admin || মুক্ত কলম সংবাদ
প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২১ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
সারাদেশে আবারও কায়দা করে অস্থির করছে পেঁয়াজের বাজার। সকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছে নিম্ন আয়য়ের খেটে খাওয়া মানুষ। রান্নার ক্ষেত্রেই একটি অপরিহার্য পণ্য পেঁয়াজ। অথচ এ নিয়ে বছরের কোনো না কোনো সময় অস্থিরতা লেগেই থাকে। কোনো কোনো বছর একাধিকবারও পেঁয়াজের দাম নিয়ে ঘটে তুলকালাম কাণ্ড। গত কয়েকদিনের পরিস্থিতি বলছে, আবারও পেঁয়াজের দাম নিয়ে তৈরি হচ্ছে অস্থিরতা। দেশে বছরে পেঁয়াজের মোট চাহিদা ২২ লাখ টন। উৎপাদন হয় ১৮ লাখ টন। এই ঘাটতিটাকেই জিম্মি করে ব্যবসায়ীরা নানা সময় বাজারে পেঁয়াজের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে দায় চাপায় ‘আমদানি না থাকা’র ওপর। বছর দুয়েক আগে একবার বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দেশেই পেঁয়াজের চাহিদার সবটুকু উৎপাদন করা হবে। কিন্তু সেই পথে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।
গত ২ সপ্তাহে দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে অন্তত ৮ টাকা। কেজিপ্রতি পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৩৭-৩৮ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে গেছে দেশি পেঁয়াজের দামও, বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪১ টাকায়। অন্যদিকে খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৪৬ টাকায়। অথচ কিছুদিন আগেও দাম ছিল ৩০ টাকা বা তার কিছু বেশি। পেঁয়াজের এই দাম আরও বাড়তে পারে। কারণ দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ীরা যে ‘অজুহাত’ খাড়া করাচ্ছেন, এর আগে সেই একই অজুহাতে পেঁয়াজের বাজার চরম অস্থির করে তোলা হয়েছিল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশি উৎপাদনের বাইরে প্রয়োজনীয় সবটুকুই আসে ভারত থেকে। আর এই মুহূর্তে বন্ধ আছে আমদানির অনুমতি (আইপি)।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি শেষ হয়ে গেছে গত ২৯ এপ্রিল। এরপর আর নতুন করে অনুমতি পাওয়া যায়নি। এই সময়টার মধ্যে সুযোগ পেয়ে কয়েক দফা পণ্যটির দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। ভোক্তারা বলছেন, এ ব্যাপারে সরকারের যথাযথ মনিটরিং প্রয়োজন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের উৎপাদিত দেশি পেঁয়াজের কোনো সঙ্কট নেই। সুতরাং দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, তারা যেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে।