admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট, ২০২৩ ৬:৩০ অপরাহ্ণ
মিরু হাসান, ষ্টাফ রিপোর্টার: মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করা একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। চক্রটি গত ১৬ বছরে অন্তত ১০ বার মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে।
কোচিং সেন্টারের আড়ালে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ চিকিৎসকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সম্প্রতি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী।
গ্রেপ্তার সাত চিকিৎসক হলেন ময়েজ উদ্দিন আহমেদ (৫০), সোহেলী জামান (৪০), মোহাম্মদ আবু রায়হান, জেড এম সালেহীন শোভন (৪৮), মো. জোবায়দুর রহমান জনি (৩৮), জিল্লুর হাসান রনি (৩৭) ও ইমরুল কায়েস হিমেল (৩২)। অন্যরা হলেন জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মুক্তার (৬৮), রওশন আলী হিমু (৪৫), আখতারুজ্জামান তুষার (৪৩), জহির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি (৪৫) ও আব্দুল কুদ্দুস সরকার (৬৩)।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৯টি মোবাইল ফোন, ৪টি ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই, ব্যাংক কার্ড, ভর্তির অ্যাডমিট কার্ড, নগদ ২ লাখ ১১ হাজার টাকা, থাইল্যান্ডের মুদ্রা ১৫ হাজার ১০০ বাথ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ৩০ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও বরিশালে অভিযান চালিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার টিম।
গ্রেপ্তাররা হলেন ডা. ময়েজ উদ্দিন আহমেদ প্রধান, ডা. সোহেলী জামান, ডা. আবু রায়হান, ডা. জেড এম সালেহীন শোভন, ডা. জোবাইদুর রহমান জনি, ডা. জিল্লুর হাসান রনি, ডা. ইমরুল কায়েস হিমেল, জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মুক্তার, রওশন আলী হিমু, আক্তারুজ্জামান তুষার, জহির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী ও আবদুল কুদ্দুস সরকার।
খবরে সিআইডির প্রধান মোহাম্মদ আলী বলেন, ২০২০ সালের একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে প্রশ্নফাঁস চক্রটির অন্তত ৮০ জন সক্রিয় সদস্যের তথ্য পাওয়া যায়। তারা ২০০১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ১৬ বছরে অন্তত ১০ বার প্রশ্নফাঁস করেছেন। গ্রেপ্তার ১২ জনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।