admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর, ২০২১ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের দানবাক্সে এবার মিলল ১২ বস্তা টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার। কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে বরাবরই পাওয়া যায় বস্তা বস্তা টাকা। শুধু দানবাক্সের অর্থের জন্য গণমাধ্যমের শিরোনাম হয় মসজিদটি। ধারণা করা হচ্ছে, অর্থের পরিমাণ এবার আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। কারণ মাত্র ৩ মাসে দানবাক্সে মিলেছে ১২ বস্তা টাকা। এছাড়া পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা। আজ শনিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলা হয়। রীতি অনুযায়ী সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মসজিদ কমিটির সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সবার সামনে দানবাক্স খোলার পর টাকাগুলো প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। এভাবে ১২টি বস্তার সম্পূর্ণভাবে ভর্তি হলে তারপর শুরু হয় টাকা গণনা। প্রায় শতাধিক লোক টাকা গণনার এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত সন্ধ্যা নাগাদ সম্পূর্ণ হিসেব বের হয়ে যায়। তারপর স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদ কর্তৃপক্ষ মোট টাকার অঙ্ক ঘোষণা করেন। বাংলাদেশি টাকা ছাড়াও দানবাক্সে পাওয়া গেছে বিদেশি মুদ্রা। এছাড়া দান হিসেবে পাওয়া চাল, ডাল, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিলামে বিক্রি করা হয়।
সাধারণত প্রতি ৩ মাস পরপর পাগলা মসজিদের সিন্দুক খোলা হয়। করোনার কারণে মাঝে একবার প্রায় ৫ মাস পর দানবাক্স খোলা হয়েছিল। যথারীতি এবারও ৩ মাস পর খোলা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে পাগলা মসজিদের নিজস্ব খরচ মিটিয়ে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানায় দান করা হয়।