবাসন কর্মীদের জন্য ফ্রি- ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করেছে সিঙ্গাপুর সরকার।
তবে তারা অভিযোগ করে বলেন বাংলাদেশের এম্ব্রেসিডর কোন প্রকার প্রবাসীদের খোঁজ-খবর নেন না। প্রবাসীরা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রির কাছে জানতে চান এম্ব্রেসিডর সিঙ্গাপুরে থেকেও যদি প্রবাসীদের কোন কল্যাণেই না আসে তাহলে এই সব জঞ্জাল সিঙ্গাপুরে রাখা কি খুব জরুরী? সিঙ্গাপুর প্রবাসীরা রাগান্বিত হয়ে মুক্ত কলমকে আরও বলেন এম্ব্রেসিডর এর উপর খুব্ধ হয়ে — ভাষায় গালি-গালাজ করেন সেন্সর জনিত কারণে ভাষাগুলো অমিট করা হলো। তারা বলেন এম্ব্রেসিডর বসে বসে দেশের জনগণের কষ্টে অর্জিত লক্ষ লক্ষ টাকা ধ্বংস করে আরাম-আয়েস করে দিন কাটাচ্ছেন প্রবাসীদের যদি কোন কাজেই না আসে তাহলে আমাদের এম্ব্রেসিডর রেখে কি লাভ ?