admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১২ জুন, ২০২১ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরং অন্য খাতের টাকা কানাডায় গেছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেশের স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাকে প্রত্যাখ্যান করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রশ্ন তুলে বলেছেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের কোন জায়গায় হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে বা দুর্নীতি হয়েছে- এ রকম কোনো তথ্য কেউ দেখাতে পারবে?
তিনি নিজেই বলেন, এমন তথ্য কেউ দিতে পারবে না। বরং অন্য অনেক খাতের কোটি টাকা কানাডায় চলে গেছে। করোনা যুদ্ধে মৃত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদ মনোয়ারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আজ সোমবার তিনি এসব কথা বলেন। টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করেছেন মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে টিআইবি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, এটা খুবই দুঃখজনক। করোনা মোকাবেলায় বিশ্বের সব দেশ বা সংস্থা বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে। বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা।

অথচ ঘরে বসে একটি সুন্দর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টিআইবি। মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে তারা বলেছে যে, আমরা নাকি করোনা শনাক্ত করতে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অথচ করোনা শনাক্তে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এমনকি স্বাস্থ্য খাতে কোনো দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি, বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর আগে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গত মঙ্গলবার করোনা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সুশাসনের ঘাটতি থাকার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি। একই সঙ্গে করোনা মোকাবেলায় আগামী দিনের জন্য ১৯টি সুপারিশও তুলে ধরে দুর্নীতিবিরোধী এ সংস্থাটি।
এ সময় টিআইবির প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তার জবাব দেন জাহিদ মালেক। বলেন, টিআইবি বলছে আমরা রোগীদের জন্য কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করিনি। অথচ সারাদেশে ১৫ হাজার বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে শুধু করোনার চিকিৎসার জন্য। ফলে ভারতের মতো পরিস্থিতি আমাদের দেশে তৈরি হয়নি। অন্যরা যথাযথভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে না পারলেও বাংলাদেশে কিন্তু এখনো লকডাউন চলমান।