admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৩ ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বাজারগুলিতে কোন পণ্যের সরবরাহের ঘাটতি নেই, তবু কমছে না পণ্যের দাম। উর্দ্ধমুখী মসলা, কাঁচা মরিচ,আদা, জিরা,পোলাও চালসহ অনান্য নিত্য পন্যের দাম। হঠাৎ করেই বেড়েছে কাঁচা মরিচ ও আদার দাম।
আবার গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। এতে করে বিপকে পড়েছে ক্রেতারা। আর কেন এত পন্যের দাম,কারণ বলতে পারছে না কোন বিক্রেতাই। দীর্ঘদিন ধরে নেই বাজারে কোন মনিটরিং ব্যবস্থা।
সরজমিনে উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, হঠাৎ করে বাজারে কাঁচা মরিচ ২০০/২২০ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে যে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজিতে। সান্তাহার বাজারে একজন বিক্রেতা জানান, কাঁচা মরিচের আমদানি কম। বছরের এই সময় বর্ষায় গাছ মরে যায়। নতুন গাছের মরিচ বাজারে এলে দাম কমবে। গত সপ্তাহের ২৬০ টাকা আদা আজ বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৪০ টাকায় কেজি প্রতি। যদিও বাজারে আদার কোন ঘাটতি নেই। বাজারে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্যাকেটজাত পোলাও চালের দাম। এক সপ্তাহের আগে কেজি প্রতি ১৫০ টাকার এই পণ্যে বর্তমানে বেড়ে গিয়ে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায়।
আর খোলা পোলাওয়ের চাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১৩০ টাকায়। প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৮৩০ টাকা থেকে ৮৪০ টাকায়। এলাচ কেজি প্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকায়। শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায়। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজিতে। গত সপ্তাহের ১৩০ টাকা চিনি কেজিতে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়।
সান্তাহার বাজারে একজন স্কুল শিক্ষক আসাদ আলী জানান, আমাদের বেতন বৃদ্ধি বা মহার্ঘ ভাতা হয়নি। সামনে ঈদ। আমাদের ঈদ বোনাসও বৃদ্ধি হয়নি। কিন্তু বাজারে এলেই তো বিপদে পড়তে হয়। দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের বাজারের ফর্দ কাটছাট করতে হচ্ছে আগের তুলনায়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়া কার্যালয়ের পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভি
জানান, জনবল সংকটের কারণে বগুড়া জেলার সব বাজারে আমাদের মনিটরিং করা সম্ভভ হচ্ছে না।তবে কেউ পণ্যের অধিক মুল্যের বিষয়ে অভিযোগ জানালে আমরা তা তদন্ত করে দেখবো।