admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১১:২৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বজিত সরকার রনি, স্টাফ রিপোর্টারঃ ঠাকুরগাঁওয়ের সেলিম রেজা গ্রুপের মাদারগঞ্জ (কচু বাড়ি বোর্ড অফিস) আউলিয়াপুর ঠাকুরগাঁও শাহী হিমাগার-৬ এ সন্ত্রাসী হামলায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানাজায় শাহী হিমাগার এ ১২ ফেব্রুয়ারী মাগরীবের নামাজের সময় আনুমানিক ৬ টার দিকে অত্র এলাকার মদদদাতার ইন্ধনে কিছু সুবিধাবাদী সন্ত্রসী দেশীয় অস্ত্র লাঠি সোটা নিয়ে প্রধান ফটক ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে অতরকিত হামলায় চালায় কাঁচের দরজা, জানালা, সিসি টিভি ক্যামেরা, ওজু খানার বিপকল, পানির সাপ্লাই লাইন, বাল্ব, মেসিন, বাথরুমের দরজা ফিটিংসসহ ভাংচুর করে। সিসি টিভি ক্যামেরা ফুটেজ থেকে দেখা যায় সেখানে কোন আলু ব্যবসায়ী ছিলো বলে মনে হয় নাই। স্থানীয় যুবকদের ভাংচুর করতে দেখা যায় বলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানান।
এবং অত্র প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের মারধর করে। নাইড গার্ড নুরুজামান মুক্ত কলম প্রতিনিধিকে জানান বুঝে উঠার আগেই ভাংচুর শুরু করে। তখন ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পোঁছালে সন্ত্রসীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা ধারণা করছে আলু ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক মন্নাফ এদের উস্কানীতে অত্র প্রতিষ্ঠানে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।এছাড়াও ঘটনার সাথে জড়িত আছে। নিম্নে তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হইল এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১) মোঃ নুরুল হুদা (স্বপন)-নিশ্চিন্তপুর, ঠাকুরগাঁও।
২) মোঃ রমজান আলী- হাজির মোড়, ঠাকুরগাঁও।
৩) আব্দুস সাত্তার-ভাতগাও, আউলিয়াপুর, ঠাকুরগাঁও।
৪) মোঃ হাসিবুল ইসলাম- গোয়ালপাড়া, ঠাকুরগাঁও।
৫) ইসমাইল হোসেন বাবু- কচুবাড়ি, বোর্ড অফিস, ঠাকুরগাঁও।
৬) হাফিজুর রহমান- সিংপাড়া,সালান্দর, ঠাকুরগাঁও।
৭) মামুন ইসলাম- মাদারগঞ্জ, আউলিয়াপুর, ঠাকুরগাঁও।
৮) স্ববাবু- ঢোলার হাট, রুহিয়া, ঠাকুরগাঁও।
৯) জাহিদ- ঢোলারহাট, রুহিয়া, ঠাকুরগাঁও।

সেলিম রেজা গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল আরমান জানান অত্র এলাকায় কৃষকের সুবিধার জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি করেছি। এক প্রশ্নে তিনি জানান ২০১৯ সাল থেকে এই এলাকায় সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছি, কি বলবো এটা আমার বোধগম্য নয় এটি একটি পরিকল্পিত সন্ত্রসী হামলা বলে আমি মনে করছি। জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই সন্ত্রসী হামলার সাথে জড়িতদের সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনের আশ্রয় আনবে। তিনি জানান ক্ষয়ক্ষতি পরিমান নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। পর্বতীতে বিস্তারিত জানাতে পারবো। তবে তাঁরা ব্যপক ভাংচুর করেছে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খাইরুল ইসলামকে অত্র প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলার প্রশ্নের উত্তরে মুক্ত কলম প্রতিনিধিকে তিনি জানান যেহেতু এটি ব্যক্তি মালিকানা প্রতিষ্ঠান অন্যব্যক্তি ইচ্ছে মত হামলা করতে পারে না, এর আইনগত একতিয়ার কারো নাই। অত্র এলাকায় এটি ফোজদারী অপরাধ ক্রিমিন্যাল অফেন্স অপরাধ এটি বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। যদি হিমাগারের মালিক কর্তিপক্ষ মামলা করেন তাহলে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি এও জানান জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরে জমিনে এসেছি প্রকৃত ঘটনা জানতে এসেছি। আইনশৃঙ্খলার অবনতি কেন ঘটতেছে সে বিষয় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান অত্র এলাকায় অনেকগুলো ফরিয়া/ সিন্ডিকেট আছে যেমন কৃষকের, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট আছে তাঁরা বিগত সময় তাঁরা আলুর দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা দাম উঠাতে এরা জড়িত ছিলো, একি আলু ঠাকুরগাঁও কালীবাজারে দাম দেখা গেছে প্রতিকেজি ৭০ টাকা আড়দে প্রতি কেজি ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা রাস্তার ধারে ৪৫ টাকা বেড়ে যায় এই যে মুহুর্ত্বের মধ্য পরিবর্তন এই যে সিন্ডিকেট কুচক্রি মহল এই সব ঘটনার পিছে এরা জড়িত থাকে। এই বছরের শুরুতেই এমনটি আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছে এই পিছনে ইন্ধনদাতাকে আমরা তাঁদের খুজেবের করবো এবং আইনের আওতায় আনবো বলে তিনি জানান।