admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ৮:৫২ অপরাহ্ণ
মুক্ত কলম নিউজ ডেক্সঃ বাংলাদেশের রাজধানী থেকে ঢাকা টু পঞ্চগড়, ঢাকা টু চিটাগাং, ঢাকা টু সিলেট, ঢাকা টু খুলনাসহ দেশের প্রায় প্রতিটি হাইওয়ে হোটেল গুলোতে ইচ্ছে মত দাম আদায় করছে হাইওয়ে হোটেল মালিকরা এদের সাথে বাস মালিক্রা সিন্ডিকেট করে সাধারণ যাত্রীদের পকেট কাটচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে সব খাদ্য খাওয়ায় তা বাসি পোঁচা খাবার। দূর পাল্লার বাস চালক, সুপার ভাইজাররা তাদের মনোনিত হাইওয়ে হোটেল গুলোতে থামে,স্টাফদের জন্য স্পেশাল খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় আলাদা ভাবে। মাত্র ২০ মিনিটের যাত্রা বিরতি দেয় তাতে মহিলা ও শিশুরা এত অল্প সময় ফ্রেস হয়ে খাওয়া-দাওয়া করতে বিপাকে পড়তে হয়। এই দুই পক্ষের সিন্ডিকেট হাইওয়ে গুলোতে খাবারের দাম যাত্রীদের জিম্মি করে ইচ্ছে মত ঠোকাচ্ছে সামান্য কিছু খেলেই দাম আদায় করছে আকাশচুম্বী। এদিকে বেশ কিছু বাস মালিকরা নিজেস্ব খাওয়ার হোটেল করেছে, তাতে গাছেরটা খাচ্ছে তোলেরটাও কুড়াচ্ছি।
বাস মালিক সিন্ডিকেট হাইওয়ে হোটেলগুলোতে খাবারের দাম ইচ্ছে মত দাম ঘাড় ধরে আদায় করে প্রতিনিয়ত যা দেখার কেউ নেই, নেই কোন খাদ্যের দামের তালিকা তাই বিপাকে পড়ছে সাধারণ যাত্রীরা। কয়েক জন যাত্রী অভিযোগ করে জানান ঢাকা চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে কুমিল্লা অংশে হাইওয়ে হোটেলগুলোতে গলাকাটা খাবারের দাম নিচ্ছে। এতে করে বিপাকে বাস যাত্রীরা।কুমিল্লা অংশে আনুমানিক ৭০টির অধিক হাইওয়ে খাবার হোটেল রয়েছে, এসব হোটেল এর মুল ক্রেতা মহাসড়কে চলাচলরত বাস যাত্রীরা। ভুক্তভোগীরা জানান হোটেলগুলোর সাথে বাস মালিকদের একটা গোপন চুক্তি থাকে, ফলে বাসের ড্রাইভাররা নির্দিষ্ট হোটেলগুলোতে বাসের যাত্রা বিরতি করে থাকে, প্রতিটি বাসের ড্রাইভার,হেলপার,সুপারভাইজার মূফতে খেয়ে থাকেন, এদিকে সুযোগ বুঝে হোটেল গুলোতে ভাত, পরোটা,ভাজি,ডিম,দই,মিস্টি সব খাদ্যের ডবল, তিনগুন চারগুন নিয়ে নিচ্ছে, যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে হোটেলের লোকজন তাদের অপমান অপদস্ত করে থাকেন বলে, একাধিক ভুক্তভোগী জানান।
এবং হোটেল গুলো, বাস মালিকদের একটা নির্দিষ্ট মাসোহারা দিয়ে থাকেন বলে, অনেকে বলেন। বাস যাত্রীরা কোন অভিযোগ করার সুযোগ পান না। এ ব্যপারে ভুক্তভোগীরা সরকারী যে সব বিভাগগুলো রয়েছে যেমন খ্যদের মান যাচাই, মেয়াদ উর্ত্তীণ খাদ্য নিয়ত্রণ বি এসটিআই সকল বিভাগীয় ও জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এবং অনতি বিলম্বে এই সব যাত্রীর গোলাকাটা ব্যবসায়ীদের তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে দুরপাল্লার যাত্রীদের আর ভোগান্তি হবেনা। প্রতিটি হাইওয়ে হোটেল গুলোতে গ্রহণ যোগ্য খাদ্যের দামের তালিকা পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে।
