হোম
নাগরিক ভাবনা

টকশো ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২০ ৫:৪১ অপরাহ্ণ

Ad.Abu-mohiuddin-korona-mknewsbd

ফাইল ছবি

নাগরিক ভাবনা, অ্যাডভোকট আবু মহী উদ্দীন: করোনা দুর্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি পন্থি ডাঃ শায়ন্ত বেশ তীর্যক এবং আক্রমনাত্মক কথা বলতে পারেন বলে তাকে টক শোতে ডাকা হয়। যেমন বলতেন বিএনপির এক এম পি পাপিয়া , টকশোতে কেবল ঝগড়া করতেন এখন করেন দলীয় দয়ায় কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত কুমিল্লার এক ভদ্রমহিলা এম,পি। তারা সরকারের ব্যর্থতা ছাড়া কিছু দেখতেই পায়না। আর তাঁদের সময় দুধের নহর বয়ে দিয়েছিল দেশে। ৬ এপ্রিল চ্যানেল আই এর টক শোতে ডাঃ শায়ন্ত সরকারের অনেক ব্যর্থতার কথা বললেন।কোন ক্ষেত্রে সফলতার লেশ মাত্র খুজে পেলেননা। আমার তুলনায় তার বয়স অনেক কম। তিনি বিএনপিকে দেখেছেন আমার চেয়ে অনেক সময়।

সেজন্য কথা বলেন বেশী। তিনি একজন ডাক্তার হিসাবে নিশ্চয় ড্যাবের সদস্য। তিনি যদি বলতে পারতেন এই সংকট মোকাবেলায় ড্যাব কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাহলে আমরা যেমন আশাবাদী হতাম তেমনি স্বাচিপ এর যে সকল ডাক্তার কাজ করছেন না শরমে হলেও তারা কাজ শুরু করতেন। তারা শুধু সরকারের দোষ খোজ করছেন। এই সংকটে বিএনপির সব ডাক্তার যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে বলতেন , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা ডাক্তার হলেও বিএনপির রাজনীতি করি। আমরা জাতির এই দুর্যোগে রাজনীতি থামালাম। মানুষ বাঁচলে পরে রাজনীতি করবো। আমরা কাজ করতে চাই আমাদের কাজে লাগান। এটা একটা দৃষ্টান্ত হতে পারতো। আমরা অসাধারণ (?) জ্ঞানী ব্যক্তিরা যাইই বুঝিনা কেন এই দুর্যোগে প্রথম সারির সৈনিক ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মী। তারা যতটা বেশী নিরপদ হবে , দেশের মানুষ ততটাই ভালো থাকবে। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে এবং সর্বোচ্য অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই নিয়ে বিতর্কের সামান্যতম সুযোগ নাই।

তিনি ডাক্তার হিসাবে তো এই পরামর্শ দিতে পারতেন যে , করোনা আর সাধারণ রোগের চিকিৎসা একই হাসপাতালে সম্ভব নয়। কারণ করোনা চিকিৎসার ডাক্তার গনের এবং স্বাস্থ্য কর্মীর আলাদা ব্যবস্থা , নিরাপত্তা দরকার। তিনি যদি এই পরামর্শ দিতেন যে করোনা চিকিৎসার জন্য ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মী নির্বাচন করে তাদের ট্রনিং করতে হবে। পিপিই ব্যবহার শেখাতে হবে। অনুশীলন করাতে হবে। তার পর তাদেরকে কয়েক ভাগে ভাগ করতে হবে। তাদের ১ম গ্রুপ করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত হবেন। ৭দিন চিকিৎসার পর তারা সবাই কোয়ারেন্টাইনে যাবেন। ২য় গ্রুপ সার্ভিস দেবে। ৭ দিন পরে তারা কোয়ারেন্টাইনে যাবে। ৩য় গ্রুপ সেবা দিবে । এরপর তারা কোয়ান্টোইনে যাবে। ইতোমধ্যে ১ম গ্রুপ্রের কোয়ারেন্টাইন শেষ হবে।

তারা আবার সেবায় যোগ দিবে। এভাবে করোনা চিকিৎসার পাইপ লাইন চালু রাখতে হবে। না হলে কোন কারণে সব ডাক্তার কোয়ারেন্টাইনে গেলে চিকিৎসা ব্যবস্থাই লক ডাউন হয়ে যাবে। আল্লাহ না করুন একজন স্বাস্থ্য কর্মী বা নার্স মৃত্যুবরণ করলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। এদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিতে হবে , সরকারী গাড়ীতে আনা নেওয়া হবে , তারা হেটেলে থাকবে ,সেখানেই খাবার খাবে অর্থাৎ তাদের জন্য খুবই সতর্ক এবং সর্বোচ্য নিরাপত্তা দিতে হবে। সব ডাক্তারের তো নিজশ্ব বাড়ী নাই। অনেক বাড়ীর মালিক ডাক্তারের পরিবারকে রাখতে চাইবেনা। তাদের বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের জন্য কত পরিমান পিপিই লাগবে , কত জাতের পিপিই লাগবে তা সরকরাহ নিশ্চিত করার আপ্রান চেষ্টা করতে হবে।

রিইউজেবল পিপিই তৈরি করা যায় কিনা সেটা আমাদের গার্মেন্টস চেষ্টা করে দেখতে পারে। এটা ঠিক যে যে বিশ্ববাসী বিশেষত: চায়না এখন পিপিই নিয়েও ব্যবসা করতে চাইবে। অভিজ্ঞতার কারণে তারা বলার চেষ্টা করবে তাদের তৈরি পিপিই ছাড়া ও কোন টা নিরাপদ নয়। এবিয়য়ে আমাদের বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবে। আবার কমিশন খাওয়ার লোকও যে পাওয়া যাবেনা ত নয় সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। প্রথম দিকে পিপিই এবং মাস্ক সরবরাহের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি জরুরী ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।

১৯ এপ্রিলের প্রথম আলোর শেষ পাতায় বিশাল বিজ্ঞাপন ছাপিয়েছে জেএমআই গ্রুপ। এর মালিক সিআইপি মর্যাদা প্রাপ্ত . ট্যাক্স দেয় ভ্যাট দেয় ইত্যাদি। কোম্পানির বিশালত্ব সম্পর্কে খুবই সাফাই গাওয়া হয়েছে। ২ নম্বরী এন ৯৫ মাস্ক ভুলক্রমে প্যাকেট হওয়ার কথা বলেছেন। সিল মারাতো ভুল ক্রমে হয়নি। আবার যে ভাবেই সিল মারা হোক ওটাতো এন ৯৫ হিসাবেই বাজারে বিক্রি হতো। নেহায়েত ২/১ জন ডাক্তার সাহেবরা বিষয়টা বুঝেছেন সে জন্য ধরা পড়েছে। ধরা না পড়লে কি হতো ? ধরা না পড়লে এন ৯৫ এর দাম শোধ করতো সরকার এর এটা যারা ব্যবহার করতে তারা থাকতো ঝুঁকিতে। ভাবতে অবাক লাগে যারা এটা সরবরাহ করছে তারাতো এটা ব্যাহার করতো না।

ব্যবহার করতো ডাক্তার আর স্বাস্থ্যকর্মীরা। এর সঙ্গে যেহেতু খুবই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের গন্ধ পাওয়ার যাচ্ছে সবচে বড়ো কথা অভিযোগ উঠেছে নিরপেক্ষ এবং উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্ত মাসের পর মাস হোক সেটা আমরা চাইনা। সবচে বড়ো কথা হলো রাঘব বোয়াল জাতীয় প্রতিষ্ঠানই এই সমস্ত প্রানঘাতি কাজ করার সাহস পাবে এবং অতীতে পেয়ে আসছে। যাহোত তদন্ত এবং আর ফলাফল জাতি জানতে আগ্রহী।

উত্থাপিত অভিযোগ সত্য হলে খুব জরুরী ব্যবস্থা নিতে হবে। আবার দেশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আমাদের টেষ্ট করার সুযোগ আছে কিন্তু সক্ষমতা সর্বোচ্য ব্যবহার করতে পারছিনা। এসব পরামর্শ আমার মতো অতি সাধারণ একজন নাগরিক বুঝতে পেরে ফেসবুকে লিখেছি। আর আপনারা তো বিশেষজ্ঞ। আপনারা এর চুলচেরা বিশ্লেষন করে পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এটা এমন নয় যে আমাদের মতো লেম্যান বা লেবার লাগালেই টেষ্ট যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে। অপারেটর তৈরি করতে হবে দ্রুততার সাথে তারা যেন দক্ষতার সাথে পরীক্ষা করতে পারে সে বিষয়ে নজর দেওয়া দরকার।

টেষ্টের পরিধি বাড়াতে হবে তাহলেই আমাদের অবস্থা বোঝা যাবে। তাড়াতাড়ি গোটা জাতিকে টেষ্টের আওতায় এনে পরীক্ষা শেষ করলে করোনা রোগীদের চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসা শুরু করা, বর্তমানে যে ভাবে চালু আছে। কেননা যে মানুষগুলো ভালো আছে সেই সব কর্মক্ষম মানুষকে কর্মযজ্ঞে ফিরে আনতে হবে। এমন সময়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা জটিল একটা ব্যপার। ব্যাংকগুলো খোলা আছে। এখানে জনসমাগম হচেছ । সেখানে একটা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।ব্যাং কর্তৃপক্ষকে এদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে , প্রয়োজনে উপকরণ দিতে হবে। আর একটা জটিল সমস্যার জায়গা কাঁচা বাজার। এখানে সাধারণ ভাবে দেখা যাবে মুল দোকানের ঘরটিকে ষ্টোর হিসাবে ব্যবহার করা হয় আবার মানুষ চলাচলের রাস্তাগুলোতে দোকানের ঝুড়িগুলো সাজিয়ে রেখে একেবারে রাস্তায় ই বন্ধ করা আছে ।

ইচ্ছা থাকলেও কেউ সোসাল ডিসটেন্সিং বজায় রাখা তার পক্ষে সম্ভব হবেনা। লকডাউন , সোসাল ডিসট্যান্সিং , পারসোনাল ডিসট্যান্স যাই বলিনা কেন দেশের মানুষকে সেভাবেই অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকার এক ঘোষণায় সকল সবজি বাজারগুলোকে ফাঁকা মাঠে এনেছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দুরদর্শী একজন নেতা। কখন প্রনোদানা , কখন বরাদ্দ , এমনকি হাওড় অঞ্চলে এখই মানুষ নিয়ে দিয়ে ধান কাটার ব্যবস্থা করা দরকার এবিষয়টাও তিনি ভাবেন। সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে ১ টা হিসাব দেওয়া হয়েছে দেশের ৬ কোটি মানুষকে ১ মাস খাওয়াতে কত টাকা লাগবে। সুতরাং ঘাবড়িয়ে যাওয়ার কিছু নাই। সরকারের সক্ষমতা আছে আর সরকার প্রধানের হিসাবতো আছেই। প্রধানমন্ত্রী বোঝেন কি করতে হবে। শুধু সঠিক পরিকল্পনা আর তার কঠোর বাস্তবায়ন।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭জন।
অপরাধ 2 hours আগে

অদৃশ্য ক্ষমতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
রংপুর 9 hours আগে

পঞ্চগড়ের বোদায় ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় স্টোল পরিদর্শন করেন পানি
রংপুর 9 hours আগে

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 1 day আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 1 day আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 1 day আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 1 day আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 2 days আগে

চিরিরবন্দরে বাসের ধাঁক্কায় আরএফএল কোম্পানির এস আর রাকিব নিহত।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

অন্ধকার নামতেই পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় কবর স্থানে শুরু হয়, লুটপাট, জুয়া
অপরাধ 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক