হোম
নাগরিক ভাবনা

নাগরিক ভাবনা: তাহলে নির্বাচন ঠেকলোনা,আবু মহী উদ্দীন 

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৪ ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

নাগরিক ভাবনা,আবু মহী উদ্দীন: আমরা যারা কোন এক কালে স্কাউট আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলাম , তাদের অনেকে এই প্রোগ্রামের ভালো দিকগুলো অনুধাবন করে এই সংগঠনকে খুব বেশী ভালো বেসেছিলাম। এটা সঠিক হয়নি পরে বুঝেছি। এই প্রোগ্রামে অবস্থানগত দিক এবং সুযোগ, ক্ষমতা, গুরুত্বপুর্ণ বিষয়।
আমি কাউন্সিলার নই,আগামী কালের ভোটে আমার সামান্যতম ভুমিকা রাখার সুযোগ নাই। অনেক ভক্ত অনুসারী আছে তাদেরকে হয়তো কোন বিষয় বলতে পারি। কিন্তু বিষয়টি গ্রহণ করা বা না করা একান্তই তার ব্যপার। আমরা যারা তৃনমুলের কর্মী তারা চাইনি ব্যালট পেপারে নির্বাচন হোক। এতে সুবিধার চেয়ে সমস্যাই বেশি। নির্বাচনের ভালো দিক হলো গনতন্ত্র বিকশিত হয়। ধারনা বিনিময় করার সুযোগ হয়। খুবই নগন্য পর্যায়ের  ভোটাররা সম্মানিত হন। কমপক্ষে ইসতেহার ঘোষনার চল শুরু হয়েছে। যদিও তা পরবর্তীতে মানার কোন বাধ্যবাধকতা নাই। নির্বাচনে যারা মোনাফেক নয়, তারা প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়ে থাকেন। আর যারা ছাতা ধরতে দক্ষ তারা হাওয়া বোঝার চেষ্টা করেন। এরা উভয়পক্ষ এবং আখেরে বিজয়ী পক্ষ হয়ে যান। তারা সবার আগে ফুলের  মালা নিয়ে হাজির হয়ে যান।
এবং নির্বাচনে কত প্রেসারের মধ্যে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন , কতটা চাপের মুখে তিনি ছিলেন এই সব বিষয় বিজয়ীদের সবিস্তারে বর্ননা করেন । সমস্যা হলো, এরা প্রয়োজনে জার্সি বদল করেন, বিজয়ীরা আবার সেটা বোঝেননা। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আমি পক্ষ নিয়ে ছিলাম,বিপক্ষ প্রার্থী আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। আমি অস্বীকার করিনি। তিনি একটা বিষয়ে আমার কাছ থেকে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার কথা বলেছিলেন আমি তা করতে স্বীকার করেছি এবং তা যথাযথ পালন করেছি।
তিনি যথেষ্ট ক্ষমতাশালী হলেও আমাকে সামান্যতম  অসম্মানিত করেননি।তবে বসংবদদের কারণে আমাকে এর জন্য চরম মাসুল দিতে হয়েছে। দ্বিচারী ভুমিকায় থাকার যথেষ্ট সুযোগ ছিল। এটা আমার নীতির বিরোধী সেটা সব সময়ই। জীবনের গোধুলী লগ্নে অনুধাবন করেছি , কাজটা যুগোপযোগী করিনি।
যাহোক,কাল নির্বাচন। এই নির্বাচনে অনেক সমীকরণ কাজ করতে পারে। তা হলো কার কি ক্ষমতা,দক্ষতা , পারদর্শীতা,প্রভাব প্রতিপত্তি, কে ট্যুরে  গেলে সার্কিট হাউস পাবে, কে পাবেনা, কে ট্যুরে আসলে ডিসি সাহেবরা দাঁড়িয়ে থাকবে, কে আসলে ইউএনও সাহেবরাও আসবেনা এই সব স্থুল বিষয় ভোটারদের বলা হবে। কে দ্বায়িত্ব নিলে বাংলাদেশ স্কাউটস আর্থিকভাবে লাভবান হবে, সংগঠনের মর্যাদা বাড়বে, এটা ভাববেন কাউন্সিলাররা। যদিও  ইতোমধ্যে আর্থিক অভিযোগের কথা শুনেছি, অকাট্য দলিল না থাকলে এ বিষয়ে কিছু না বলাই ভালো।
