হোম
নির্বাচিত কলাম

বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা ও দুর্নীতি।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২১ ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা ও দুর্নীতি নিরসনে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা চালু করা হলেও দেড় দশক পর এই নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ পদ্ধতি আরও জটিলতা সৃষ্টি করেছে। আদালতের নির্দেশনা ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অদক্ষতার কারণে একদিকে লাখো বেকার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও বিদ্যালয়গুলোতে পদ শূন্য রয়ে গেছে লাখখানেক। অন্যদিকে পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়োগের নীতিমালা পরিবর্তন ও তা সমন্বয়ের ব্যর্থতার কারণে চাকরিপ্রার্থী বেকারদের পকেট শূন্য হচ্ছে। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বলছে, এই পরিস্থিতির সহসা উত্তরণের পথ জানে না তারা। এ বিষয়ে গা করছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও।

নাটোরের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিন বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর চলতি বছরের জুলাইতে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সরকারি সুপারিশ পান। এরপরও তিনি কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে পারেননি। কবে পারবেন বা আদৌ পারবেন কি-না তা নিয়েও শঙ্কায় দিন কাটছে। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পর রেজাল্ট হয়েছে। যত খুশি তত আবেদন- এই নীতির কারণে আমি ৫০০টির বেশি বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ চেয়ে আবেদন করেছি। যার পেছনে খরচ হয়েছে ৬৫ হাজার টাকা। এই টাকা সুদের ওপর ঋণ করেছি। এখন সুদের কিস্তি দিতে হচ্ছে।

আব্দুল্লাহর মতোই জটিল পদ্ধতির জালে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ এখন শিক্ষিত বেকারের জন্য ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এনটিআরসিএর এই ফাঁদে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছেন বেকাররা। এরপরও মিলছে না বহুল কাক্সিক্ষত নিয়োগ। গত আড়াই বছরে প্রতিষ্ঠানটি একজনও নিয়োগ দিতে না পারলেও এ সময়ে বেকারদের কাছ থেকে আদায় করেছে ২০০ কোটি টাকার বেশি। অথচ শিক্ষক শূন্যতায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধুঁকছে।

এনটিআরসিএ’র হিসাবে, সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে (বেসরকারি মাধ্যমিক ও কলেজ) প্রায় ৮৫ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য হয়ে গেছে। শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিরা বলছেন, দফায় দফায় আবেদন ফি আদায় করে এনটিআরসিএ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এতে দেশের নিম্নবিত্ত পরিবারের উচ্চশিক্ষিত তরুণরা ঋণগ্রস্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। একইসঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি স্বীকারও করেছেন এনটিআরসিএ’র একাধিক কর্মকর্তা। তারা বলেছেন, শিক্ষক নিয়োগে এখনো আইন তৈরি না হওয়ায় এই জটিলতা নিরসন করা যাচ্ছে না।

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীদের সনদ দিতে ২০০৫ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু করে এনটিআরসিএ। এই সনদ নিয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য স্কুল-কলেজে আবেদন করতেন প্রার্থীরা। এরপর ব্যবস্থাপনা কমিটি পরীক্ষা নিয়ে তাদের নিয়োগ দিত। এতে বড় ধরনের দুর্নীতি ও অদক্ষ লোকরা শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশ করতেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই জটিলতা নিরসনে ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতায় পরিবর্তন করে এনটিআরসিএকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে শুরু থেকে প্রতিষ্ঠানটি নানা জটিলতা ও বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় মামলায় জড়িয়ে স্থবির হয়ে যায় এর কার্যক্রম। ফলে সুশাসন, যোগ্যতা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগের যে কথা বলা হয়েছিল তা অধরাই রয়ে গেছে।

