admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২১ ৯:১৯ অপরাহ্ণ
মোঃ আনোয়ার হোসেন, হরিপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ২নং আমগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত। বৃটিশ আমলের এই হাটটি ছিল হরিপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নে। পাকিস্তান আমলে স্থানান্তরিত হয়ে যাদুরানী এলাকায় প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার বসে উত্তর বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী হাট। বর্ষা মৌসুমে এলেই ভোগান্তির স্বীকার। হাটের ময়লা নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন তৈরি করা হলেও কার্যত কাজে আসছে না।
১. ময়লা আবর্জনা ড্রেনে জমাট বেঁধে পানির প্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
২. পরিষ্কার পরিছন্নতার অভাবে পানির স্বাভাবিক গতিপথ বন্ধ হলে নোংরা ময়লা পানিতে সয়লাব।
৩.একটু বেশি পানি হলে চলাচলের বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এবং ধানের হাট, সব্জির হাট,নোংরা পানিতে কারণে বিক্রেতা পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
এতে সাধারণ জণগণ ভোগান্তিতে ভাল মানের পণ্য পরবর্তীতে আনতে অনীহা প্রকাশ করে। প্রতি বছর কোটি টাকা বিনিময়ে সরকার যাদুরানী হাট ইজারা প্রদান করেন। ঐ হাটের আদায় কৃত কর বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হলেও অথচ হাট বাজারে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দে কোন টাকা খরচ করা হয় না।
প্রতি সপ্তাহে উত্তর বঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যবসায়িরা নাম না প্রকাশ শর্তে বলেন, তারা নানান ভাবে ভোগান্তি স্বীকার হতে হয়। তিনি আরো জানান বিভিন্ন চাঁদা দিতে হয় এতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হচ্ছে। পক্ষান্তরে ২ নং আমগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সরকারের আয়ের উৎস হলেও কর্তৃপক্ষের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।
হরিপুর উপজেলা পরিষদ হতে ৭ কিঃমিঃ হতে দূরত্বে যাদুরানী হাট । এই রাস্তায় ধারে কিছু কিছু জায়গায় ভেঙে গেছে যেমন, খাগড়তলা ও গার্লস স্কুলের পূর্ব পাশের একটু যেয়ে রাস্তার ধারে ভেঙে খাদ-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের কোন মেরামতের উদ্যোগ নেই।যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় প্রকৌশলী অফিসে লোকবল প্রতিনিয়ত ঐ রাস্তায় যাতায়াত করছে তারপরও সেই গর্ত চোখে পড়ে নি। আর কত গর্ত হলে মেরামত হবে। জানা যায়, রাস্তা পাকাকরণ করণের সময় রাস্তার ধারে যদি কিছু মাঠি দিতো তাহলে হয়তো রাস্তার বেহাল দশা সৃষ্টি হতো না। এলাকার সুধীমহলের প্রশ্ন উত্তর বঙ্গের প্রধান হাটে কত ময়লা আবর্জনা জমলে পরিষ্কার পরিছন্নতা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে হরিপুর উপজেলার যাদুরানী হাটের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে । অতিসত্বর ড্রেনে ময়লা সরানো না হলে জনসাধারণের ভোগান্তি বাড়বে ।