admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর, ২০২১ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ভারতের ত্রিপুরায় মুসলিম বাড়িঘর-মসজিদে হামলা, পুলিশ নির্বিকার। বিজেপিশাসিত রাজ্য ত্রিপুরায় গত সাতদিন ধরে সংখ্যালঘু মুসলিমদের দোকানপাট, বাড়িঘর ও মসজিদে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে। উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর এলাকায় এই হামলা চালানোর অভিযোগ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে। ওইসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুসলিমদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি হয়েছে।
সাতদিন ধরে এসব হামলার কথা শোনা গেলেও স্থানীয় নিরাপত্তাবাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে। হিন্দি গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুমরোতে বলা হয়, রাজ্যের পাঁচটি জেলার ১২টি মসজিদে ভাঙচুর এবং অনেক মসজিদে ধর্মীয় কিতাবপত্র পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পানিসাগরের বিজেপি বিধায়ক বিনয় ভূষণ দাস এসব ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, পুলিশকে বিষয়টি আমলে নিতে বলেছি। কারণ যা ঘটছে তা ঠিক নয়। আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি।
সিপিআইএম নেতা এবং উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা-কুর্তি বিধানসভার বিধায়ক ইসলামউদ্দিন বলেন,পুলিশ এখনো হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ব্যাপারে ত্রিপুরা পুলিশ বিভাগের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না, বেশিরভাগ নম্বর বন্ধ। ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা বলেন, ২০১৪ সালে হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হয়েছেন।
এদিকে, ত্রিপুরার মসজিদগুলোতে পাহারা বসিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। কর্তৃপক্ষ রাজ্যের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ উত্তরাঞ্চলে চারজনের বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে। পাশাপাশি পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া উস্কানিমূলক বার্তা’ সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছে।