হোম
কভিড-১৯

বাংলাদেশে যেসব কারণে করোনাভাইরাসের পরবর্তী ঢেউ আঘাত হানতে পারে।

admin || মুক্ত কলম সংবাদ

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ

ফাইল ছবি

বাংলাদেশে যেসব কারণে করোনাভাইরাসের পরবর্তী ঢেউ আঘাত হানতে পারে। দেশে সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু কমলেও শিগগিরই আরেকটি ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত বছরের নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার নেমে এলেও মার্চ থেকে আবারও গ্রাফ ওপরের দিকে উঠতে থাকে এবং জুন- জুলাই মাসে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রতিদিন সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। শনাক্তের হারও বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ শতাংশের ওপরে। এমন অবস্থায় নতুন করে আতঙ্কের কারণ হয়েছে তৃতীয় ঢেউ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিশ্ব থেকে করোনাভাইরাস পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যাবে। তবে বাংলাদেশে তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানার কারণ হিসেবে সম্ভাব্য কয়েকটি বিষয় চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

টিকা ও হার্ড ইমিউনিটিঃ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা দেয়াকে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি বলে মনে করা হয়। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, মোট জনসংখ্যার বিপরীতে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়ার হারে অনেক পিছিয়ে আছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রধানদের নিয়ে গঠিত কোভিড-১৯ টাস্কফোর্সের এক ওয়েবসাইটে এসব তথ্য জানা যায়।

ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ২.৬১% মানুষকে দুই ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে জনসংখ্যার অনুপাতে এক ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে ৪.১৮% মানুষকে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন প্রায় দুই কোটি ১৯ লাখ মানুষ। এর মধ্যে সম্পূর্ণ দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন, এক কোটি ৪৪ লাখ মানুষ। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এই হার একেবারেই যথেষ্ট নয়, বলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মোস্তাক আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ তাদের বেশিরভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে পেরেছে। এ কারণে সংক্রমণ ঠেকানো না গেলেও গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে। ভাইরাস দুর্বল হয়ে পড়ছে। এজন্য টিকা দেয়া অবশ্যই দরকার। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি টিকা সংগ্রহে তৎপরতা বাড়াতে না পারে এবং বয়স নির্বিশেষে মোট জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশকে টিকার আওতায় আনতে না পারে তাহলে তৃতীয় ঢেউ বড় ধরনের ঝুঁকি নিয়ে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বেনজির আহমেদ। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও জনসংখ্যার তুলনায় টিকার মজুদ ও সরবরাহ সন্তোষজনক নয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আমদানি শুরু করলেও প্রথম চালানের পর সেটা বাধার মুখে। ফলে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়৷ চুক্তি অনুযায়ী জুনের মধ্যে যেখানে অন্তত তিন কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার কথা, সেখানে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সব টিকা বুঝে পায়নি। এ কারণে যে পরিমাণ জনগোষ্ঠীকে টিকা দিয়ে প্রতিরোধ করার কথা ভাবা হচ্ছিল সেটি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পরে চীন থেকে এবং কোভ্যাক্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে টিকা এলেও তার সুফল পেতে আরও কয়েক মাস সময় লেগে যাবে৷

এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তৃতীয় ঢেউ ঠেকাতে বাংলাদেশের উচিত হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত এবং বিভিন্ন দেশে স্বীকৃত ও পরীক্ষিত ভ্যাকসিন দ্রুত সংগ্রহ করে বয়স নির্বিশেষে সবাইকে দ্রুত টিকা কর্মসূচির আওতায় আনা। এজন্য কোভ্যাক্সের সুবিধা নেয়ার পাশাপাশি মানসম্পন্ন টিকা ক্রয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা। এছাড়া কি পরিমাণ মানুষ ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সেটার সঠিক তথ্য সংগ্রহের ওপরও জোর দিতে বলেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মোস্তাক হোসেন। কারণ ওই তথ্যের ওপরে ভর করে হার্ড ইমিউনিটির প্রকৃত চিত্র পাওয়া সম্ভব। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্ত রোগীদের সবাই করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করান না। ফলে কেউ আক্রান্ত হলে সেটা সরকারি হিসাবে আসে না। গত মাসে লকডাউন তুলে নেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করেছেন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যরা।

লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে শিথিলতাঃ এদিকে গত মাস থেকে সংক্রমণ হার কমতে শুরু করায় লকডাউন তুলে দেয়ার পাশাপাশি সব অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় কিছু শিথিলতা আনা হয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের শেষে সংক্রমণের হার কমে আসার পর দেশের অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ ও বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়। সংক্রমণ বাড়তে থাকা অবস্থায় এপ্রিলে লক্ষাধিক ছাত্রছাত্রীর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। এরপর রমজান মাসে কেনাকাটা চালু রাখতে খুলে দেয়া হয় শপিং মল, দোকানপাট। সেইসঙ্গে ঈদে গাদাগাদি করে বাড়ি যাওয়ার চাপ তো ছিলই। স্বাস্থ্যবিধি মানতে এ ধরনের অসচেতনতার কারণে সংক্রমণ কিভাবে হু হু করে বেড়েছে সেটা চলতি বছরের মাঝামাঝি এসেই টের পাওয়া যায়। এই উদাসীনতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের আরেকটি ঢেউয়ের মুখোমুখি হতে পারে বলে আশঙ্কা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

ভারত থেকে সংক্রমণের প্রভাবঃ ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশের তিনটি দিকে ভারতের সাথে সীমান্ত থাকায়, সেইসঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্য ও চিকিৎসার কারণে দুই দেশে যাতায়াত থাকায় ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ওঠানামার সঙ্গে বাংলাদেশের সংক্রমণও অনেকটাই প্রভাবিত। সম্প্রতি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ, ভারত থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়। কেননা এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের আসার পর থেকে বাংলাদেশে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেয়। এর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে সংক্রমণ ছিল শহরমুখী। সম্প্রতি ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ কমে আসায় নিষেধাজ্ঞায় শিথিল করা হলেও গত কয়েকদিন আবার সংক্রমণের হার বাড়তে শুরু করেছে।

বিশেষ করে অক্টোবরে আসছে দুর্গা পূজার মৌসুম। এই সময়ে মানুষের অবাধ চলাচলের কারণে দেশটিতে পুনরায় করোনা ভাইরাস গামহীনভাবে বাড়তে পারে, যার ফলে বাংলাদেশে তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বেনজির আহমেদ বলেন, ভারতের সাথে আমাদের ফরমাল, ইনফরমাল যাতায়াত রয়েছে। তাই ওই দেশে যদি করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটা আমাদের এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। তাই ভারতের সংক্রমণ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কমিটির রিপোর্টেও, এই তৃতীয় ঢেউ শুরুর বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে ওই ঢেউ আগামী অক্টোবরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠবে। সে বিবেচনায় বাংলাদেশে করোনা ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে বেনজির আহমেদ জানান, “ভারতের মানুষ সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তারা ছুটি কাটাতে ভারতে যদি কোন ভ্যারিয়েন্ট বয়ে আনে, যেটার বিরুদ্ধে ভারতের প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। তাহলে সেই নতুন ভ্যারিয়েন্টই বাংলাদেশের তৃতীয় ঢেউয়ের কারণ হতে পারে।

মিউটেশনঃ করোনাভাইরাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এটি টিকে থাকতে অন্যান্য ভাইরাসের মতো প্রতিনিয়ত নিজেকে পরিবর্তন বা মিউটেশন করতে থাকে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ মূলত ভাইরাসের মিউটেশনের কারণে হবে বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বেনজির আহমেদ। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের শতাধিক মিউটেশনের কথা জানতে পেরেছে গবেষকরা। এরমধ্যে চারটি ভ্যারিয়েন্টকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিন্তিত করা হয়েছে। সেগুলো হল: আলফা (প্রথম ধরা পড়ে যুক্তরাজ্যে), বেটা (দক্ষিণ আফ্রিকা), গামা (ব্রাজিল) এবং ডেল্টা (ভারত)।

চলতি বছরের এপ্রিলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কাপাকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ভারতের মহারাষ্ট্রে এই ভ্যারিয়েন্টটি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া নতুন ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টও বেশ শক্তিশালী রূপে এসেছে। তৃতীয় ঢেউয়ের পেছনে নতুন এই ভ্যারিয়েন্টগুলো বড় কারণ হতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বাংলাদেশের অন্তত এক কোটি মানুষ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন তারা প্রয়োজনে বা ছুটি কাটাতে বাংলাদেশে আসেন এবং বাংলাদেশেও অনেক বিদেশি নাগরিকের যাতায়াত রয়েছে। এই মানুষদের মাধ্যমে বিদেশ থেকে ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়তে পারে জানিয়েছেন বেনজির আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেহেতু কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন, বেশি বেশি টেস্টিং বিশেষ করে সবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি, এ কারণে নতুন কোন ভ্যারিয়েন্ট এলে সেটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। অন্যদিকে মোস্তাক আহমেদ বলছেন, যতো বেশি সংক্রমণের সুযোগ দেয়া হবে। ততোবেশি ভ্যারিয়েন্টের সৃষ্টি হবে। তাই প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই।

সিদ্ধান্তে সমন্বয়হীনতা ও দুর্নীতিঃ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বারবার সিদ্ধান্ত সংশোধন ও বদল করতে দেখা গেছে। একবার কঠোর লকডাউনের কথা বলে, কয়েকদিন পর থেকেই তা সীমিত আকারে শিথিল করা হয়েছে। ঢাকার বিমানবন্দরে আরটি পিসিআর ল্যাব বসানো নিয়ে জটিলতা সিদ্ধান্তহীনতার একটি উদাহরণ হতে পারে। এছাড়া টিকার ভুয়া রিপোর্ট, মাস্ক কেলেঙ্কারি, চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয় ও সংগ্রহে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগও করোনাভাইরাসের মোকাবিলার বিষয়টিকে হুমকির মুখে ফেলছে।

এ ধরণের দুর্নীতি ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে দীর্ঘসূত্রিতা ও অদক্ষতা বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের পরবর্তী ঢেউয়ের দিকে ধাবিত করতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ব্যাপারে বেনজির আহমেদ বলেন, অনুপযুক্ত লোককে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে।

যেমনঃ লকডাউনের সিদ্ধান্ত আসার কথা স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের থেকে কিন্তু দায়িত্ব পালন করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, না হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জেলার দায়িত্ব থাকার কথা সিভিল সার্জনের কিন্তু সেটা করছে জেলা প্রশাসক। তারা যদি জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন সেটা যথার্থ হবে না। এজন্য অনুমোদন পেতে, সমন্বয় ও বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে।

চিকিৎসাঃ চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ার পর হাসপাতালগুলোয় রোগীর চাপ দেখা গিয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবারে শয্যা সংখ্যা, আইসিইউ, ভেন্টিলেটর বা অক্সিজেন সরবরাহ, হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলাসহ অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধা বাড়লেও বড় ধরনের ঢেউ সামাল দিতে তা এখনও যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া জনসংখ্যার অনুপাতে হাসপাতালগুলোর ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। স্বাস্থ্য খাতে খালি পদগুলো পূরণে দীর্ঘসূত্রিতা দূর করার ওপর তারা জোর দেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোভিড পরিস্থিতি ভালো থাকা অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার এই ত্রুটিগুলো দূর করে বাংলাদেশের উচিত হবে সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়া।

মতামত জানান :

Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য গুলি বিদ্ধ ।
রংপুর 5 hours আগে

সুনামগঞ্জে বালু ধসে স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে
আইন-বিচার 5 hours আগে

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাওরে বজ্রপাতে ১জনের মৃত্যু।
দুর্ঘটনা 5 hours আগে

সাভারে ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাৎতের চেষ্টা ও প্রাণ নাশের হুমকি।
আইন-বিচার 1 day আগে

হাবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক বলে আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর দেশ
রংপুর 1 day আগে

পীরগঞ্জে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির  লক্ষে কে.টি আর হস্তশিল্প কারখানার
অর্থনীতি 1 day আগে

পঞ্চগড়ে কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের  অভিযোগে যুবকের এক বছরের কারাদন্ড
আইন-বিচার 2 days আগে

দিনাজপুরের বিরলে বিজিবির নবনির্মিত মৌচোষা বিওপির উদ্বোধন।
অর্থনীতি 2 days আগে

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ডিসির বক্তব্য ভিডিও করতে বাধা দেওয়ায় সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান
রংপুর 2 days আগে

বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে নেপালে ১৬৬ মে.টন জুট রোল রপ্তানি।
রংপুর 3 days আগে

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম :

কুড়িগ্রামে ঐতিহাসিক আসনে কঠিন চ্যালেঞ্জে জাপা,মাঠ গরম এনসিপি-বিএনপির। হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুর সীমান্ত ৪২ বিজিবির রেড অ্যালার্ট জারি। রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচার ছাড়াও বিদেশীদের দ্বারা যৌন কাজে ব্যবহারের টার্গেট হয়ে উঠছে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচিতে হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপিত। ঠাকুরগাঁও জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪র্থ জেলা রোভার মুট-২০২৫। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠিত। পার্বতীপুরে জাতীয় প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের উদ্বোধন। রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত পলাতক শেখ হাসিনার অগ্রণী ব্যাংকের লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ জব্দ রাজশাহীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ জন ৩ ডিসেম্বর রংপুরে বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে দিনাজপুরে ৮ ইসলামী দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সব বাহিনী প্রস্তুত: সিইসি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ হাজার কৃষক পাচ্ছে বিনামূল্যে গম বীজ ও সার। মাত্র চার মাসের শিশু সুমাইয়া বাঁচতে চায়! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় হেফাজতে ইসলামের নতুন কমিটি গঠন। ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে এখনই শক্তিশালী ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান রাজধানীতে  আজ থেকে ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করবেন? নীলফামারীতে পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষীদের প্রশিক্ষণ। আর কোনো পরিস্থিতি নেই যে নির্বাচন ব্যাহত হবে-ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল  ৫-বছরেও শেষ হয়নি ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজ-জনস্বাস্থ্য অফিস বলছেন বাদ দেন চা খাওয়ার জন্য কিছু নেন। পার্বতীপুরে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবীতে কর্মী সভা। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরিক সমাবেশ। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ইউএনও এক গৃহহীন ভারসাম্যহীন নারীর পাশে দাঁড়ালো। ৮ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর নার্সিং এসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ইউনিয়ন সিএসওর লাইভস্টক সংলাপ সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় প্রেম করে বিয়ে অতপর ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী। দিনাজপুরে ৩ দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসবের সমাপনী। দিনাজপুরের বিরলে শতাধিক নেতা-কর্মীর মামলা থেকে বাঁচতে ফ্যাসিস্ট আ,লীগ থেকে পদত্যাগ! অভিযোগ দিয়ে ও কাজ বন্ধ হচ্ছে না আদমদিঘীতে সরকারি জায়গা দখল করে করা হচ্ছে অবকাঠামো নির্মাণ! বগুড়ার কইপাড়ায় নববধূ শম্পা হত্যার অভিযোগ, যৌতুক দাবির জেরে স্বামী আটক