জটিলতার ধাপে ধাপে ভোগান্তিঃ এনটিআরসিএর নিয়ম অনুযায়ী, সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদের বিপরীতে প্রবেশ পর্যায়ের (এন্ট্রি লেভেল) শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক ও জাতীয় সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান পেতে হয়। এরপর নিয়োগের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি বা সার্কুলারের মাধ্যমে প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। চূড়ান্ত ধাপে মেধা তালিকার শীর্ষ সারি থেকে শূন্যপদে একজন শিক্ষককে সুপারিশ করা হয়। এসব ধাপে ভোগান্তি চরম মাত্রায় ঠেকেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ নিয়োগ, পরীক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে এনটিআরসিএর প্রায় প্রতিটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

জানা যায়, ২০১৫ সালে এনটিআরসিএ শিক্ষক নিয়োগ ক্ষমতা পাওয়ার পর আগের সনদধারীরা চাকরি পাওয়ার সুযোগ চেয়ে আন্দোলন শুরু করে। এরপর হাইকোর্টে তারা একটি রিট করে। হাইকোর্টের আদেশে ১৫তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে একটি জাতীয় সমন্বিত মেধা তালিকা করা হয়। এই তালিকা ধরে ২০১৮ সালে দ্বিতীয় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪০ হাজার পদে নিয়োগ দেয় এনটিআরসিএ। এই নিয়োগের পরও একাধিক মামলা হয়। তখন ১৩তম পরীক্ষার প্রার্থীরা আরেকটি রিট করে আলাদা নিয়োগ দাবি করেন। ২০২০ সালের মার্চে দেওয়া এক রায়ে আপিল বিভাগ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২ হাজার ২০৭ জনকে নিয়োগ সুপারিশের নির্দেশনা দেন। তবে সে সময় এনটিআরসিএ’র কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ১৬৬টি রিটের রায়ে এনটিআরসিএকে সমন্বিত মেধাতালিকা করে নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আদালত ১৬৬টি রিটের শুনানিতে এক নির্দেশনা দিলেও পরে ১৩তম নিবন্ধনের প্রার্থীদের করা রিটের আদেশে রিটকারীদের নিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছে। দুই রকম নির্দেশনা থাকায় নিয়োগ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

এদিকে সর্বশেষ ২০১৮ সালে যারা নিয়োগ পেয়েছেন তারা সবাই ২০১৫ সালের পর এনটিআরসিএ থেকে পাওয়া সনদধারী। কারণ পরীক্ষায় অর্জিত নম্বরের ভিত্তিতে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের আগে যারা এনটিআরসিএ’র সনদ পেয়েছেন তারা মেধা তালিকায় একদম পিছিয়ে। ফলে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে তারা শত শত বিদ্যালয়ের শূন্য পদে আবেদন করেও চাকরির সুপারিশ পাননি। কিন্তু প্রত্যেকে প্রায় লাখ টাকার কাছাকাছি ব্যয় করেছেন। আবার এসব প্রার্থীর আবেদনের বয়সসীমাও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে তারা সরকারি চাকরিতে অবসরকালীন বয়সের সময় পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

নিয়োগ জটিলতার বিষয়ে এনটিআরসিএর সচিব ওবায়দুর রহমান গতকাল সোমবার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এনটিআরসিএ’র এই নিয়োগ ব্যবস্থা খুবই কঠিন। আগের সনদধারীদের তুলনায় এখন যারা পরীক্ষায় বসছেন তারা ভালো করছেন। ফলে এই পিছিয়ে থাকা প্রার্থীরা নতুনদের সঙ্গে পেরে উঠছেন না। তারা বারবার আবেদন করেও চাকরি পাচ্ছেন না। এতে তাদের সময়, মেধা, অর্থ সবই নষ্ট হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এনটিআরসিএর বিশৃঙ্খলার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফৌজিয়া জাফরীন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শিক্ষক নিয়োগের সব দায়িত্ব এনটিআরসিএর। তাদের কোনো সমস্যা থেকে থাকলে মন্ত্রণালয়কে জানাবে। তার আগে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ নেওয়া সমীচীন নয়। ফলে তাদের সমস্যা তাদেরই সমাধান করতে হবে।’

যতখুশি তত আবেদনের ফাঁদঃ এনটিআরসিএ শিক্ষক হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য প্রথম ধাপে পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে স্কুল বা কলেজ ক্যাটাগরিতে প্রার্থীরা আবেদন করেন। একটি আবেদনের খরচ ৩৫০ টাকা। আবার শিক্ষক হিসেবে চূড়ান্ত উত্তীর্ণ হওয়ার পর, অর্থাৎ জাতীয় মেধা তালিকায় স্থান করে নেওয়ার পর আবার নিয়োগের জন্য নতুন করে আবেদন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন ফি ১০০ টাকা। অর্থাৎ, বাংলাদেশে একমাত্র চাকরি এই বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ যেখানে দুবার আবেদনে টাকা নেয় সরকার। তবে শুধু এতটুকুই নয়। এই গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের ক্ষেত্রেও আছে বড় সমস্যা। একজন চাকরিপ্রার্থী তার বিষয়ে সারা দেশে যতগুলো শূন্যপদ থাকবে, সবগুলোতে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে দেখা যায়, মেধা তালিকায় পিছিয়ে থাকা প্রার্থীদের কেউ কেউ ৫০০ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত বিদ্যালয়ে আবেদন করেন। এতে তাদের ব্যয় হয় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। যাদের মেধা তালিকা ওপরের দিকে তারাও ৫০ থেকে ৩০০টি শূন্য পদে আবেদন করেন। কারণ তারা কেউই নিশ্চিত নন মেধাতালিকায় সবার ওপরে কার নম্বর। এতে তারাও আবেদন ফি বাবদ ৫০-৬০ হাজার টাকা করে দেন এনটিআরসিএকে।

এনটিআরসিএ থেকে পাওয়া তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি গত ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে দ্বিতীয় গণবিজ্ঞপ্তির নিয়োগ সম্পন্ন করার পর দীর্ঘ এই আড়াই বছরে আর কোনো নিয়োগ দিতে পারেনি। ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন আবেদনকারী ছিলেন ৮ লাখ ৭৬ হাজার। মাথাপিছু ৩৫০ টাকা ফি বাবদ আদায় হয়েছে ৩১ কোটি টাকা। ১৬তম আবেদনকারী ছিলেন ১১ লাখ ৭৬ হাজার, আবেদন ফি বাবদ আদায় ৪১ কোটি টাকা। ১৭তম নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদনকারী ছিলেন ১১ লাখ ৬৫ হাজার, আদায় হয়েছে ৪১ কোটি। এছাড়া তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য আবেদন পড়ে ৯০ লাখ। যেখান থেকে মাথাপিছু ১১০ টাকা ফি বাবদ প্রায় ৯০ কোটি টাকারও বেশি আদায় হয়েছে। এভাবে গত আড়াই বছরে প্রতিষ্ঠানটি বেকারদের কাছ থেকে আদায় করেছে মোট ২০৩ কোটি টাকা। অথচ এই সময়ে নতুন করে একজনও নিয়োগ দিতে পারেনি এনটিআরসিএ। নিয়োগপ্রত্যাশী একাধিক ব্যক্তি দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, এই টাকা জোগাড় করতে নিয়োগ প্রত্যাশীদের আত্মীয় স্বজনের কাছে হাত পাততে হয়। কেউ কেউ সুদের ওপর ঋণ নিয়ে আবেদন করেন। দেখা যায় চাকরি না হলেও ঋণের কিস্তি ঠিকই পরিশোধ করতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে এনটিআরসিএ সচিব ওবায়দুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, মূলত সমন্বিত মেধা তালিকায় পিছিয়ে থাকা প্রার্থীদের জন্য এ সমস্যা হয়েছে। তবে এটি তাদের জন্য সুযোগও বটে। দেখা যায়, মেধাতালিকায় এগিয়ে থাকারা শূন্য পদ পূরণ করলে তাদের জন্য যেসব পদ খালি থাকে সেখানে যেতে পারে। তবে আমরা এই জটিলতা নিরসনের জন্য একটি আইন করছি। এটি হলে পিএসসির আদলে শুধু শূন্য পদের বিপরীতে প্রার্থী চেয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তখন এ সমস্যা আর থাকবে না।’

উত্তরের বাসিন্দা দক্ষিণে-পূর্বের বাসিন্দা পশ্চিমেঃ এনটিআরসিএর গণবিজ্ঞপ্তিতে যত খুশি তত আবেদনের কারণে দেখা যায়, দেশের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা দক্ষিণাঞ্চলের কোনো একটি জেলায় চাকরি পাচ্ছেন। আবার পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা কোনো ব্যক্তি পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় চলে যাচ্ছেন। এতে তাদের মধ্যে অসন্তুষ্টি তৈরি হচ্ছে। ফলে তারা পছন্দসই জায়গায় যেতে আবারও গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করছেন। দেখা যায়, তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পাওয়া ৩৮ হাজার শিক্ষকের মধ্যে প্রায় ২০ হাজারই এই ক্যাটাগরির (ইনডেক্সধারী)। অর্থাৎ তারা প্রথম ও দ্বিতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে চাকরি পেয়েছিলেন। সে হিসেবে তৃতীয় গণ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন চাকরির সুপারিশ পেয়েছেন মাত্র ১৮ হাজার শিক্ষক। ফলে শিক্ষক শূন্যতা আরও প্রকট হচ্ছে।

শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা যখন এনটিআরসিএকে দেওয়া হয় সে সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, আগে ঘুষ দিয়ে অদক্ষ-অযোগ্য লোক গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ পেতেন। এখন সেটি লাগে না, এটা এনটিআরসিএর ভালো দিক। তবে প্রতিষ্ঠানটি গতিশীল হতে পারেনি কারণ এখানে সব সমস্যা সৃষ্টি করেছেন আগের সনদধারীরা। এদের বেশিরভাগই ভুয়া সার্টিফিকেটধারী। তারা ঘুষ দিয়ে নিয়োগ পেতে চান। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রাণ হলো নিয়োগ পদ্ধতি। তিনি আরও বলেন, আমাদের সুপারিশ ছিল এনটিআরসিএ সারা দেশের শূন্য পদ সংগ্রহ করে তার বিপরীতে ২০ শতাংশ বেশি ধরে নিয়োগ পরীক্ষা নেবে। উপজেলাভিত্তিক মেধাতালিকা করা হবে। যাতে প্রার্থীদের অন্য দূর-দূরান্তে যেতে না হয়। সবশেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেয়াদ ৩ বছর করতে হবে। যাতে তারা পরে সমস্যা সৃষ্টি করতে না পারেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এগুলো হয়নি। এতে সমস্যা বেড়েই চলেছে।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

সর্বশেষ খবর

দিনাজপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, কাচারী চত্বরে হাতাহাতি আহত ৭জন।
অপরাধ 11 hours আগে

অদৃশ্য ক্ষমতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
রংপুর 18 hours আগে

পঞ্চগড়ের বোদায় ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় স্টোল পরিদর্শন করেন পানি
রংপুর 18 hours আগে

শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জাতীয় 1 day আগে

সুনামগঞ্জে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ,বাইরে থেকে তালা মেরে বসত ঘরে আগুন, প্রাণনাশের
অপরাধ 1 day আগে

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
রংপুর 2 days আগে

দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেড
রংপুর 2 days আগে

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান সেচ্ছায় বদলি নিলেল।
রংপুর 3 days আগে

চিরিরবন্দরে বাসের ধাঁক্কায় আরএফএল কোম্পানির এস আর রাকিব নিহত।
দুর্ঘটনা 3 days আগে

অন্ধকার নামতেই পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় কবর স্থানে শুরু হয়, লুটপাট, জুয়া
অপরাধ 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক