admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ, ২০২৩ ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
কামরুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার চট্রগ্রামঃ লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড পহরচান্দা ছোট ধলিবিলা(হাসনা ভিটা) পাহাড়ী এলাকায় শালির সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে বলি হলেন মনছুর। বিস্তারিত জানতে গিয়ে জানাযায় মনচুর আলম লেদু (২৬)পিতা-ফয়েজ আহমেদ বাড়ি পহর চান্দা নামের এক প্রবাসীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
তার পিতার নাম ফয়েজ আহমদ সে পহরচান্দা নয়া পাপড়া এলাকার বাসিন্দা। ১৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মুনছুরের লাশ পাওয়া যায় শাশুড় বাড়ির পাশে গর্ত খুঁড়ে। বিষয়টি লোহাগাড়া থানার এসআই শরীফুল ইসলাম পিপিএম নিশ্চিত করেছেন।
গত ১ মার্চ প্রবাসী মনছুর নিঁখোজ হলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে নিঁখোজ ডায়েরী দায়ের করা হয়। কিন্তু অবশেষে ১৪ দিন পর শাশুড় বাড়ির পাশ থেকে মুনছুরের লাশ উদ্ধার এই বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণের বক্তব্যে জানাযায় ডুবাই পবাসি মুনছুরের সাথে তার শালি রোমান আক্তারের সাথে পরকিয়া সম্পর্ক ছিল এই নিয়ে কয়েক বার বিচার শালিস ও হয়েছে এর পর ডুবাই চলে গিয়েছিল মুনছুর কিছু দিন পূর্বে ডুবাই থেকে দেশে পিরে এসেছে। এসে ১লা মার্চ বন্ধুর বাড়ি যাবে বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে বাড়ি না যাওয়ার কারণে বাড়ি থেকে লোহাগাড়া থানায় মুনছুরের বড় বোন বুল বুল আক্তার বাদি হয়ে একটি অপহরণ মামলা করলে থানা প্রশাসন মুনছুরের মোবাইল টেক করলে দেখা যায় মুনছুরের মোবাইল তার শাশুড় বাড়ির লোকেশনে আছে লোহাগাড়া থানার সুদক্ষ অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান মামলার তদন্ত কারি অফিসারকে মুনছুরের স্ত্রী রিনা আক্তার (২৩) শালি – রোমান আক্তার (১৫) শাশুড়ী – সাইরা আক্তার (৫৫) শাশুুড় -এনাম (৬০) কে আটক করার নির্দেশ দিলে শাশুড় এনাম পালিয়ে গেলে ও অন্যদের থানা হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের বক্তব্য অনুযায়ী এনামের বাড়ির পাশে গর্ত খুঁড়ে মুনছুরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ, এই সময় উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল শিবলী নোমান, লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান, পুটিবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাংগির হোসেন মানিক, লোহাগাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার।। এই হত্যাকারীদের ফাসীর দাবী করেছেন স্থায়ীনিয় জনসাধারণ ও মুনছুরের পরিবার