নির্বাচনের অনেকগুলো খারাপ দিক আছে। প্রথমত: বাংলাদেশে স্কাউটস এর পেশাদার কর্মকর্তারা বিভিন্ন জনের সমর্থক বনে যান। বিভিন্ন কারণে তারা নিরপেক্ষ থাকতে পারেননা। যেমন, এর মধ্যে কেউ মতলব বাজ ,কেউ মনে করেন তিনি চাকুরীতে যোগ্য মর্যাদা পাননি , কেউ মনে করেন, পরবর্তীতে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে হবে,এসব বিষয় বিবেচনায় তারা পক্ষ নেয়। এ বিষয়টা সর্বাত্মকভাবে সংগঠনের ক্ষতির কারণ। আবার কেউ নিরপেক্ষ থাকার কারণেও ক্ষতিগ্রস্থ হন। সে জন্য পেশাদার কর্মকর্তাদের ভোটাধিকার না থাকাই ভালো, এতে পেশাদাররা অনেক অসুবিধা থেকে নিজেদের সুরক্ষা দিতে পারবে।
দ্বিতীয়ত: সাপোর্টাররা মিথ্যা , অতিরঞ্জিত তথ্য সরবরাহ করেন। সমর্থন করতে গিয়ে দলকানা হয়ে যায়। তারা ভোটারদের কাছে এই ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেন তা হলো, তার সমর্থনের প্রার্থীর মত সৎ নির্লোভ, কর্মতৎপর ব্যক্তি ইতোপুর্বে স্কাউটিং খুঁজেই পায়নি। আর তিনি যাদের বিপক্ষ দল, তাদের মতো খারাপ লোক স্কাউটিংয়ে কিভাবে এসেছে এটাই তাকে বিস্মিত করে। এরা স্কাউটের বারোটা বাজিয়েছে। এদের হাত থেকে এই সংগঠনকে বাঁচানো খুব জরুরী।তারা এমন সব গোপনীয় তথ্য সরবরাহ করেন, কর্মকর্তাদের ব্যক্তিচরিত্রও আক্রমন করেন। বিষয়টা যতই অনাকাংখিত হোকনা কেন তা বাধ্য হয়ে শুনতে হয়। তৃতীয়ত: এই সব যোগ্য (?) লোকেরাই সংগঠন পরিচালনা করছেন দীর্ঘদিন। আর এই সংগঠনে যে কেউ কিয়ামত পর্যন্ত দ্বায়িত্বে থাকতে পারবেন। সেই ব্যবস্থা গঠণতন্ত্রে করা আছে, এবং সে সবের জন্য নির্বাচন করতে হবেনা। একজন সদস্য নিরচ্ছিন্নভাবে ১৮০ বছর আবার ১৮০ বছর এভাবে অনন্ত কাল ধরে ১৮০ বছর করে দ্বায়িত্ব পালন করতে পারেন। অনেক গোপন খবর তা সত্য হোক বা মিথ্যা হোক নির্বাচনের কারণে আমরা জেনেছি। এটা আমরা জানতে চাইনি। পক্ষে টানতে জানতে বাধ্য করা হয়েছে।
যারা প্রতিদন্দিতা করছেন তারা সবাই ডাক সাইটে। তাঁরা দক্ষতা, যোগ্যতা, ক্ষমতা, পদ পদবী কিছুতেই- কম না। এরা সবাই সংগঠনে থাকলে আমরা কি-যে উপকৃত হতাম। নির্বাচন হলে তা তো হবেনা। এক দলকে ব্যালটের মাধ্যমে বাদ দিতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুরুত্বপুর্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হবে। এটা কাম্য না হলেও ঘটবে। আমরা যারা লেখালেখি করি, লেখা পড়লে পাঠক পক্ষ খুজে বের করতেই পারেন। এই সব লেখায় কাউন্সিলারদের কিছু যায় আসেনা। কেননা তারা যথেষ্ঠ মেধাবী। সংগঠন পরিচালনার জন্য নেতা নির্বাচন করতে হবে তাদেরকেই। তারা যা করবেন সেটাই সঠিক। ডাকসাইটে কর্মকর্তারা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে সেবা দিতে চান। তারাতো বেতন দাবী করবেননা। বিনা বেতনে স্বেচ্ছাসেবা দেওয়ার লোক এই জামানায় পাওয়া খুবই দু:সাধ্য। যারা সেবা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাদের মধ্যে বেটার নের্তৃত্ব নির্বাচন করা দ্বায়িত্ব কাউন্সিলারগণের, সকল বিবেচনা তাদের জন্য।
নির্বাচনের অনেকগুলো নেতিবাচক বিষয় উল্লেখ করলাম। এ সবই আমার নিজশ^ মতামত। তার পরেও নির্বাচন গণতান্ত্রিক চর্চার বিষয়। কতই না ভালো হতো নির্বাহী কমিটির সকল পদে যদি নির্বাচন হতো, তাহলো আরো যোগ্যতর এবং স্বেচ্ছাসেবী নেতা পাওয়া যেতো। যারা সংগঠনকে আরো সমৃদ্ধ করতো। হয়তো ভবিষ্যতে তাই হবে। যারা নির্বাচিত হবেন, ভবিষ্যতে তাদের উপরই নির্ভর করবে বিষয়গুলো। একই সঙ্গে সংগঠনের অরাজনৈতিক চরিত্রটাও সংরক্ষণ করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

