admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২০ ১:১৭ অপরাহ্ণ
সমঝোতার ভিত্তিতে মুক্তির আবেদন করলেও মুখ খুলছে না কোনো পক্ষ দিনক্ষণ চ‚ড়ান্ত না হলেও খুব শিগগিরই প্যারোলে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার মুক্তির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে আবেদন করেছে পরিবার। আবেদনের অনুলিপি দেয়া হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়েও। পর্দার আড়ালে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবেই এই আবেদন করা হয়েছে বলে আভাস পাওয়া গেছে। তবে এ নিয়ে লুকোচুরি করছে সরকার ও বিএনপি। এমনকি খালেদা জিয়ার পরিবারও এ নিয়ে মন্তব্য করছে না। সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় যে কোনো মূল্যে তাকে মুক্ত করতে চায় তার পরিবার। এ কারণেই অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম এস্কান্দার সম্প্রতি ওই আবেদন করেছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে চান। তবে এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপির বেশির ভাগ নেতা। আবার কেউ জানলেও স্বীকার করছেন না। কোনো কোনো নেতা বলছেন, এটা পরিবার এবং দলের মহাসচিব ভালো বলতে পারবেন।
খালেদার মুক্তি প্রক্রিয়া শুরু হয় গত মাসের মাঝামাঝিতে। এর অংশ হিসেবে গত ১১ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার সর্বাধুনিক সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বোনকে বিদেশ পাঠাতে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ চেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন। এমনকি খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সুপারিশ করতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোনও করেছেন। এ পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার প্যারোল সমঝোতা বেশ খানিকটা এগিয়েছে তার প্রমাণ মিলছে তার পরিবারের সদস্যদের দৌড়ঝাঁপে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল
ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন হাইকোট খারিজ করে দেয়ার পরে পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তির আবেদনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ব্যাপারে গত ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তার বোন সেলিমা রহমান জানিয়েছিলেন, শ্বাসকষ্টের কারণে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না খালেদা। এরপরেই মুক্তির আবেদনের সিদ্ধান্ত নেন তারা। সূত্র জানায়, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়েই প্যারোল পাচ্ছেন খালেদা জিয়া। এই প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া বিদেশে যাওয়ার পর দলে কী প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে এ বিষয়ে কিছু বলতে নারাজ খালেদা জিয়ার ভাই শামীম এস্কান্দার।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে বেশি কিছু জানানো হচ্ছে না। জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার পরিবার আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। আমরা ওই আবেদন এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। তারাই দেখবে বিষয়টি নিয়ে কী করা যায়। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী চায় তার ওপর ভিত্তি করে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দেবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসার জন্য মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা কিছুই জানি না। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, শর্তসাপেক্ষ কোনো বিষয়ে জানা নেই। তাছাড়া প্যারোল কেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এমনিতেই জামিন হবে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) ধারা অনুযায়ী, সাজা স্থগিতের আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, মানবিক কারণে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি, সরকার অবশ্যই বিবেচনা করবে। তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিবেচনা করে এটা আরো আগে করা উচিত ছিল। ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন হাইকোট খারিজ করে দেয়ার পরে পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তির আবেদনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ব্যাপারে গত ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তার বোন সেলিমা রহমান জানিয়েছিলেন, শ্বাসকষ্টের কারণে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না খালেদা। এরপরেই মুক্তির আবেদনের সিদ্ধান্ত নেন তারা। সূত্র জানায়, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়েই প্যারোল পাচ্ছেন খালেদা জিয়া। এই প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া বিদেশে যাওয়ার পর দলে কী প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে এ বিষয়ে কিছু বলতে নারাজ খালেদা জিয়ার ভাই শামীম এস্কান্দার।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে বেশি কিছু জানানো হচ্ছে না। জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার পরিবার আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। আমরা ওই আবেদন এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। তারাই দেখবে বিষয়টি নিয়ে কী করা যায়। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী চায় তার ওপর ভিত্তি করে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দেবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসার জন্য মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা কিছুই জানি না। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, শর্তসাপেক্ষ কোনো বিষয়ে জানা নেই। তাছাড়া প্যারোল কেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এমনিতেই জামিন হবে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) ধারা অনুযায়ী, সাজা স্থগিতের আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, মানবিক কারণে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি, সরকার অবশ্যই বিবেচনা করবে। তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিবেচনা করে এটা আরো আগে করা উচিত ছিল।