admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট, ২০২১ ১০:২২ অপরাহ্ণ
২০ দলীয় জোটফের ভাঙনের মুখে! দীর্ঘদিন বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে থাকা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় গত ১৪ জুলাই। প্রায় একযুগ ক্ষমতার বাইরে থাকা এই বিরোধী জোট ছাড়া নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে আরেক শরিক দল খেলাফত মজলিস। প্রক্রিয়াটি মাস দুয়েক ধরে শুরু হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। খেলাফত মজলিস সূত্রমতে, ২০১৯ সালে মজলিসে শূরার এক বৈঠকে বিএনপি জোটের রাজনীতির ফল না থাকায় তা থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। এর পক্ষে অবস্থান নেয়া অংশটি দলের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সম্প্রতি।
তারা বিষয়টি নিয়ে সরকারি একটি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ালেও এখনই জোট ছাড়ার পক্ষে নন দলটির শীর্ষ নেতারা। যদিও দলটির প্রভাবশালী নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ বেশ কয়েকজন নেতা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন বিভিন্ন মামলায়। এ বিষয়ে দলীয় ফোরামের বাইরে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী। তবে দলটির যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বলেছেন, ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক তৎপরতা না থাকায় আমরা দলীয় কাজ নিয়ে তৎপর হতে চাই। শিগগিরই কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক ডেকে নতুন রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই বিএনপি জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (একাংশ)। তার চারদিন পর ১৮ জুলাই থেকে একে একে মুক্তি পান দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতারা। বর্তমানে জমিয়তের প্রায় সব নেতাই জামিনে বেরিয়ে এসেছেন, বলছে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র। অবশ্য, নানা অভিযোগ তুলে জমিয়তের (একাংশ) জোট ছাড়ার ঘোষাণার পেছনে আওয়ামী লীগ সরকারের হাত রয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান।
তাদের অভিযোগ নাকচ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০ দলীয় জোটে কোনো মতভেদ নেই। সরকারের চাপেই জোট ছেড়েছে তারা। প্রচণ্ড চাপের টিকতে পারছেন না, মামলায় ব্যতিব্যস্ত হয়ে গেছি- এই কথা বললেই তো হয়। সেটা না বলে কোনো ব্যক্তি বা দলকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।