এই রকম আরও টপিক

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে মতবিনিময় সভা।
আইন-বিচার 9 hours আগে

সুনামগঞ্জে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া।
রাজনীতি 11 hours আগে

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ইউনিয়ন সমাজকর্মী সড়ক দূর্ঘটনার নিহত।
দুর্ঘটনা 14 hours আগে

ঝিনাইদহে জোরপূর্বক জমি দখল ও সীমানা প্রাচীল ভাঙ্গার অভিযোগ।
অপরাধ 1 day আগে

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মুদির দোকানে মালামাল আগুন পুড়ে ছাই।
দুর্ঘটনা 1 day আগে

সিঙ্গাপুরের উডল্যান্ডে চার ঘণ্টার অভিযানে ১১ জন বাংলাদেশি, ১জন মিয়ানমারের
আন্তর্জাতিক 1 day আগে

পঞ্চগড়ে মুক্ত দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি আলোচনা সভা।
সারা বাংলা 1 day আগে

ইন্দোনেশিয়ার বামন রাজ্য ফ্লোরেসঃগুরুত্বপূর্ণ তর্থ্য
আন্তর্জাতিক 2 days আগে

কম বয়সে চুল পাকার কারণ কী,এটা কি ঠেকানো সম্ভব?
স্বাস্থ্য 2 days আগে

ধানমন্ডি এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালিত।
স্বাস্থ্য 2 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক দিনাজপুরে অনলাইনে মোবাইলের মাধ্যমে ক্যাসিনো জুয়া পরিচালনাকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের উপস্থিতিতে যাদুকাটা নদীতে চলে পাড় কাটার মহোৎসব এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ি-ঘর ভাংচুরসহ আহত-১৫ ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিওর কর্মী সম্মেলন ও শ্রেষ্ঠ কর্মী সম্মাননা। দিনাজপুরের বিরলের ঢেড়া পাটিয়ায় ব্যবসায়ী খুনের আটক ২ পলাতক ১ নওগাঁ–২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা।