হোম
আন্তর্জাতিক

গ্রিনকার্ডধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে

হাকিকুল ইসলাম || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১২ জুলাই, ২০২৫ ৩:১২ অপরাহ্ণ

ফাইল ছবি

গ্রিনকার্ড নেওয়ার পর অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত থাকেন না। তারা এ দেশে বছরে এক-দুবার এসে ইন্স্যুরেন্স সুবিধাসহ সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নেন। তারা বছরে এক-দুবার এসে যে চিকিৎসা নেন, তাতে সরকারের অনেক খরচ হয়। কিন্তু তারা এ দেশে থেকে কাজ করলে সেখান থেকে অর্থ আয় হতো এবং তারা কর দিতেন।

এতে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ত। তারা সরকারকে তো কর দিচ্ছেনই না, উল্টো বছরে এক-দুই মাস থেকে অস্থায়ী কাজ করেছেন বলে কেউ কেউ দেখান। সেটিও তারা করেন কেবল সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য। এ ধরনের মানুষের পেছনে সিটি, স্টেট ও সরকারকে বিরাট অঙ্কের অর্থ খরচ করতে হয়।

এদিকে কেউ কেউ আছেন, বাবা-মা ও সন্তান সবাই গ্রিনকার্ডধারী হলেও বাবা-মা এ দেশে থাকেন না। তারা নিজ দেশে থাকেন আর সন্তানদের এ দেশে লেখাপড়া করান। আর বাবা-মা বছরে একবার আসেন। যেসব গ্রিনকার্ডধারী এমনটা করছেন, তারা আর সেই সুযোগ পাচ্ছেন না। এখন থেকে গ্রিনকার্ডধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে।

সূত্র জানায়, কোনো গ্রিনকার্ডধারী যদি এই দেশে না থাকেন এবং বছরে এক-দুবার আসেন, তারা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে পারেন। গ্রিনকার্ডধারীরা যদি এ দেশে থাকার প্রমাণ দিতে না পারেন, তাহলে তারা বিপদে পড়তে পারেন। ৫ জুলাইয়ের পর থেকে গ্রিনকার্ডধারীরা বেশি দিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকলে তারা বিমানবন্দরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে পারেন। সেখানে তার কাছে জানতে চাওয়া হতে পারে তিনি কোথায় থাকেন, কী করেন, কীভাবে তার জীবনযাপন চলে। তিনি যে এ দেশের স্থায়ী বাসিন্দা, এর প্রমাণ আছে কি না।

থাকলে কী ধরনের প্রমাণ আছে। ব্যাংক হিসাব আছে কি না? বাসাবাড়ি আছে কি না। নিজস্ব বাসাবাড়ি না থাকলে লিজ আছে কি না? লিজ থাকলে তার মেয়াদ আছে কি না? তার নামে কোনো ইউটিলিটি বিল আছে কি না, থাকলে তা কী? ট্যাক্স ফাইল করেন কি না, করলে কর দেন কি না, না দিলে কেন দেন না। তার কি পর্যাপ্ত ইনকাম নেই, ইনকামের কি ব্যবস্থা আছেÑএ ধরনের সবকিছুুর প্রমাণ চাওয়া হতে পারে। তিনি অন্য দেশে থাকলে তার অন্য দেশে কর্মসংস্থান ও ইনকামের বিষয়গুলোও দেখা হতে পারে।

এ কারণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এ দেশের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা বা গ্রিনকার্ডধারী, তাদের যদি অন্য দেশে থাকার উপযুক্ত কারণ বা প্রমাণ না থাকে, তাহলে তাদের উচিত এই দেশেই থাকা। যারা এ দেশে এখনো নিয়মিত থাকছেন না, তাদেরকে চিন্তা করতে হবে, যাতে করে তারা আগামীতে যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কেউ যদি মনে করেন, তিনি এ দেশে থাকবেন না, তাহলে তিনি স্বেচ্ছায় তার গ্রিনকার্ড সারেন্ডার করতে পারেন। পরে তিনি এ দেশে কোনো কারণে আসার প্রয়োজন হলে ভিজিট ভিসায় আসা-যাওয়া করতে পারবেন। যারা সারেন্ডার করতে চান না, তারা এ দেশে নিয়মিত থাকতে পারেন। এরপর সিটিজেন হলে তিনি যেকোনো দেশে থাকতে পারবেন। সিটিজেনরা বিশ্বের যেকোনো দেশে তার প্রয়োজনে থাকতে পারেন।

তারা আরও বলেছেন, দিন যত যাচ্ছে এসব ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরও বাড়বে। তাই কেউ বিমানবন্দর দিয়ে আসা-যাওয়া করলে তিনি এ দেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক, কোথায় থাকেন, তার বাড়ির ঠিকানা সংবলিত আইডি কার্ড, কোনো বিল থাকলে সেই বিলের কপি, ব্যাংক হিসাবের নথিপত্র, ট্যাক্স ফাইলের ছবি মোবাইলে রাখতে পারেন। আর কারও যদি মনে হয় তার মোবাইলে চার্জ নাও থাকতে পারে, তাহলে তারা অবশ্যই ফটোকপি কিংবা প্রিন্ট কপি রাখতে পারেন, যাতে প্রমাণ দেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা সেটি দিতে পারেন।

ফেসবুক মন্তব্য

মতামত জানান :

সর্বশেষ খবর

কুড়িগ্রামের দলদলিয়া নাগরিক ফোরামের ৭ম বর্ষে পদার্পণ,আলোচনা সভা ও দোয়া
ধর্ম ও ইসলাম 10 hours আগে

সিরাজগঞ্জে চরমপন্থীদের তথ্যেই মিলল অস্ত্রভান্ডার ১০৩ আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড
আইন-বিচার 11 hours আগে

সাভারে পঞ্চম দিনেও শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ,বিজিবি মোতায়েন।
ঢাকা 21 hours আগে

পঞ্চগড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি দখলের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।
আইন-বিচার 1 day আগে

দিনাজপুরের বিরলে এক ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদ আটক।
আইন-বিচার 2 days আগে

সান্তাহারে বিসমিল্লাহ হোটেলের মুরগির চাপ ও গ্রিল খেয়ে পাঁচজন হাসপাতালে।
দুর্ঘটনা 2 days আগে

আইন-বিচার 2 days আগে

বগুড়ার তিন এলএসডিতে অর্ধকোটি টাকার সরকারি চাল ব্যবসায়ীর গুদামে।
আইন-বিচার 2 days আগে

পঞ্চগড়ে ধর্ষণের পর তরুণী হত্যা,আদালতের রায়ে রিফাতের ফাঁসি আদেশ।
অপরাধ 2 days আগে

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর শাহ আরেফিন মাজার নিয়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি প্রশাসন
আইন-বিচার 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক